পত্রিকা: 'বিএনপি- জামায়াত টক্কর এবার পশুর হাঁটে'

পত্রিকা
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

দেশ রূপান্তর পত্রিকার খবর- বিএনপি জামায়াত টক্কর এবার পশুর হাঁটে

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর কোরবানির পশুর অস্থায়ী হাটের ইজারা নিয়ে এবার ক্ষমতাসীন বিএনপির স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নেমেছেন সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর নেতারাও। এ কারণে হাট ইজারার ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কোনো কোনো হাট নিয়ে দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনামূলক পরিস্থিতিও বিরাজ করছে। দক্ষিণ নগর ভবনে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকার হাটগুলোতে প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে জামায়াতের পাশাপাশি এনসিপির নেতাদেরও সক্রিয় দেখা যাচ্ছে। তবে ঢাকা উত্তর সিটিতে (ডিএনসিসি) বিএনপির একচেটিয়া আধিপত্য লক্ষ করা গেছে।

দীর্ঘদিন পর রাজধানীর পশুর হাট নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রতিযোগিতা। বিগত প্রায় দুই দশক কোরবানির পশুর হাটগুলো ইজারার ক্ষেত্রে সিন্ডিকেটের কারণে প্রতিযোগিতা ছাড়া তুলনামূলক কম মূল্যে হাটগুলো ইজারা হতো।

দেশ রূপান্তর
বণিক বার্তা

বণিক বার্তা পত্রিকার প্রথম পাতার খবর- মাদরাসায় প্রশিক্ষিত শিক্ষকের হার ১০ শতাংশেরও কম

দেশে মাদরাসা শিক্ষায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়লেও প্রশিক্ষিত শিক্ষকের হার উদ্বেগজনকভাবে কমে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে মাত্র ৯ দশমিক ১৯ শতাংশ শিক্ষক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, অর্থাৎ ৯০ শতাংশের বেশি শিক্ষকই কোনো প্রশিক্ষণ পাননি। গত ১৩ বছরের মধ্যে এটিই সর্বনিম্ন হার।

এই পরিস্থিতির প্রধান কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অভাব। নতুন অনেক শিক্ষক যোগ দিলেও তাদের প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি হয়নি। একই সময়ে অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত অনেক শিক্ষক অবসরে চলে যাওয়ায় সামগ্রিকভাবে প্রশিক্ষিত শিক্ষকের সংখ্যা কমে গেছে।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০১২ সালে প্রশিক্ষিত শিক্ষকের হার ছিল ২১ দশমিক ৫৯ শতাংশ, যা ২০২৩ সালে বেড়ে ২৭ দশমিক ৬৯ শতাংশে পৌঁছায়। কিন্তু মাত্র এক বছরের ব্যবধানে ২০২৪ সালে তা নেমে আসে ৯ দশমিক ১৯ শতাংশে। নারী শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা গেছে, যেখানে এক বছরে হার ৩০ শতাংশের বেশি থেকে নেমে প্রায় ৮ শতাংশে এসেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান না থাকায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষককে দক্ষ করে তোলা সম্ভব হচ্ছে না। সরকারি উদ্যোগ থাকলেও তা যথেষ্ট নয়, যার প্রভাব পড়ছে শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার মানে এবং শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

দ্য ডেইলি স্টার
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর- Journalists held without trial for up to 620 days, অর্থাৎ বিচার ছাড়াই ৬২০ দিন পর্যন্ত আটক সাংবাদিকরা

জুলাই আন্দোলনের সময় নিহতদের ঘটনা বাস্তব হলেও, ওই ঘটনায় যেসব সাংবাদিককে আসামি করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ফারজানা রূপা, শাকিল আহমেদ, শ্যামল দত্ত ও মোজাম্মেল হক বাবুসহ কয়েকজন সাংবাদিককে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মিরপুরে নিহত বিএনপি কর্মী মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, সেদিন বিকেলে বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং গুলিতে শ্রাবণ নিহত হন। তবে ঘটনার নয় মাস পর করা এই মামলায় ৪০৮ জনকে আসামি করা হয়েছে, যার মধ্যে ২৫ জন সাংবাদিক। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হিসেবে শুধু বলা হয়েছে তারা ভুল তথ্য প্রচার ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন, কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ বা ঘটনার উল্লেখ নেই।

এ মামলার সাক্ষী হিসেবে যাদের নাম দেওয়া হয়েছে, তাদের কয়েকজন জানিয়েছেন তারা এ বিষয়ে কিছুই জানেন না এবং ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীও নন। এতে পুরো মামলার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

আজকের পত্রিকা

দেশের বিভিন্ন সড়ক ও সেতুতে আধুনিক ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন ব্যবস্থা চালু হলেও ভিন্ন ভিন্ন সংস্থা ও সফটওয়্যার ব্যবহারের কারণে এর সুবিধা পুরোপুরি পাওয়া যাচ্ছে না। একটি স্থাপনায় নিবন্ধন করা থাকলেও অন্য সেতু বা সড়কে তা কাজ করছে না, ফলে ব্যবহারকারীদের বাড়তি ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে এবং আগ্রহও কমে যাচ্ছে।

সেতু বিভাগ, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আলাদা আলাদা পদ্ধতিতে এই সেবা পরিচালনা করছে। সেতু বিভাগের বিভিন্ন সেতুতে আবার একাধিক অপারেটর ও সফটওয়্যার থাকায় একই বিভাগের মধ্যেও একক সুবিধা নেই। অন্যদিকে সওজের ক্ষেত্রে একবার নিবন্ধন করলে তাদের আওতাধীন সব সেতু ও সড়কে ব্যবহার করা গেলেও তা অন্য সংস্থার ক্ষেত্রে কার্যকর নয়।

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের মতো স্থাপনাগুলোতেও আলাদা ডিভাইস ও সফটওয়্যার নির্ভর ব্যবস্থা রয়েছে, যা অন্য কোথাও ব্যবহার করা যায় না। ফলে একই গাড়ির জন্য একাধিক প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধন করতে হচ্ছে।

ব্যবহারকারীরা বলছেন, এক জায়গায় নিবন্ধন থাকা সত্ত্বেও অন্যত্র টোল দিতে লাইনে দাঁড়াতে হয়, এতে সময় ও অর্থ দুটোই নষ্ট হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই খাতে সমন্বয় ও একক নীতির অভাব বড় সমস্যা। দ্রুত একটি অভিন্ন ব্যবস্থা চালু না হলে ডিজিটাল টোল ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রথম আলো

ঢাকার অপরাধজগতে আবারও খুন জখম ও গুলির ঘটনা বাড়ছে, যেখানে শীর্ষ সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ২০০০ সালে আদালত প্রাঙ্গণে মুরগি মিলন হত্যার মতো ঘটনাকে মনে করিয়ে দিয়ে সম্প্রতি ২৮ এপ্রিল প্রকাশ্যে গুলি করে খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনকে হত্যা করা হয়। গত ২১ মাসে রাজধানীতে এ ধরনের ২৩টি আলোচিত ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে ৭টি খুন এবং বেশির ভাগই পেশাদার সন্ত্রাসীদের গুলিতে সংঘটিত।

ধানমন্ডি থেকে মিরপুর, গুলশান থেকে মতিঝিল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় এসব অপরাধ ছড়িয়ে পড়েছে। কোথাও পুরোনো সন্ত্রাসী, কোথাও তাদের সহযোগী বা রাজনৈতিক পরিচয়ের গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষ চলছে। ২০২৪ সালের আগস্টের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বলতার সুযোগে অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসী জামিনে বের হয়ে বা বিদেশে থেকে আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির ঘাটতির কারণে এসব সন্ত্রাসীরা আরও শক্তিশালী হচ্ছে। বিদেশে থাকা অপরাধীরা দেশের বেকার ও হতাশ তরুণদের অর্থের লোভ দেখিয়ে ভাড়াটে হিসেবে ব্যবহার করছে, যা সাম্প্রতিক গুলির ঘটনায় স্পষ্ট।

পুলিশ বলছে, বেশির ভাগ শীর্ষ সন্ত্রাসী এখন দেশের বাইরে থেকে অপরাধ পরিচালনা করছে। তাদের চিহ্নিত করে তালিকা করা হচ্ছে এবং শিগগিরই অভিযানের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর

জুলাই গণ অভ্যুত্থান ঘিরে করা সহিংসতার মামলাগুলোতে অনেক ক্ষেত্রে ঢালাওভাবে আসামি করার অভিযোগ উঠেছে। এসব মামলায় আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পরও অনেক আসামি কারামুক্ত হতে পারছেন না। কারণ জামিনের পরই তাদের বিরুদ্ধে অন্য মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হচ্ছে, ফলে কাগজে জামিন পেলেও বাস্তবে মুক্তি মিলছে না।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কারামুক্তির আগে একটি জটিল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়, যেখানে পুলিশি পাঁচ ধাপের ক্লিয়ারেন্স নিতে হয়। আদালতের আদেশ প্রথমে ডিসি প্রসিকিউশন, তারপর বিভাগীয় পুলিশ, গোয়েন্দা বিভাগ, সংশ্লিষ্ট থানা হয়ে আবার কারাগারে ফিরে আসে। এই প্রতিটি ধাপেই অনিয়ম ও ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, অনেক ক্ষেত্রে অসাধু পুলিশ ও দালালচক্র এই প্রক্রিয়াকে ব্যবহার করে অর্থ আদায় করছে। টাকা না দিলে অন্য মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আটকে রাখা হচ্ছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক মামলার আসামিদের ক্ষেত্রে এই প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে।

আইনজীবীরা বলছেন, আদালত জামিন দিলে তা দ্রুত কার্যকর করা প্রশাসনের দায়িত্ব। কিন্তু বাস্তবে নানা জটিলতা ও অনিয়মের কারণে মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ ও ডিজিটাল নজরদারি চালু করা জরুরি, না হলে বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

নয়া দিগন্ত

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে দেশের হাওর অঞ্চলে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পাকা ধান মাঠেই তলিয়ে গেছে, কাটা ধান পানিতে নষ্ট হচ্ছে এবং ঘরে রাখা ধানেও চারা গজাচ্ছে। খড় ভেসে গেছে বা পচে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কৃষকরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এতে শুধু কৃষি নয়, একটি বড় মানবিক সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, কয়েক দিন ধরে বৃষ্টি চলবে এবং বজ্রঝড়ের সম্ভাবনাও রয়েছে। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জের কালনী, মগড়া ও ধনু বৌলাই নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অবস্থা চলতে থাকলে তা দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় রূপ নিতে পারে।

হাওর এলাকার কৃষকেরা জানিয়েছেন, সময়মতো ধান কাটতে না পারায় তাদের বছরের একমাত্র ফসল পানির নিচে চলে গেছে। অনেকেই কাটা ধান শুকাতে না পেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। খড় নষ্ট হয়ে যাওয়ায় গবাদিপশুও খাদ্য সংকটে পড়তে পারে।

কিশোরগঞ্জসহ সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, নেত্রকোনা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। হাজার হাজার হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে এবং আরও অনেক জমি ঝুঁকিতে রয়েছে। নদীর পানি বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিউ এইজ

নিউ এইজ পত্রিকার খবর- Bangladesh-India full-scale visa services may resume gradually: Indian Express অর্থাৎ বাংলাদেশ ভারত পূর্ণাঙ্গ ভিসা সেবা ধীরে ধীরে চালু হতে পারে

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ভিসা সেবা ধীরে ধীরে আবার চালু হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ধাপে ধাপে ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশ ইতিমধ্যে সব ধরনের ভিসা সেবা ভারতীয় নাগরিকদের জন্য চালু করেছে এবং ভারতের কাছ থেকেও একই ধরনের পদক্ষেপ আশা করছে।

গত এপ্রিলে ভারতের সফরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ভিসা স্বাভাবিক করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। বর্তমানে ভারতে বাংলাদেশের সব ভিসা কেন্দ্র আবার চালু রয়েছে, যার মধ্যে দিল্লি হাইকমিশনসহ কলকাতা, আগরতলা, মুম্বাই ও চেন্নাইয়ের কেন্দ্রগুলোও সক্রিয়।

বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ জানান, গত বছরের ডিসেম্বর থেকে কিছু কেন্দ্র বন্ধ থাকলেও ফেব্রুয়ারিতে আবার চালু করা হয়েছে। একই সময়ে ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিবের ঢাকা সফরসহ দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগও জোরদার হয়েছে।

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি হলেও এখন ধীরে ধীরে তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চলছে। ভিসা সেবা স্বাভাবিক হলে দুই দেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও জ্বালানি সংযোগসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে আরও অগ্রগতি করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

২০২৫ সালে ভিসা সেবা কিছুটা ব্যাহত হলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। জরুরি চিকিৎসা ও পারিবারিক প্রয়োজনে বিশেষ ক্ষেত্রে ভিসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

টাইমস অফ বাংলাদেশ

রাজনৈতিক বিবেচনায় বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তাকে বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে রাখা হওয়ায় সরকারি প্রশাসনে বড় ধরনের স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। এসব কর্মকর্তারা সক্রিয় দায়িত্বে থাকলে জনবল সংকট অনেকটাই কমানো যেত, কিন্তু বর্তমানে বিপুল সংখ্যক পদ শূন্য থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।

জনবল সংকট এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে অনেক কর্মকর্তা একসঙ্গে দুই থেকে ছয়টি পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর কাজের গতি মারাত্মকভাবে ধীর হয়ে গেছে এবং সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন বিলম্বিত হচ্ছে।

এই অবস্থার কারণে বিভিন্ন সেবায় দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ ফাইল একাধিক দপ্তর ঘুরতে গিয়ে আটকে থাকছে, ফলে কেন্দ্র থেকে মাঠপর্যায়ে প্রশাসনিক কার্যক্রমেও প্রভাব পড়ছে।

একটি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৫৪টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে ৩৫০ জনের বেশি কর্মকর্তা একাধিক দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। গড়ে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে সাতজন কর্মকর্তা একাই দুই বা তিনটি শাখার কাজ করছেন। সবচেয়ে বেশি চাপ রয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে, এরপর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে একই চিত্র দেখা যাচ্ছে।