পত্রিকা: 'ভয়ঙ্কর আর্থিক ঝুঁকিতে ১২২ সরকারি প্রতিষ্ঠান'

ভয়ঙ্কর আর্থিক ঝুঁকিতে ১২২ সরকারি প্রতিষ্ঠান— নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের ১২২টি সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান তীব্র আর্থিক ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।
দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা অপশাসন, অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর পুঞ্জীভূত দায়ের পরিমাণ এখন দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৩৩ হাজার ২১৬ কোটি টাকায়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক এক 'আর্থিক ঝুঁকি বিবৃতি' পর্যালোচনায় এই উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে।
বিশেষ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, শিল্প ও বিমান খাতের আর্থিক বিপর্যয় এখন চরম পর্যায়ে।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, মোট দায়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশই সরকারের কাছে বকেয়া রয়েছে। 'সাবসিডিয়ারি লোন অ্যাগ্রিমেন্ট' (এসএলএ) এবং 'লোন অ্যাগ্রিমেন্ট' (এলএ)-এর অধীনে বাংলাদেশ সরকারের কাছে বকেয়া দায়ের পরিমাণ ৩ লাখ ৫০ হাজার ৬৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা, যা মোট দায়ের ৪২.০১ শতাংশ।
১২২ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে খুব উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৯টি; উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ৩০টি; মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ ৫০টি; কম ঝুঁকিপূর্ণ ১৮টি; আর একেবারে কম ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা পাঁচটি।


সমকালের প্রধান খবর— ঝুঁকি নিয়ে চালু হচ্ছে রূপপুর, কয়েকটি চুক্তি নিষ্পন্ন হয়নি।
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
এই সংবাদে বলা হয়েছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে আগামী অগাস্টের মধ্যে।
তবে উৎপাদন শুরুর আগমুহূর্তেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অনিষ্পন্ন রয়ে গেছে। এখনও হয়নি ঝুঁকিপূর্ণ স্পেন্ট ফুয়েল অপসারণের চূড়ান্ত চুক্তি। নির্ধারিত হয়নি বিদ্যুতের দাম।
বাকি রয়েছে পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত সমঝোতা। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জাতীয় গ্রিডের সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষেত্রে শুধু রিঅ্যাক্টরে জ্বালানি লোড বা বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করাই একমাত্র সফলতা নয়; বরং এর দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উপযোগিতা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই আসল চ্যালেঞ্জ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, বেশ কিছু অতিগুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যাচ্ছে।
ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানি (স্পেন্ট ফুয়েল) মানবদেহ ও পরিবেশের জন্য ব্যাপক ঝুঁকিপূর্ণ। এই ক্ষতিকর বর্জ্য রাশিয়া পুনর্ব্যবহারের জন্য ফেরত নিয়ে যাবে, নাকি স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করবে, সে বিষয়টি এখনও অস্পষ্ট।
পাশাপাশি এই প্রক্রিয়ার ব্যয়ভার কেমন হবে, তা-ও পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন তিনি।

বণিক বার্তার প্রধান সংবাদ— আর্থিক অপরাধের জন্য সবচেয়ে অভিযুক্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকার বাংলাদেশেই।
এই খবরে বলা হয়েছে, অনেক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর কিংবা জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্নভাবে অনিয়ম-দুর্নীতি কিংবা স্বার্থের সংঘাতে জড়ানোর অভিযোগ উঠলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো এত বিস্তৃত অভিযোগ কোথাও পাওয়া যায় না।
২০০৯ সাল-পরবর্তী দেড় দশকে বাংলাদেশ ব্যাংকে দায়িত্ব পালনকারী তিন গভর্নরের বিরুদ্ধেই দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করছে।
এ গভর্নরদের সঙ্গে তদন্তের জালে জড়িয়েছেন বিভিন্ন সময়ের সাতজন ডেপুটি গভর্নর, অনেক নির্বাহী পরিচালকসহ অন্তত ৫৫ জন কর্মকর্তা।
তাদের বিরুদ্ধে মামলা, তদন্ত, সম্পদ জব্দ ও নথিপত্র তলবের মতো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এদের মধ্যে প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার সুর চৌধুরী এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের সাবেক প্রধান মাসুদ বিশ্বাস গ্রেফতার হয়েছেন।
সাবেক গভর্নরদের মধ্যে ড. আতিউর রহমান ও আব্দুর রউফ তালুকদারের কোনো হদিস নেই। আর অনেক সাবেক ডেপুটি গভর্নরও লোকচক্ষুর অন্তরালে রয়েছেন।

প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর— বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা-বরাদ্দে নতুন নিয়ম, শিক্ষকেরা অসন্তুষ্ট। এই খবরে বলা হয়েছে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটে গবেষণা খাতে বরাদ্দের পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
গবেষণা মঞ্জুরির অর্থ এখন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হবে না, তা ব্যয় হবে ইউজিসির মাধ্যমে।
তবে এ নিয়ে অসন্তুষ্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকেরা।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য গবেষণা খাতে বরাদ্দের জন্য সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণা পরিকল্পনা, উপখাতভিত্তিক অর্থের চাহিদা এবং বাজেট প্রাক্কলন দ্রুত কমিশনে পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে ২রা জুলাই চিঠিও দেওয়া হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে ইউজিসির উচ্চপর্যায়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে এবার গবেষণার বরাদ্দ ইউজিসির মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে দেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের যুক্তি হচ্ছে, বরাদ্দটা বিক্ষিপ্তভাবে হলে নানা সমস্যা তৈরি হয়। এই অর্থের দায়িত্ব নেওয়া নিয়ে ইউজিসির মধ্যেও একধরনের অস্বস্তি ছিল।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বলছে, বিগত বছরগুলোয় ইউজিসি তাদের গবেষণা তহবিল বেশ কার্যকারিতার সঙ্গে ব্যয় করেছে।

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— কথার আগে চলছে গুলি। এই খবরে বলা হয়েছে, খুলনায় আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাস।
প্রকাশ্যে গুলি, কুপিয়ে হত্যা, চাঁদাবাজি, মাদক ও অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ, আধিপত্য বিস্তার এবং পুরোনো বিরোধকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ড ও হামলার ঘটনা ঘটছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত খুলনা মহানগরে ১৯টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
আর ২০২৪-এ গণঅভ্যুত্থানের পর ঘটেছে ৩৪টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা, যেগুলোতে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতার তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য বলছে, নগরীতে অন্তত কয়েকটি সন্ত্রাসী গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে।
এসব গ্রুপের সদস্যরা এখন এতটাই বেপরোয়া যে জনবহুল এলাকাতেও অস্ত্র ব্যবহার করতে দ্বিধা করছে না।

দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম— শিগগিরই দল হিসেবে আ.লীগের বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এতে বলা হয়েছে, 'বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এই দেশে আর কোনো দিন রাজনীতি করতে পারবে না।
শিগগিরই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার হবে'— এ কথা বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
গতকাল শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই জাতীয় সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাকর্মীরা বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র করছে অভিযোগ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, 'সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদ অনুসারে আইন সংশোধন করা হয়েছে।
সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আছে, আইসিটি অ্যাক্টে আছে, রাজনৈতিক দলের-সংগঠনের বিচার করা যাবে। সুতরাং অপেক্ষা করুন।'

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— IMED smells graft in Karnaphuli tunnel; অর্থাৎ কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পে দুর্নীতির আভাস পাচ্ছে আইএমইডি।
এই খবরে বলা হয়েছে, ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ের কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পে এক হাজার ৬১৬ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম শনাক্ত করেছে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)।
প্রকল্পটির ক্রয় প্রক্রিয়া, ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘমেয়াদী কার্যকারিতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে সরকারের এ সংস্থা।
গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে অনিয়মের কথা তুলে ধরে যেমন আইএমইডি জানায়, বৃক্ষরোপণ বাবদ ৪৮ কোটি টাকা ব্যয় দেখানো হলেও আদতে একটি গাছও লাগানো হয়নি।
প্রতিবেদনে গত তিন অর্থবছরে অমীমাংসিত ৬৮টি অডিট বা নিরীক্ষা আপত্তি চিহ্নিত করা হয়েছে, যার মধ্যে ৪৮টিকে 'গুরুতর আর্থিক অনিয়ম' হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।
এই আপত্তিগুলো অমীমাংসিত থাকায় তা আর্থিক শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোর মধ্যে একটি হলো ৫০৪ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি বিশাল সার্ভিস এরিয়া বা সেবাকেন্দ্র নির্মাণ। আইএমইডি-র মতে, এটি অপ্রয়োজনীয় ছিল এবং টানেলের মূল উদ্দেশ্যের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

নিউ এইজের প্রধান সংবাদ— Govt pry students cannot even read Bangla properly; অর্থাৎ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো বাংলাও পড়তে পারে না।
এই খবরে বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিট গত জুনে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ কয়েকটি জেলার দুই হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষার্থীদের মৌলিক সাক্ষরতা ও গাণিতিক দক্ষতার বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে।
তাতে দেখা গেছে, পঞ্চম শ্রেণির অনেক শিক্ষার্থীই সব বাংলা বর্ণ সঠিকভাবে উচ্চারণ করতে কিংবা অনেক ইংরেজি শব্দ পড়তে পারে না।
এমনকি দ্বিতীয় শ্রেণির অনেক শিক্ষার্থী বিয়োগ করতে হিশশিম খাচ্ছিল। কারণ, তাদেরকে ভুল পদ্ধতিতে শেখানো হয়ে থাকে।
জ্যেষ্ঠ শিক্ষাবিদদের মতে, মানসম্মত শিক্ষক, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকি এবং অবকাঠামোর অভাবই শিক্ষার্থীদের মৌলিক সাক্ষরতা ও গাণিতিক দক্ষতায় দুর্বল অবস্থার প্রধান কারণ।

এক দশকেও আলোর মুখ দেখেনি নতুন নাগরিকত্ব আইন— কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, সময়ের প্রয়োজনে ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পুরনো আইন বদলে নতুন নাগরিকত্ব আইন করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাংলাদেশে তা দীর্ঘ এক দশক ফাইলবন্দি হয়ে আছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বর্তমানে বাংলাদেশে নাগরিকত্ব নির্ধারিত হয় ১৯৫১ সালের 'নাগরিকত্ব আইন' এবং ১৯৭২ সালের 'বাংলাদেশ সিটিজেনশিপ টেম্পোরারি প্রভিশনস অর্ডার' এই দুটি আইনের ভিত্তিতে।
এই আইন দুটি অত্যন্ত পুরনো এবং অনেক ক্ষেত্রে জটিল হওয়ায় আইন দুটিকে সমন্বয় করে একটি আধুনিক কাঠামো প্রদানের লক্ষ্যে 'বাংলাদেশ নাগরিকত্ব আইন-২০১৬'-এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
২০১৬ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই খসড়াটির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু এরপরের পক্রিয়া থমকে যায়।
প্রস্তাবিত এই আইনে মোট ছয়টি অধ্যায় এবং ২৮টি ধারা রয়েছে। এতে নাগরিকত্ব অর্জন, নাগরিকত্ব পাওয়ার অযোগ্যতা এবং কোন কোন পরিস্থিতিতে নাগরিকত্ব বাতিল হতে পারে, সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এই আইনের অন্যতম দিক হলো প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য 'দ্বৈত নাগরিকত্ব' লাভের সুযোগ আরো বিস্তৃত করা।

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ রোধে সীমান্তে কঠোর নজরদারি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে যৌথ অভিযানের সিদ্ধান্ত— সংবাদের প্রথম পাতার খবর এটি।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের রাখাইনে সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির ওপর বিমান হামলা চালাচ্ছে দেশটির সরকারি বাহিনী। এমন অবস্থায় নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশেরও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এছাড়া, সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় এমন হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের টেকনাফ, উখিয়া ও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের কয়েক হাজার মানুষও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
এমন পরিস্থিতিতে গতকাল শনিবার সকালে টেকনাফে অনুষ্ঠিত কক্সবাজার জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ সভায় রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নাফ নদী ও স্থল সীমানায় বিজিবি-কোস্টগার্ডের টহল জোরদারের পাশাপাশি নজরদারিও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি অপহরণ, মাদক-অস্ত্র চোরাচালান ও সমুদ্রপথে মানবপাচার বন্ধ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, পাহাড়ে সন্ত্রাসীদের আস্তানা উচ্ছেদ, আশ্রয়শিবিরে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার, ক্যাম্পের বাইরে অবস্থানকারী রোহিঙ্গাদের শনাক্তকরণ অনলাইন জুয়া বন্ধে যৌথ বাহিনীর অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।








