লাইভ, ওবায়দুল কাদেরসহ পাঁচ আসামির সম্পত্তি বিক্রি করে জুলাইয়ে হতাহতদের দেওয়ার নির্দেশ

ওবায়দুল কাদেরসহ পাঁচ জন আসামির সম্পত্তির ৫০ শতাংশ বিক্রি করে জুলাইয়ে আহত বা নিহতদের পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র প্রথমবারের মতো নিশ্চিত করেছে যে তারা পৃথিবীর কক্ষপথে একটি মহাকাশ-ভিত্তিক অস্ত্র মোতায়েন করেছে। চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

সরাসরি কভারেজ

  1. রায়কে 'প্রতিহিংসামূলক' বলল আওয়ামী লীগ

    বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ৭ নেতার বিরুদ্ধে যে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয়েছে তাকে ‘একতরফা, পক্ষপাতদুষ্ট ও সাজানো রায়’ উল্লেখ করে প্রত্যাখ্যান করেছে দলটি।

    দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পাতা ও দলটির ওয়েবসাইটে দেওয়া বিবৃতিতে এ রায় নিয়ে “আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের মৌলিক নীতি লংঘন করে ঘোষিত রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক রায়” শীর্ষক আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা করেছে।

    বিবৃতিতে দলটি বলেছে, “এই বিচারিক প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের মৌলিক ও সর্বজনস্বীকৃত নীতিগুলোর প্রতি চরম অবজ্ঞা প্রদর্শন করে তাড়াহুড়ো করে সম্পন্ন করা হয়েছে, যা আইনের শাসনের পরিবর্তে বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকেই প্রতিষ্ঠিত করে”।

    আওয়ামী লীগের দাবি, “শুধু এই রায় নয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-এর সকল কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন”।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপক্ষ এই মামলায় যেসব ডিজিটাল সাক্ষ্য উপস্থাপন করেছে তা আন্তর্জাতিক আদালতের সাক্ষ্য মানদণ্ড ও ইন্টারন্যাশনাল বার অ্যাসোসিয়েশনের নীতিমালা লঙ্ঘন করে উপস্থাপন করা হয়েছে, যার কোন সাক্ষ্য মূল্য নেই।

    “এই সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে প্রকাশিত রায় প্রহসন ছাড়া আর কিছু নয়,” দলটি বিবৃতিতে দাবি করেছে।

    আওয়ামী লীগের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আজকের রায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল তার বিচারিক ম্যান্ডেটের বাইরে গিয়ে শাস্তি প্রদান করেছে।

    “১৯৭৩ সালের আইনে কোন অভিযুক্ত ব্যক্তির সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার শাস্তি উল্লেখ না থাকা সত্ত্বেও, আজকের রায় সম্পূর্ণ অসংবিধানিক ও বেআইনিভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছে- যা বিচারকদের প্রতিহিংসা মূলক মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ মাত্র”।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “যে মহৎ উদ্দেশ্যে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারার্থে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছিল, বর্তমান অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক সরকার সেই পবিত্র উদ্দেশ্যকে সম্পূর্ণ জলাঞ্জলি দিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক জিঘাংসা চরিতার্থ করতে এবং একমাত্র আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক ও নিশ্চিহ্ন করতে এই ট্রাইব্যুনালকে যথেচ্ছভাবে ব্যবহার করছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন ও মৌলিক মানবাধিকারের স্বীকৃত নীতিগুলোকে পদদলিত করে রাজনৈতিক আজ্ঞাবহ আদালতে দেওয়া এই মিথ্যা ও বানোয়াট রায়ের কোনো আইনগত ভিত্তি নেই''।

  2. ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক সহজের শর্ত শেখ হাসিনা ও কাদেরসহ আসামিদের ফেরত দেওয়া: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

    প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান

    ছবির উৎস, Screengrab

    ছবির ক্যাপশান, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, সম্পর্ক সহজীকরণের স্বার্থে ভারতে পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরসহ অন্যান্য সব আসামিদের ফেরত দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ একটি শর্ত।

    সরকারি বার্তা সংস্থা বাসস- এর খবর অনুযায়ী , আজ সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেছেন তিনি।

    তিনি জানান, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনারের সাথে সাক্ষাতেও বিষয়টি গুরুত্বের সাথে উত্থাপন করা হয়েছে।

    “হাই কমিশনারের সাথে সাক্ষাতে শেখ হাসিনাসহ ভারতে পলাতক সব আসামিদের ফিরিয়ে আনার ইস্যুটি আমরা আমাদের জায়গা থেকে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেছি। আমরা জানিয়েছি যে বাংলাদেশের সাথে একটি কার্যকর সম্পর্ক (ওয়ার্কিং এনগেজমেন্ট) জোরদারের স্বার্থে এই বিষয়টি ভারত সরকারকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা উচিত,” বলেছেন তিনি।

    পলাতক আসামিদের ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি বলেন, “তারা দেশের বাইরে বসে আরাম-আয়েশের জীবনযাপন করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা বক্তব্য বা নসিহত প্রসব করছে, যা বাংলাদেশের মানুষের অনুভূতিতে চরম আঘাত হানছে। আমরা আশা করি, ভারত সরকার বাংলাদেশের মানুষের এই অনুভূতি ও সেনসিটিভিটি বুঝবে এবং তাদেরকে হস্তান্তর করবে”।

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ বলেন, সংবিধানে জাতীয় ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্বাধীন হলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সিদ্ধান্ত সরকারের সাথে আলোচনার মাধ্যমেই নির্ধারিত হয়।

    তিনি আরও বলেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন পুরোপুরি অংশগ্রহণমূলক হবে। সেখানে কোনো দলীয় প্রতীক থাকবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর তথ্যের ব্যাখ্যা দিয়ে উপদেষ্টা বলেন, ১০ হাজার কর্মী বিনামূল্যে যাওয়ার বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সঠিক।

  3. মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা নিশ্চিত করলো যুক্তরাষ্ট্র

    পৃথিবীর কক্ষপথে একটি মহাকাশ অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

    ছবির উৎস, Thomas Traasdahl/Ritzau Scanpix/AFP via Getty Images

    ছবির ক্যাপশান, পৃথিবীর কক্ষপথে একটি মহাকাশ অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

    যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত করেছে যে তারা পৃথিবীর কক্ষপথে একটি মহাকাশ অস্ত্র মোতায়েন করেছে। এই প্রথমবার দেশটি প্রকাশ্যে স্বীকার করল যে তাদের এমন আক্রমণাত্মক সক্ষমতা রয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর সচিব ট্রয় মেইঙ্ক বলেছেন, শত্রুপক্ষের সম্ভাব্য হামলা থেকে মার্কিন বাহিনীকে সুরক্ষিত রাখতে এই ‘কক্ষপথে মোতায়েন করা’ অস্ত্রটি প্রয়োজনীয় ছিল।

    সোমবার অনুষ্ঠিত এয়ার স্পেস অ্যান্ড সাইবার কনফারেন্সে বক্তব্য দেওয়ার সময় মেইঙ্ক বলেন, ‘পরিবর্তনশীল হুমকি’ মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত রয়েছে।

    তবে তিনি অস্ত্রটির সক্ষমতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানাননি এবং এটি ঠিক কখন কক্ষপথে পাঠানো হয়েছে তাও বলেননি।

    এর আগে দেশটির সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেছিলেন, তারা মহাকাশে মার্কিন সামরিক সক্ষমতা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন।

    তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতের কোনো সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের স্যাটেলাইটে হামলা ও সেগুলোতে বিঘ্ন ঘটানোর উপায় তৈরি করছে রাশিয়া ও চীন।

    ট্রাম্প প্রশাসন বলেছে, মহাকাশভিত্তিক সক্ষমতা এবং ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র তাদের পরিকল্পিত ‘গোল্ডেন ডোম’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

    এই ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য আকাশপথের হুমকি থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য তৈরি করা হচ্ছে।

    ১৯৬৭ সালের একটি চুক্তির মাধ্যমে কক্ষপথে ব্যাপক ধ্বংসাত্মক অস্ত্র মোতায়েন নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এরপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনসহ গুরুত্বপূর্ণ সামরিক শক্তিগুলো ওই চুক্তির আওতার বাইরে থাকা বিভিন্ন ধরনের সক্ষমতা নিয়ে কাজ করে আসছে।

    এর মধ্যে প্রতিপক্ষের স্যাটেলাইটকে লক্ষ্যবস্তু করার প্রযুক্তিও রয়েছে। সামরিক যোগাযোগ, নজরদারি ও নেভিগেশনের জন্য এসব স্যাটেলাইট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    গত বছর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেন, যেখানে বলা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ শক্তি শুধুমাত্র আত্মরক্ষার জন্য নয়, একই সাথে আক্রমণেরও শক্তি।

  4. ওবায়দুল কাদেরসহ পাঁচ আসামির সম্পত্তি বিক্রি করে জুলাইয়ে হতাহতদের দেওয়ার নির্দেশ

    চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম

    ছবির উৎস, Screen Grab

    ছবির ক্যাপশান, চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম

    কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ পাঁচ জন আসামির সম্পত্তির ৫০ শতাংশ বিক্রি করে জুলাইয়ে আহত বা নিহতদের পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।

    আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের মামলায় এই রায় দেওয়া হয়।

    এই মামলায় আওয়ামী লীগের সাতজন নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    ট্রাইব্যুনাল রায়ে বলেছে- "আসামি ওবায়দুল কাদের, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ এবং মাইনুল হোসেন খান নিখিলের সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির অর্ধেক (৫০ শতাংশ) বাজেয়াপ্ত করা হলো এবং উক্ত সম্পত্তি বিক্রয়লব্ধ অর্থ হইতে জুলাই বা অগাস্ট ২০২৪ সময়কালে নিহত ও আহত সকল ব্যক্তি বা তাদের পরিবারবর্গকে জুলাই ফাউন্ডেশন বা অন্য কোনো বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হলো।"

    এই পাঁজনের বাইরে এই মামলায় আসামি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

    মামলার সব আসামিই পলাতক আছেন।

    আসামিদের সম্পদ বাস্তবায়নের বিষয়ে এক প্রশ্নে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, "এই রায় বাস্তবায়ন করবে সরকার এবং তাদের কার কোথায় কী সম্পদ আছে রাষ্ট্র বা সরকার সেটা খুঁজে বের করবে এবং সে অনুযায়ী তাদের যে সম্পদ পাওয়া যাবে তার অর্ধেক বাজেয়াপ্ত হবে।"

    আইনানুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের এই রায় প্রকাশিত হওয়ার পরে ৩০ দিন পর্যন্ত আসামিদের আপিল করার সুযোগ থাকে।

    চিফ প্রসিকিউটর মি. ইসলাম বলেন, "৩০ দিন পর্যন্ত কোনো সম্পদ বাজেয়াপ্ত বা অন্য কোনো ব্যবস্থায় যাওয়ার হয়তো সুযোগ নাই। কিন্তু ৩০ দিন পর থেকে বাংলাদেশ সরকারের এই রায় বাস্তবায়ন করতে কোনো বাধা নেই।"

    ওবায়দুল কাদের

    ছবির উৎস, Obaidul Quader facebook

  5. গতকালের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ঘটনা

    • বাংলাদেশে নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়ে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সাতটি ধাপে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
    • ডাকসু সংগ্রশালায় জিন্নাহ ও আব্দুল মালেকের ছবি টানানো, ওয়েবসাইট চালু করে শিক্ষক মূল্যায়ন এবং নির্ভীক জুলাই নামে স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপনের ঘটনা তদন্তে পৃথক তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
    • নথ্রপিক নামক এআই কোম্পানির প্রধান দারিও আমোদি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির উন্নয়নের গতি আরো ধীরে করার আহ্বান জানানোর পর তাকে নিয়ে সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
    • ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যপ্রাচ্যে লাগাতার হামলার নিন্দা জানিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন।
    • শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ মঙ্গলবার থেকে দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
    • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কটূক্তির অভিযোগে নজরুল ইসলাম ছোটন নামে একজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
    • ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ঢাকা উত্তর সিটিতে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে আবু সাদিক কায়েমকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী।
    • ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আটজন মারা গেছেন। এদের মধ্যে ছয়জনই বিভিন্ন বয়সী নারী এবং বাকি দুইজন পুরুষ।
    • হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আট শিশু মারা গেছে। এর মধ্যে চারজন ঢাকায় এবং সিলেটে মারা গেছে চারজন।
  6. বিবিসি বাংলার লাইভ

    বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায় আপনাদের স্বাগত। দেশ ও বিশ্বের উল্লেখযোগ্য ঘটনার সর্বশেষ খবর পেতে চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার এই পাতায়।

    গতকালের উল্লেখযোগ্য সব খবর দেখতে ক্লিক করুন এখানে

    বিবিসি বাংলায় দেশ-বিদেশের আরো খবর পেতে ক্লিক করুন এখানে