পত্রিকা: 'অনুমোদনের পরও আটকে আছে পে স্কেলের গেজেট'

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণে ফলাফলে বড় পরিবর্তন; র্যাব বিলুপ্ত করে একই কাঠামোতে এসআরবি গঠন নিয়ে সমালোচনার মুখে পুলিশের নতুন ইউনিটটি গঠনে সংসদে বিল পাস এবং সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের সমাপনী দিনের আলোচনার খবর গুরুত্ব পেয়েছে শুক্রবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায়।
কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম—অনুমোদনের পরও আটকে আছে পে স্কেলের গেজেট।
এই খবরে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য গত ৩১শে অগাস্ট মন্ত্রিসভায় নতুন বেতনকাঠামো অনুমোদনের পর এক সপ্তাহের মধ্যে গেজেট প্রকাশের কথা জানানো হলেও ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তা জারি হয়নি।
নতুন স্কেলে মূল বেতন কত হবে, কোন ভাতা কখন কার্যকর হবে, বকেয়া কিভাবে হিসাব করা হবে— এসব বিষয়ে চূড়ান্ত নির্দেশনার জন্য এখন গেজেটের অপেক্ষায় রয়েছেন চাকরিজীবীরা।
সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, পে স্কেল সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনটি আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং পর্যায়ে রয়েছে। ফলে নতুন বেতনকাঠামো নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আবারও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম— দুই দেশেই নতুন বাস্তবতা ও চাপ।
এই খবরে বলা হয়েছে, ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ৩০ বছরের জন্য স্বাক্ষর হওয়া গঙ্গার পানি বন্টনের চুক্তির মেয়াদ আগামী ১১শে ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে।
আর এদিকে ভারতে নদীটির অববাহিকায় অবস্থিত বিহারসহ বিভিন্ন রাজ্য উদ্বেগ প্রকাশ করছে। সেখানকার রাজনৈতিক দলগুলো চুক্তিবিরোধী তৎপরতা বাড়াচ্ছে। উজানের দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রীরাও এ বিষয়টিতে যুক্ত হচ্ছেন।
অন্যদিকে, বর্তমান চুক্তি হুবহু নবায়নের পরিবর্তে পর্যালোচনা এবং পানি প্রবাহের নিশ্চয়তার জন্য সুরক্ষা-ধারা ফেরানোর দাবি উঠছে বাংলাদেশে।
সরকার অবশ্য জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখার ওপর জোর দিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনার কথা বলছে।
তবে দুই দেশের মধ্যে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ এখন পর্যন্ত শুরু হয়নি।
স্থানীয় বিশ্লেষকরা মনে করেন, অভিন্ন নদীর পানি ভাগাভাগির মূল আলোচনা হবে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে। তাই দেশটির স্থানীয় পর্যায়ের কে কী বলছে, তাতে বাংলাদেশ গুরুত্ব না দিলেও চলবে।
তবে চুক্তির আলোচনায় উজানে পানি প্রত্যাহারের বিষয়গুলো হিসাবে আনতে হবে।

সমকালের প্রধান শিরোনাম— খাতা পুনর্মূল্যায়ন, ফলাফলে বড় পরিবর্তন, ৩০৭৯ জিপিএ ৫।
এই খবরে বলা হয়েছে, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণে খাতা নতুন করে দেখার পর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ৫৬ হাজার ২৫৯টি উত্তরপত্রে নম্বর পরিবর্তন এসেছে।
চার হাজার ৫৮৫ শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছে। গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের। এর মধ্যে নতুন করে তিন হাজার ৭৯ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে।
শিক্ষা বোর্ড-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এর আগে কোনো বছর পুনর্নিরীক্ষণে এত সংখ্যক শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেনি। এবারই ফলে সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন ধরা পড়েছে।
ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, কোথাও সঠিক উত্তরে নম্বর দেওয়া হয়নি। কোথাও উত্তর মূল্যায়নই করা হয়নি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে খাতার ভেতরে দেওয়া নম্বর মূল নম্বরপত্রে সঠিকভাবে তোলা হয়নি। সঠিক উত্তরকে ভুল ধরে নম্বর না দেওয়ার ঘটনাও পাওয়া গেছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
প্রথম আলোর প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— গঠিত হচ্ছে এসআরবি, র্যাবের প্রায় সবই থাকছে আইনে ।
এই খবরে বলা হয়েছে, বিরোধী দলের আপত্তির মুখে 'স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)' নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার র্যাব বিলুপ্ত করে বিলটি সংসদে পাস হয়।
এসআরবি বিলে বলা হয়েছে— র্যাবের জনবল, আদেশ, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, বিদ্যমান সুবিধা, তহবিল, নগদ ও ব্যাংকে রাখা অর্থ, দায়, চুক্তি, স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি, রেজিস্টার, রেকর্ডপত্রসহ সব দলিল এসআরবির কাছে স্থানান্তর হবে।
র্যাবের অতীত কর্মকাণ্ড বিবেচনায় নিয়ে জাতিসংঘ, গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন এবং দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠনগুলো বিভিন্ন সময়ে বাহিনীটি বিলুপ্ত করার সুপারিশ করেছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব বিলুপ্তির উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানায় বর্তমান সরকার।
তবে র্যাব বিলুপ্ত করে একই কাঠামোতে এসআরবি গঠনে মন্ত্রিসভায় আইনের খসড়া পাস হওয়ার পর থেকে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে।
মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, আগের কাঠামো ঠিক রেখে যেভাবে বিল পাস হলো, তাতে কাগজে-কলমেই শুধু র্যাবের নাম বিলুপ্ত হবে।
End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান শিরোনাম— Dhaka meat market: Unsafe slaughter, weak checks expose health risks; অর্থাৎ ঢাকার মাংসের বাজার: যত্রতত্র জবাই, দুর্বল তদারকিতে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে মানুষ।
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে পশু জবাই করার আগে যেসব আইনগত ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সাবধানতা অবলম্বনের নিয়ম রয়েছে, তার কোনোটিই মানা হচ্ছে না।
ফলে পশুটি কোনো রোগে আক্রান্ত কি না বা এর মাংস মানবদেহের জন্য কতটা বিপজ্জনক, সেই মৌলিক তথ্যের তোয়াক্কা না করেই প্রতিদিন মানুষ বাজার থেকে মাংস কিনছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ লেনিন চৌধুরী জানান, অসুস্থ পশুর মাংস খেলে বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। পশু ভাইরাসে আক্রান্ত থাকলে ভোক্তাও সংক্রমিত হতে পারেন। তাই জবাইয়ের আগে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা জরুরি।
তিনি আরও জানান, নির্দিষ্ট ও স্বাস্থ্যসম্মত স্থানে পশু জবাই না হলে জবাইয়ের স্থান থেকেই রোগজীবাণু মাংসে সংক্রমিত হতে পারে।
নিরাপদ মাংস সরবরাহ নিশ্চিত করতে ঢাকায় দুটি আধুনিক জবাইখানা নির্মাণ করা হয়েছিল। সেখানে ভেটেরিনারি সার্জন দিয়ে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও স্বয়ংক্রিয় উপায়ে মাংস প্রক্রিয়াজাত করার কথা থাকলেও বাস্তবে কোনো সুফল মিলছে না। কোটি টাকার যন্ত্রপাতি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থেকে ধুলার আস্তরে ঢেকে গেছে।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাজার ও অলিগলিতে এখনো উন্মুক্ত রাস্তায় কিংবা দোকানের পাশের ঘরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পশু জবাই করা হচ্ছে। পশুটি সংক্রামক রোগে আক্রান্ত কি না বা মানুষের খাদ্য হিসেবে উপযোগী কি না, তা পরীক্ষা করার জন্য সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো কর্মকর্তাকে সেখানে দেখা যায় না।
যদিও পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩(১) ধারা অনুযায়ী, পারিবারিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান ছাড়া খোলা স্থানে পশু জবাই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মানবজমিনের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা আয়কর দিতে হবে।
এই খবরে বলা হয়েছে, ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ পর্যন্ত পাঁচটি করবর্ষের বকেয়া রাজস্ব বাবদ ৬৬৬ কোটি ৯১ লাখ ৫২ হাজার ৩৭৬ টাকা কর গ্রামীণ কল্যাণকে পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এ সংক্রান্ত জারি করা দু'টি রুল খারিজ করে গতকাল বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট এ রায় ঘোষণা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. আব্দুস সামাদ আজাদ জানান, এই আদেশের ফলে কর বিভাগ আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ডিমান্ড নোটিশ জারি করে সমুদয় রাজস্ব আদায় করতে পারবে।
গ্রামীণ কল্যাণের আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন বিস্তারিত রায় প্রকাশের পর আপিল করার কথা জানিয়েছেন।

আজকের পত্রিকার প্রধান সংবাদ— কাজে আসছে না পদক্ষেপ, সংকট কাটছে না সারের।
খবরটিতে বলা হয়েছে, কেবল সরকারের হিসাবের খাতায় নয়, গুদামেও পর্যাপ্ত সার আছে। কৃষকের সারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপও নিয়েছে।
তবু বাস্তবে অনেক জায়গায় কৃষকেরা প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না। কোথাও আবার বিক্ষোভ ছাড়াও রীতিমতো লুটের মতো তুলকালাম চলেছে।
পর্যবেক্ষকদের যুক্তি, পর্যাপ্ত সার থাকলে মাঠের পরিস্থিতি এমন হতো না। আর সংকট যদি কৃত্রিমই হয়ে থাকে, তাহলে ত্রুটি সরকারের ব্যবস্থাপনায়।
এদিকে, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ও শীর্ষ কৃষি কর্মকর্তার অভিযোগ, এ জন্য পতিত স্বৈরাচারী সরকারের আমলের ডিলারসহ অসাধু মহলের অপতৎপরতা দায়ী।

বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম— রাজনৈতিক পরিবর্তনেও সরকারি ধান-চাল সংগ্রহে পর্যাপ্ত সুবিধা পান না কৃষক।
এই খবরে বলা হয়েছে, সরকারি সংগ্রহের বড় অংশ চালকল মালিকদের মাধ্যমে হওয়া, কৃষকের তালিকা ও কোটায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো, ধানের আর্দ্রতা ও অন্যান্য মানদণ্ডে ক্ষুদ্র কৃষকের বাদ পড়ার বিস্তর অভিযোগ ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে।
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার দাবি ওঠে। কিন্তু সরকারি ধান সংগ্রহে কৃষকের অভিযোগ ছিল সে আমলেও।
বর্তমান বিএনপি সরকারের প্রথম বোরো মৌসুমেও কোথাও কোথাও কৃষকের কম দামে ধান বিক্রি, সরকারি ক্রয়মূল্য নিয়ে অসন্তোষ কিংবা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ রয়েই গেছে।
সরকার ধান ও চাল—দুটিই সংগ্রহ করে, কিন্তু কৃষক মূলত ধান বিক্রির সুযোগ পান। আবার ধান সংগ্রহ করা হয় তুলনামূলক কম। চাল সরবরাহের বড় অংশের জন্য চুক্তি হয় চালকল মালিকদের সঙ্গে।
ফলে সরকারের নির্ধারিত দামের সুবিধা সরাসরি কৃষকের হাতে যাওয়ার বদলে সরবরাহ শৃঙ্খলের পরবর্তী স্তরে চলে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।
প্রক্রিয়াগত জটিলতায় অনেক ক্ষেত্রে ছোট কৃষক সরকারের কাছে বেশি লাভের সুযোগ সত্ত্বেও স্থানীয় পর্যায়ে ধান বিক্রি করে দেন।

নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর— ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের বিস্ফোরণ।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, দেশের ব্যাংকিং খাতের সঙ্কট এখন আর কয়েকটি দুর্বল ব্যাংক বা বিচ্ছিন্ন কিছু ঋণখেলাপির সমস্যা নয়।
বিপুল খেলাপি ঋণ, সম্পদের মানের ভয়াবহ অবনতি, প্রভিশন ঘাটতি, মূলধনের ওপর বাড়তে থাকা চাপ এবং দুর্বল করপোরেট গভর্ন্যান্স— সব মিলিয়ে ব্যাংকিং খাতের সঙ্কট এখন কাঠামোগত রূপ নিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গত ৩০ জুনের শ্রেণিকৃত ঋণ ও প্রভিশন-সংক্রান্ত তথ্যানুযায়ী, দেশের ব্যাংকিং খাতে মোট ঋণের স্থিতি ১৮ লাখ ৫০ হাজার ৫৯৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে শ্রেণিকৃত বা খেলাপি ঋণ ছয় লাখ ছয় হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা; অর্থাৎ ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের ৩২.৭৮ শতাংশই এখন শ্রেণিকৃত।
আরো উদ্বেগজনক হচ্ছে শ্রেণিকৃত ঋণের গঠন। এর মধ্যে মন্দ ও ক্ষতিজনক ঋণ পাঁচ লাখ ৭২ হাজার ৩৭ কোটি টাকা; অর্থাৎ মোট ব্যাংক ঋণের প্রায় ৩০.৯১ শতাংশ এমন পর্যায়ে রয়েছে, যেগুলোকে মন্দ বা ক্ষতিজনক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ঋণের ৯৩.১০ শতাংশই শীর্ষ ২০ ব্যাংকের দখলে।
End of বিবিসি বাংলার আরও সংবাদ:

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম—Rice intake falls 25%, we are now eating more fruit and protein; অর্থাৎ ভাত খাওয়া ২৫% কমেছে, আমরা এখন বেশি করে ফল ও প্রোটিন খাচ্ছি।
এই খবরে বলা হয়েছে, কয়েক প্রজন্ম ধরে বাংলাদেশিদের খাবারের মূল উপাদান বলতেই ছিল একগাদা সাদা ভাত; সাথে সামান্য ডাল বা এক টুকরো মাছ। পেট ভরার অর্থ ছিল ভাত খেয়েই তৃপ্ত হওয়া। এখন আর তা নেই।
বাংলাদেশের মানুষের খাবারের টেবিলে একটি নীরব বিপ্লব ঘটছে। গত দুই দশকে বাংলাদেশিরা তাদের দৈনিক ভাত খাওয়ার পরিমাণ বিস্ময়করভাবে ২৫.২ শতাংশ কমিয়েছে।
সাদা ভাতের বিপরীতে জায়গা করে নিচ্ছে আরও অনেক বেশি রঙিন, পুষ্টিগুণে ভরপুর খাবার।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০০৫ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে পরিচালিত গৃহস্থালি আয়-ব্যয় সমীক্ষার চারটি রাউন্ডের জাতীয় গড় দৈনিক খাদ্য গ্রহণের তথ্যে এই পরিবর্তনের বিষয়টি ওঠে এসেছে।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— Let's repair the nation together; অর্থাৎ 'আসুন, সবাই মিলে জাতিকে গড়ে তুলি'। গতকাল বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই আহ্বান জানান।
সরকারপ্রধান বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মতপার্থক্য ও রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা স্বাভাবিক বিষয়, তবে তা যেন কোনোভাবেই শত্রুতায় রূপ না নেয়।
গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর মধ্যে ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে তিনি সতর্ক করেন, বিভেদ ও সংঘাতে পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তি পুনরুজ্জীবিত হতে সুযোগ পাবে।
আমাদেরকে অবশ্যই ঐক্যবদ্ধভাবে রাষ্ট্র মেরামতের কাজ চালিয়ে যেতে হবে— যোগ করেন তিনি।
৩০ মিনিটের বক্তৃতায় তারেক রহমান বিরোধী দলের ভূমিকা, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট, খেলাপি ঋণ এবং বাক-স্বাধীনতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন।
বিরোধী দলকে উদ্দেশ করে তারেক রহমান বলেন, সরকার যখন সহযোগিতা প্রত্যাশা করছিল, তখন বিরোধী দল গাড়ির বিশাল বহর নিয়ে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করে। গাড়ি নিয়ে লংমার্চ করলেই যদি গ্যাস বা বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান হতো, তবে আমরাই সবার আগে তা করতাম।
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবেলায় ইতোমধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়ে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বক্তৃতায় উল্লেখ করেন, গত এক দশকেরও বেশি সময়ে অভ্যন্তরীণ গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি বা বঙ্গোপসাগরে গ্যাস অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।









