পত্রিকা: 'ডিএমপির অপরাধী চক্রের তালিকায় প্রতি ছয়জনে একজন ১৮ বছরের কম বয়সী'

Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম– One in six on DMP criminal gang list under 18; ডিএমপির অপরাধী চক্রের তালিকায় প্রতি ছয়জনে একজন ১৮ বছরের কম বয়সী।

খবরে বলা হয়েছে, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অপরাধী চক্রের তালিকায় থাকা অর্ধেকেরও বেশি সদস্যের বয়স ২০ বছর বা তারও কম। এর মধ্যে প্রতি ছয়জনের একজনের বয়স ১৮ বছরের নিচে।

পুলিশের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে দৈনিকটির বিশ্লেষণে এই চিত্র উঠে এসেছে।

ডিএমপির এই তালিকায় রাজধানীতে সক্রিয় ১২২টি চক্রের সাথে জড়িত ৮৯৩ জনের বয়সের তথ্য রয়েছে। তার মধ্যে ১৫২ জন বা ১৭ শতাংশের বয়স ১৮ বছরের নিচে এবং ৩২২ জন বা ৩৬ শতাংশের বয়স ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে।

অর্থাৎ, তালিকায় থাকা মোট ব্যক্তির মধ্যে ৪৭৪ জন বা ৫৩ শতাংশের বয়স ২০ বছর বা তার কম।

অন্যদিকে, ৩০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তির সংখ্যা মাত্র ৪৪ জন বা প্রায় ৫ শতাংশ।

তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, এসব চক্র চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি, ইভটিজিং, মাদক ব্যবসা এবং অর্থের বিনিময়ে হত্যাকাণ্ডের মতো অপরাধে জড়িত।

এসব অপরাধী চক্র রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা এবং কুখ্যাত অপরাধীদের সহায়তা পেয়ে থাকে।

পুলিশ জানিয়েছে, তারা দেশজুড়ে 'গ্যাং কালচার' বা গ্যাংগুলোর বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে এবং দেশের বিভিন্ন ইউনিটে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।

থানার দরজা ভেঙে পালালো ১৭ কিশোর— মানবজমিনের প্রধান সংবাদ এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, ১৩ বছরের কিশোর ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে হত্যার ঘটনার পর গত বুধবার রাতে কুমিল্লার ১৮টি থানায় কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযান চালায় পুলিশ।

এ সময় ৬২৪ জন কিশোরকে আটক করা হয়। তবে যাচাইবাছাই শেষে পুলিশ ১৭৩ জনকে আদালতে সোপর্দ করে।

কিন্তু এর আগে দাউদকান্দি মডেল থানার একটি কক্ষের দরজা ভেঙে ১৭ কিশোর পালিয়ে যায়। এ সময় ওই কক্ষে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

যদিও কিশোরদের পালিয়ে যাওয়া ও থানায় ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। এরই মধ্যে ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

তাদের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা কিশোর গ্যাং-এর উত্থানের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। তোলপাড় শুরু হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

কুমিল্লায় কিশোরদের অপরাধের প্রবণতা নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান খবর— দেয়ালে কিশোর গ্যাংয়ের নাম, অভিযানেও থামছে না অপরাধ।

এতে বলা হয়েছে, কুমিল্লার কান্দিরপাড়ের টাউন হল এলাকায় দেয়ালের বিভিন্ন স্থানে লেখা 'সিবিকে', 'ডিবিএক্স', কেজিএস'।

এই তিনটি নামই কুমিল্লার কিশোর গ্যাংয়ের বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।

দেয়ালে নাম লিখে মূলত নিজেদের পরিচয় জানানোর চেষ্টা। দেয়ালের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দল গড়া ও শক্তি প্রদর্শনের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

দৈনিকটির অনুসন্ধানে কুমিল্লা শহরে অন্তত ২০টি গ্যাং সক্রিয় থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

চলতি বছরের প্রায় ৯ মাসে অন্তত ২৫টি আলোচিত অপরাধের ঘটনায় এসব দলের সদস্যদের নাম এসেছে।

তবে এ ধরনের অপরাধী চক্রের তৎপরতা চলছে এক দশকের বেশি সময় ধরে। যদিও বর্তমানে কতগুলো অপরাধী চক্র সক্রিয়, তার কোনো হালনাগাদ তালিকা নেই জেলা পুলিশের কাছে।

২০১৭ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত অন্তত ১২টি হত্যাকাণ্ডে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের নাম পাওয়া গেছে।

'কিশোর গ্যাং' বলা হলেও সবাই কিশোর নয়; দলনেতাসহ সদস্যদের অনেকের বয়স ১৮ বছরের বেশি।

সম্প্রতি স্কুলছাত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার পর কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

এর মধ্যে গত বুধবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কুমিল্লার ১৮টি থানায় একযোগে অভিযান চালায় পুলিশ।

এদিকে, পুলিশের দাবি, মুক্তি পেয়ে কিশোর গ্যাংয়ের অনেক সদস্য আবার অপরাধে জড়াচ্ছে। আর পিপি বলছেন, মামলা দায়েরে সতর্কতা প্রয়োজন।

এই খবরে বলা হয়েছে, ছোট শিশুদের খাওয়ানো বা শান্ত রাখতে স্মার্টফোনে কার্টুন কিংবা আকর্ষণীয় কোনো কনটেন্ট দেখাচ্ছেন অনেক বাবা-মা। এভাবে একেবারে অল্প বয়স থেকেই শিশুরা স্মার্টফোনে আসক্ত হয়ে পড়ছে।

এ আসক্তি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত করছে। বেশিরভাগ শিশু-কিশোর মোবাইল ব্যবহার করছে তাদের অভিভাবকের নজরদারির বাইরে।

শৈশব পেরোনোর আগেই স্মার্টফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সূত্রে অনেকে জড়িয়ে পড়ছে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে। সম্প্রতি দেশের 'কিশোর গ্যাং' সংস্কৃতির যে বিস্তার তাতে বড় প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে স্মার্টফোনে টিকটকের ব্যবহার।

'সুপারভাইজড অ্যান্ড আনসুপারভাইজড স্ক্রিন টাইম অ্যান্ড ইটস অ্যাসোসিয়েশন উইথ ফিজিক্যাল, মেন্টাল অ্যান্ড সোশ্যাল হেলথ অব স্কুল-গোয়িং চিলড্রেন ইন ঢাকা, বাংলাদেশ: ক্রস-সেকশনাল স্টাডি' শীর্ষক এক গবেষণায় উঠে এসেছে দৈনিক প্রায় সাড়ে ৪ ঘণ্টা স্মার্টফোন ব্যবহার করা ২৮ দশমিক ৩ শতাংশ শিশুর আচরণগত সমস্যা এবং ৩১ শতাংশ শিশুর অন্তত একটি মানসিক সমস্যা রয়েছে।

আরেক গবেষণায় উঠে এসেছে, মাত্র ১৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পড়াশোনার কাজে স্মার্টফোন ব্যবহার করেন। বাকি শিক্ষার্থীরা বিনোদন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য স্মার্টফোন ব্যবহার করেন।

এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে স্মার্টফোন ব্যবহার শুরুর পর ৬৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ তাদের মনোযোগ কমে যাওয়া এবং ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ শিক্ষার্থী খারাপ ফলের কথা জানিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ আবাসন সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

দেশের ৬১ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এখন ৫৮টিতে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। এই ৫৮ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় দুজন বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে থাকতে পারছেন না।

তথ্য অনুযায়ী, মোট শিক্ষার্থীর ৭৯ দশমিক ৮১ শতাংশেরই আবাসিক সুবিধা নেই। তাদের থাকতে হচ্ছে মেস, ভাড়া বাসা, সাবলেট কিংবা ক্যাম্পাস-সংলগ্ন বাসাবাড়িতে।

এতে উচ্চশিক্ষার ব্যয়ের সঙ্গে যোগ হচ্ছে বাড়তি খরচ। দূরদূরান্ত থেকে আসা শিক্ষার্থীদের পরিবারের ওপর পড়ছে অতিরিক্ত আর্থিক চাপ।

আর দীর্ঘ যাতায়াত ও অনুপযুক্ত আবাসন পরিবেশের কারণে পড়াশোনাও ব্যাহত হচ্ছে।

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— বাজার মানে বাড়তির চাপ।

এই খবরে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির চাপ যে বাজারে পড়বে, তা আগে থেকেই আশঙ্কা করা হচ্ছিল। এর মধ্যেই হঠাৎ করে জ্বালানি তেলের 'বড় অঙ্কের' মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা এলো।

এতে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে চারদিক দিয়ে। বড় নড়াচড়া শুরু হয়েছে নিত্যপণ্যের বাজারে। বাড়তি পরিবহন খরচের কথা বলে অনেক পণ্যের দামই এর মধ্যে বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

যেসব পণ্যের দাম এখনো বাড়েনি, সেগুলোও দ্রুত সময়ের মধ্যে বেড়ে যেতে পারে বলে আগাম জানিয়ে রাখছেন তারা। বাজার মানেই তাই গেরস্তের কাছে এখন বাড়তির চাপ।

রাজধানীর কয়েকটি পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে গতকাল বৃহস্পতিবার সবজি, মাছ, মাংস, দুধ, ফল, আটা-ময়দা, চাল, তেল, ডিমের মূল্যবৃদ্ধির চিত্র পাওয়া গেছে।

কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রত্যাশা ইসির।

এই খবরে বলা হয়েছে, আগামী নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণের প্রাথমিক পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, 'সাধারণত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বার্ষিক পরীক্ষা নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যেই হয়। সেই বিবেচনা করেই আমরা শিডিউল নির্ধারণ করছি। আমরা আশা রাখি, এই পরীক্ষাগুলো ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হয়ে গেলে জানুয়ারির দিকে ইনশাআল্লাহ নির্বাচন শুরু করতে পারব।'

এর আগে গত বুধবার স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, তার মনে হচ্ছে, নির্বাচন আগামী বছর শুরু হতে পারে।

এ মাসের শেষ দিকে অথবা অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যায়ে আবার বৈঠক হতে পারে। সেখানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা থাকবেন এবং ইসি নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করবে।

দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম— রক্ষকই যেখানে ভক্ষক।

এই খবরে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশ্যে আসা দেশের স্কুল-মাদ্রাসায় নির্যাতন ও যৌন হয়রানির ঘটনা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের এক গবেষণায় দেখা যায়, ২০২০-২৫ সালে শিক্ষকদের হাতে শিক্ষার্থী নির্যাতনের ৯৪৮টি ঘটনা পাওয়া যায়। এর মধ্যে ২১১টিই ছিল যৌন হয়রানির ঘটনা।

চাইল্ড রাইটস অ্যাডভোকেসির অন্য এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ১৮ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের ২০২০-২৩ সাল পর্যন্ত সময়ে শিক্ষকদের হাতে ৫৪২টি, এর মধ্যে কেবল নারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটেছে ৬৮টি।

ভয়, লজ্জা, সামাজিক অপমান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকের প্রভাব, পরিবারের ভেতরের সম্পর্ক, অর্থনৈতিক নির্ভরতা কিংবা অপরাধীর প্রভাব সবকিছু মিলিয়ে অনেক শিশু ও শিক্ষার্থী মুখ খুলতে পারে না।

কেউ কেউ জানেই না কোথায় গিয়ে সাহায্য চাইতে হবে। ফলে নির্যাতনের পরও তাদের একই পরিবেশে থাকতে হয়। অপরাধীও থেকে যায় তার আশপাশেই।

গত মে মাসে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় শিশুদের প্রতি যৌন সহিংসতার ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে সব মাদ্রাসায় যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটি গঠনের দাবি জানায়।

বাংলাদেশে শিশুদের ওপর যৌন সহিংসতা বৃদ্ধিতে গত বছর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল ইউনিসেফও।

সংস্থাটি বিশেষভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো শিশুদের সুরক্ষা ও বিকাশের জন্য নির্ধারিত স্থানেও যৌন সহিংসতার ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিল।

ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান খবর— 95 private universities miss UGC standards; অর্থাৎ ইউজিসির শর্ত পূরণে ব্যর্থ ৯৫টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের ১১৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র ৫৪টির স্থায়ী ক্যাম্পাস আছে। আবার এদের মধ্যে মাত্র ২২টি বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক কার্যক্রম চালানোর সব শর্ত পূরণ করে গত বছর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সনদ পেয়েছে।

অর্থাৎ, দেশের ৯৫টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছেই ইউজিসির সনদ নেই।

এর মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাস না থাকা ৬৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৫টিতে এখনো ক্লাসই শুরু হয়নি। আর নানা অনিয়মের কারণে অন্য ৫টির কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০ অনুযায়ী, অনুমোদনের সাত বছরের মধ্যে নিজস্ব ক্যাম্পাসে যেতে হয়। ব্যর্থ হলে সর্বোচ্চ আরও পাঁচ বছর সময় বাড়ানো যায়।

বাড়তি সময় পার হওয়ার পরও শর্ত না মানলে ইউজিসি শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধসহ নানা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে। তবে বাস্তবে এমন কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার নজির মেলা ভার।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইউজিসির সাবেক এক সদস্য বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকদের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দাপট রয়েছে। এ কারণেই ইউজিসি তাদের বিরুদ্ধে কোনো শক্ত পদক্ষেপ নিতে পারে না।'

তিনি জানান, গত বছর ৮০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা খামখেয়ালি ও দুর্বলতা চিহ্নিত করে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছিল ইউজিসি, যেখানে কিছু পরিবর্তনের পরামর্শ দেওয়া হয়।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের দ্বিতীয় প্রধান খবর— PM discusses Middle East tensions, safety of Bangladeshi workers with Iran president; মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, বাংলাদেশি কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলোচনা।

খবরটিতে বলা হয়েছে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

ইরানি প্রেসিডেন্টের নিউইয়র্ক সফরের প্রথম দিনে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং সেখানে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়ে আলোচনা হয় উভয় পক্ষের মধ্যে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজ ও কনটেইনার চলাচলে ইরানের সহযোগিতা চেয়েছেন বাংলাদেশের সরকারপ্রধান।

পরবর্তীতে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদি আমিন বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

এ সময় হুমায়ুন কবির জানান, প্রধানমন্ত্রী কূটনীতির মাধ্যমে এই সংঘাতের দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বিশেষ করে সংঘাতের প্রভাবে প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মী ও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর যে প্রভাব পড়ছে তা তুলে ধরেছেন।