পত্রিকা: 'মৌখিকে নম্বর বাড়ছে, লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর কমছে'

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

সরকারি চাকরির মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়াতে যাচ্ছে সরকার। গড়ে বছরে প্রায় ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস সিস্টেম লস হচ্ছে তিতাসের। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আইনজীবী মাহবুবউদ্দিন খোকনের বচসা। ঢাকা থেকে প্রকাশিত আজকের সংবাদপত্রে এসব খবর গুরুত্ব পেয়েছে।

খবরে বলা হচ্ছে, সরকারি চাকরির নিয়োগবিধিতে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) নম্বর বাড়ানো হচ্ছে।

পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষার পাস নম্বর কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত বিধিমালা এরই মধ্যে অনুমোদন করেছে প্রশাসনিক উন্নয়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটি।

এখন সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ৪০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। আর লিখিত পরীক্ষার পাস নম্বর ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমবে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সব চাকরিতে এক মানবণ্টনে পরীক্ষা হবে। এর মাধ্যমে নিয়োগ পরীক্ষায় 'প্রক্সি' ঠেকানো যাবে।

তবে বিরোধী দলের অভিযোগ, সরকারের পছন্দের প্রার্থীদের সুবিধা দিতে এমন পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এতে নিয়োগ দুর্নীতির পথ খুলবে।

প্রস্তাবিত পদ্ধতির প্রতিবাদে গতকাল মঙ্গলবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভজানিয়েছেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। বিষয়টি গতকাল সংসদেও উঠেছে।

তবে স্পিকার পয়েন্ট অব অর্ডার গ্রহণ করেননি। আলোচনা চেয়ে নোটিশ দিয়েছেন এনসিপির সংসদ সদস্য আখতার হোসেন।

খবরে বলা হচ্ছে, দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাস বিতরণ কোম্পানি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি। কোম্পানিটির বিতরণ নেটওয়ার্কে প্রতি বছর হিসাবের বাইরে থেকে যাচ্ছে বিপুল পরিমাণ গ্যাস, যা সিস্টেম লস হিসেবে বিবেচিত হয়।

গত পাঁচ অর্থবছরে কোম্পানিটির মোট সিস্টেম লস হয়েছে ৪০৯ কোটি ঘনমিটার। বাংলাদেশে আমদানি করা একেকটি এলএনজি কার্গোতে সাধারণত ৩৩ লাখ ৬০ হাজার এমএমবিটিইউ গ্যাস থাকে।

সে হিসাবে তিতাসের পাঁচ বছরের সিস্টেম লস ৪৫ থেকে ৪৮ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ। অর্থাৎ গড়ে বছরে প্রায় ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস বিতরণ ব্যবস্থায় হিসাবের বাইরে থেকে যাচ্ছে।

বর্তমানে এক কার্গো এলএনজির দাম পড়ছে ১ হাজার ১৫৬ কোটি টাকা। সে হিসেবে ১০ কার্গো এলএনজির দাম দাঁড়ায় সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকায়।

'কী ঘটেছিল আপিল বিভাগে' মানবজমিনের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, আদালতের কার্যক্রম শুরুর পর পরই একটি মামলায় আদেশ দেন আপিল বিভাগ। তথ্য গোপন ও প্রতারণার অভিযোগে আপিলকারী ও আইনজীবীকে ৫ লাখ টাকা করে জরিমানা (খরচা আরোপ) করা হয়। এরপর স্বাভাবিকভাবেই চলছিল অন্য মামলার কার্যক্রম। দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুব উদ্দিন খোকনের একটি মৌখিক আবেদন ঘিরে তৈরি হয় বিতণ্ডা।

খোকন সকালে আইনজীবীকে করা জরিমানা মওকুফ করার আর্জি জানান আপিল বিভাগের কাছে। তার এই মৌখিক আবেদন শুনে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী জানিয়ে দেন আদালত যে আদেশ দিয়েছে তা পরিবর্তন হবে না।

তখন মাহবুব উদ্দিন খোকন প্রধান বিচারপতিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি দায়িত্ব নেয়ার পর আইনজীবীদের ইনকাম কমে গেছে। বার সভাপতির এই বক্তব্যের পর প্রধান বিচারপতি খোকনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি যা বলেছেন তা আদালত অবমাননার শামিল।

আপনি যেহেতু এত বড় কথা বলেছেন, আজকে আমি আর আদালতের কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবো না। এরপর প্রধান বিচারপতি ও অন্য চার বিচারপতি এজলাস ছেড়ে চলে যান। বন্ধ হয়ে যায় আপিল বিভাগের কার্যক্রম।

আপিল বিভাগে এ ধরনের ঘটনা এর আগে ঘটেছে এমনটি স্মরণ করতে পারেননি সিনিয়র অনেক আইনজীবী।

খবরে বলা হচ্ছে, কখনো নাম পরিচয় বদলিয়ে, কখনো ঠিকানা কিংবা পদ-পরিচয় গোপন করে একের পর এক অপরাধ করে চলছে অপরাধীরা।

এক জায়গায় ধরা পড়লেও আগের অপরাধ শনাক্তকরণে দুর্বলতা কিংবা সমন্বয়হীনতার কারণে অপরাধের মাত্রা যাচাই করা যাচ্ছে না।

আবার সরকারি চাকরিতে যত সহজে অপরাধী চিহ্নিত করা যায়, বেসরকারিতে তা করার কোনো উদ্যোগ নেই। গৃহকর্মী, দারোয়ান থেকে কর্মকর্তা কিংবা করপোরেট নির্বাহী—কারো ক্ষেত্রেই পূর্ণাঙ্গ একক ডেটা বেইস বা তথ্যভাণ্ডার নেই।

এক জায়গায় তথ্য যাচাইয়ে মিলছে না সার্বিক তথ্য। ফলে অপরাধী একেক জায়গায় একেক অপরাধ করেও থাকছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

সর্বশেষ আলোচনায় আসে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে মুখে ও দুই হাতে স্কচ টেপ পেঁচানো ইসমাঈল হোসেনের লাশ বাস থেকে ফেলে যাওয়ায় জড়িত বাসচালক এবং এক সহযোগী আটকের ঘটনাটি।

ওই বাসের সুপারভাইজার সাজুর বিরুদ্ধে দুটি ডাকাতির মামলা এবং চালক সোহেলের বিরুদ্ধে দুটি ডাকাতি ও দুটি মাদকের মামলা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও আছে। এর পরও কিভাবে সাজু বাসের স্টিয়ারিংয়ে বসল—এই প্রশ্ন সামনে এসেছে।

'ক্যাম্পাস ছাড়াই ২৫ বিশ্ববিদ্যালয়, ভাড়া স্থাপনায় যেনতেন পাঠদান' প্রথম আলোর শিরোনাম

খবরে বলা হচ্ছে, উঁচু-নিচু সরু সড়ক। যানবাহন চলাচলেরও অবস্থা নেই। স্থানীয় লোকজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা জিজ্ঞাসা করলে তাঁরা আরও সামনে যেতে বললেন। কিছুক্ষণ হাঁটার পর একজন একটি ভবন দেখিয়ে বললেন, 'এটাই বিশ্ববিদ্যালয়'।

তিনতলা নির্মাণাধীন ভবনটি বাইরে থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই যে এটি একটি বিশ্ববিদ্যালয়। আশপাশের সাধারণ বসতবাড়ির মতো দেখতে ভবনটিতে চলে প্রযুক্তিনির্ভর তিন বিভাগের একাডেমিক কার্যক্রম-সাইবার সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ারিং, ডেটা সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং।

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ভাড়া করা এই অস্থায়ী ক্যাম্পাসে চলছে ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজির (ইউএফটিবি) শিক্ষা কার্যক্রম।

সেখান থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে দূরে আরেকটি ভাড়া ভবনেও চলে শিক্ষা কার্যক্রম; আর মাঝামাঝি আরেকটি ভাড়া ভবনে চলে প্রশাসনিক কাজ। ছোটখাটো তিনটি ভবনে সাধারণ মানের একটি বিদ্যালয়ের সমপরিমাণ বা তারও কম অবকাঠামোয় চলছে প্রযুক্তি খাতের বিশেষায়িত এই বিশ্ববিদ্যালয়।

শুধু এই বিশ্ববিদ্যালয় নয়, সব মিলিয়ে দেশে ২৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একই দশা-নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস নেই। এর মধ্যে পাঁচটিতে এখনো শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়নি।

'Millers hail withdrawal of zero duty on yarn' দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, স্থানীয় টেক্সটাইল মিল মালিকদের সুরক্ষা দিতে ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতি সুতা আমদানির ক্ষেত্রে বন্ড-সুবিধায় শূন্য-শুল্ক ব্যবস্থা প্রত্যাহার করেছে সরকার।

টেক্সটাইল খাত এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকেরা এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, এটি দেশের পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ৭ই সেপ্টেম্বর একটি গেজেট প্রকাশ করেছে। এতে তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারকদের পূর্বের শূন্য-শুল্ক সুবিধার পরিবর্তে ব্যাংক গ্যারান্টি সাপেক্ষে নির্দিষ্ট কাউন্টের সুতি সুতা আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

শিল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশের বার্ষিক সুতা ব্যবহারের প্রায় ৮০ শতাংশই ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের।

এই চাহিদা মূলত নিটওয়্যার বা নিট পোশাকের কাপড় উৎপাদনের ক্ষেত্রেই কেন্দ্রীভূত। আর রপ্তানিমুখী নিটওয়্যার খাতের প্রয়োজনীয় সুতার ৯০ শতাংশেরও বেশি বর্তমানে স্থানীয় স্পিনাররা সরবরাহ করতে সক্ষম।

টেক্সটাইল মিল মালিকেরা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছেন, সস্তায় আমদানি করা সুতা এবং প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে অবৈধ পথে আসা সুতা ২৫ বিলিয়ন ডলারের এই টেক্সটাইল খাতের ক্ষতি করছে।

'Murders, rapes, mob attacks keep recurring' নিউ এইজের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, দেশজুড়ে খুন, ছিনতাই, ধর্ষণ এবং গণপিটুনির মতো ঘটনা দিনের আলোয় ঘটছে। এর ফলে নাগরিকদের মনে এই ধারণা তৈরি হয়েছে যে, তাদের নিরাপত্তা দেখার বা সুরক্ষার নিশ্চয়তা দেওয়ার মতো কেউ নেই।

আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে, সরকারের এমন দাবি সত্ত্বেও, সহিংস ও নৃশংস ঘটনা আগের মতোই ঘটছে।

মাত্র গত দুই সপ্তাহের মধ্যেই দেশের সংবাদপত্রের শিরোনামজুড়ে ছিল রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্যের হত্যাকাণ্ড। রাজধানীতে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে রিকশা থেকে নিচে পড়ে গিয়ে বগুড়ার এক স্কুলশিক্ষকের মৃত্যু এবং সাভারে পিটিয়ে এক পুলিশ উপ-পরিদর্শককে হত্যার ঘটনা।

রবিবার সন্ধ্যা থেকে সোমবার ভোরের মধ্যে মাত্র ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে ঢাকার সবুজবাগ, যাত্রাবাড়ী ও শাহ আলী এলাকায় তিনজন নিহত হয়েছেন।

শনিবার রাতে স্পেশাল ব্রাঞ্চের পুলিশ কর্মকর্তা আলতাব হোসেন এক বয়স্ক রিকশাচালককে মারধরের হাত থেকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে বেশ কিছু লোক তাঁর ওপর চড়াও হয়। মারধরে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এ সময় তাঁদের পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালালে তাঁর ছেলে আরিফুল আহত হন।

‌'বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে অরাজকতা' নয়াদিগন্তের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, বিশেষ দায়মুক্তি আইনের মাধ্যমে একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অনুমোদন দিয়েছিল বিগত আওয়ামী লীগ সরকার। তবে এসব কেন্দ্র চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রাথমিক জ্বালানির কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা করা হয়নি।

বিদ্যমান জ্বালানি সম্পদের ওপর ভর করে বাড়তি বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা তৈরি করা হলেও, নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত না হওয়ায় ক্রমেই কমতে থাকে গ্যাসের সরবরাহ। বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬০ কোটি ঘনফুট।

এই বিশাল ঘাটতি মেটাতে গিয়ে আপদকালীন সমাধান হিসেবে আমদানি করা তরলিকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসই (এলএনজি) এখন স্থায়ী নির্ভরতায় পরিণত হয়েছে।

ফলে এলএনজি ক্রয়ে প্রতি বছর ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৪০০ কোটি ডলার, যা স্থানীয় মুদ্রায় প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। পাশাপাশি অসম ও বিতর্কিত চুক্তির কারণে বিদ্যুৎ না নিয়েও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে দিতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের 'ক্যাপাসিটি চার্জ'।

এ দিকে গ্যাস ও বিদ্যুৎসঙ্কটে তীব্র ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। প্রয়োজনীয় গ্যাসের অভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে শিল্পকারখানার চাকা, আর অন্য দিকে হু-হু করে বাড়ছে ব্যবসা পরিচালন ব্যয়।

'ষড়যন্ত্র সিন্ডিকেটে সার সংকট' যুগান্তরের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, পর্যাপ্ত সার মজুত থাকা সত্ত্বেও কিছু অসৎ ডিলারসহ মহল বিশেষ সরকারকে বিব্রত করতে কৃত্রিমভাবে সার সংকট সৃষ্টি করছে।

এ কারণে কিছুদিন থেকে সার নিয়ে দেশের কয়েকটি জেলায় ডিলারের গোডাউন ভেঙে ক্ষুব্ধ কৃষকদের সারের বস্তা লুট করে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অথচ যুগান্তরের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সরকারের হাতে চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত সার মজুত আছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক হিসাবে দেখা যায়, ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব ধরনের সারের চাহিদা ৩৫ লাখ ২০ হাজার টন। বিপরীতে সরকারের সংগ্রহে রয়েছে ৫১ লাখ ৮৩ লাখ টন সার। অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকারের সংগ্রহে উদ্বৃত্ত রয়েছে প্রায় ১৬ লাখ ৬৩ হাজার টন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির পেছনে এক শ্রেণির ডিলার, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীও জড়িত। এজন্য ইতোমধ্যে ১৫ জেলার কৃষি কর্মকর্তাকে শোকজ করা হয়েছে।

এছাড়া চারজন জেলা কৃষি কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার এবং আরও চারজনকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সার ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব আহমেদ ফয়সল ইমাম এবং যুগ্ম সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলমকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।