আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'গঙ্গা চুক্তিতে নতুন সমীকরণ'
নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম— গঙ্গা চুক্তিতে নতুন সমীকরণ। খবরে বলা হয়েছে, গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ১২ই ডিসেম্বর শেষ হতে যাচ্ছে। চুক্তির শেষ প্রান্তে পৌঁছে ঢাকার স্পষ্ট অবস্থান— নতুন ও অধিকতর কার্যকর একটি চুক্তি সম্পাদন।
বাংলাদেশের প্রাথমিক ও মূল দাবিগুলোর একটি হচ্ছে, নতুন চুক্তিতে একটি সুনির্দিষ্ট আইনি 'গ্যারান্টি ক্লজ' অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, যাতে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশের ন্যায্য অংশের পানি পাওয়ার পূর্ণ নিশ্চয়তা থাকে।
অন্যদিকে, ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গঙ্গার মতো অভিন্ন নদীগুলোর পানি বণ্টন সংক্রান্ত যাবতীয় আলোচনা যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।
চুক্তি সংক্রান্ত কারিগরি পর্যায়ের বৈঠকগুলো বর্তমানে অব্যাহত রয়েছে বলেও সম্প্রতি জানায় নয়াদিল্লি।
সামগ্রিক পরিস্থিতিতে আলোচনার পথ খোলা থাকলেও মূল কূটনৈতিক প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে, নতুন চুক্তিতে বাংলাদেশ কার্যকর ন্যূনতম পানিপ্রবাহের যে নিশ্চয়তা চাইছে, ভারত শেষ পর্যন্ত তা কতখানি গ্রহণ করতে প্রস্তুত?
নয়া চুক্তির জন্য বাংলাদেশ তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। প্রথমত, নদীর রিয়েল-টাইম বা বাস্তব সময়ের পানিপ্রবাহের সঠিক তথ্য; দ্বিতীয়ত, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রবাহের সম্ভাব্য পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পানি সঙ্কটে উভয় দেশ কীভাবে ঘাটতির বোঝা সমতার ভিত্তিতে ভাগ করবে।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার এই আলোচনা দ্বিপক্ষীয় হলেও গঙ্গার পানি বণ্টন ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও আন্তঃরাজ্য কাঠামোর সাথে গভীরভাবে যুক্ত।
বিশেষ করে, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের স্বার্থ দীর্ঘদিন ধরে ভারতের দরকষাকষির একটি প্রধান নিয়ামক। পশ্চিমবঙ্গ সরকার সম্প্রতি কেন্দ্রকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, নতুন কোনো চুক্তি সম্পাদনের আগে রাজ্যের পানীয় জল, শিল্প, হুগলি নদীর নাব্যতা রক্ষা এবং কলকাতা বন্দরের সচলতা সম্পর্কিত পরিবেশগত স্বার্থ কঠোরভাবে নিশ্চিত করতে হবে।
পাশাপাশি, বিহারেও এ চুক্তি নিয়ে আপত্তির সুর জোরালো হয়েছে।
ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— Crackdown on teen gangs to go nationwide; অর্থাৎ কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে দেশজুড়ে।
এ খবরে বলা হয়েছে, ধারাবাহিক সহিংস ঘটনায় জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় কিশোর গ্যাং ও অন্যান্য অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করতে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তারা এসব চক্রের নেপথ্যে থাকা প্রভাবশালী ব্যক্তিদেরও টার্গেট করছে।
ঢাকায় মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে সম্পত্তি বা স্থাপনা লক্ষ্য করে অন্তত চারটি হামলার ঘটনা ঘটা এবং গত মঙ্গলবার পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠকের পর এই কঠোর পদক্ষেপের বিষয়টি সামনে এলো। ওই বৈঠকে কঠোর অভিযানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই চার ঘটনা— রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ভাঙচুর, মোহাম্মদপুরে একটি প্লটে হামলা, আদাবরে একটি ভবনে সশস্ত্র হামলা এবং ইসিবিতে 'নিউ গিনি প্রপার্টিজ' আবাসন প্রকল্পে হামলায় পুলিশ অন্তত দুটি ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে কিশোরদের উপস্থিতি পেয়েছে।
এর আগে, গত ১৮ই সেপ্টেম্বর কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমকে হত্যার ঘটনা কিশোর গ্যাংয়ের বিষয়টিকে জোরালোভাবে সামনে আনে এবং এরপর জেলাজুড়ে ধারাবাহিক অভিযান চালানো হয়।
এদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ গতকাল বলেছেন, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, সশস্ত্র অপরাধী ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে যে বিশেষ অভিযান চলছে তা আরও জোরদার করা হবে।
সমকালের প্রধান শিরোনাম— সার ডিলার নিয়োগের তদবিরে এমপিরাও, নানামুখী অভিযোগ।
এই খবরে বলা হয়েছে, সারাদেশে প্রায় পাঁচ হাজার নতুন সার ডিলার নিয়োগ দেবে সরকার। এজন্য আবেদন পড়েছে ৪৫ হাজার ৯৫টি। অর্থাৎ প্রতি ডিলারশিপের বিপরীতে গড়ে ৯টি আবেদন জমা পড়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় একজন নতুন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে।
তবে সারের ডিলার নিয়োগ নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় তদবির, রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে।
কোথাও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে পছন্দের প্রার্থীর নাম তালিকায় তোলার চেষ্টা, কোথাও ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেনের অভিযোগও সামনে আসছে।
এর মধ্যেই কৃষি মন্ত্রণালয়ে প্রতিদিন ডিলার নিয়োগের তদবিরে আসছেন সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা জনপ্রতিনিধিরা।
কৃষি মন্ত্রণালয় বলছে, আবেদনকারীদের নির্ধারিত যোগ্যতা ও নীতিমালা অনুযায়ী যাচাইবাছাই করা হচ্ছে। রাজনৈতিক সুপারিশের ভিত্তিতে কাউকে নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ নেই বলেও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
তবে মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, যাচাই-বাছাইয়ের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা বিভিন্ন মহল থেকে সুপারিশও পাচ্ছেন। পরিস্থিতির কারণে কেউ কেউ ফোন ধরা বন্ধ করে দিয়েছেন।
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান খবর— Four months on, Tk 20,000cr factory revival scheme disburse just Tk110cr; অর্থাৎ বন্ধ কারখানা খুলতে ২০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে চার মাস পেরুলেও ছাড় হয়েছে মাত্র ১১০ কোটি টাকা।
এ খবরে বলা হয়েছে, বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত পুনরুজ্জীবিত করতে গত ২৩ই মে বাংলাদেশ ব্যাংক ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে।
এর মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ হলো বন্ধ কারখানা চালুর জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল। এই কর্মসূচিতে সাড়া মিলছে বেশ ধীর গতিতে।
আর্থিক সংকটে থাকা এসব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নতুন করে ঝুঁকি নিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো দ্বিধাবোধ করছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এই কর্মসূচি ঘোষণার চার মাসের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট ৮০০ কোটি টাকার ঋণের আবেদন পায়। যার মধ্যে গতকাল বুধবার, ৩০ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাত্র আটটি কোম্পানিকে ১১০ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
এই ধীরগতির পেছনে কাঠামোগত একটি সীমাবদ্ধতার কথা বলা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্বল্প খরচে তহবিল সরবরাহ করলেও ঋণের সম্পূর্ণ ঝুঁকি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকেই বহন করতে হয় এবং ঋণগ্রহীতার সক্ষমতা যাচাইয়ের পুরো দায়িত্বও তাদের ওপরই থাকে।
এই প্রক্রিয়ায় ঋণগ্রহীতারা বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে আবেদন করেন এবং ব্যাংকগুলো অনুমোদিত আবেদনগুলো অর্থায়নের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে জমা দেয়।
এদিকে, বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রায় ২০০টি পোশাক কারখানাকে এই কর্মসূচির জন্য প্রত্যয়নপত্র দিয়েছিল। এর মধ্যে কোনো কারখানাই এখন পর্যন্ত ঋণ পায়নি বলে জানা গেছে।
বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম— পাঁচ বছরে দেশ থেকে ৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ প্রত্যাবাসন করেছে বিদেশী কোম্পানিগুলো।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে দুই শতাধিক বিদেশি কোম্পানি ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। প্রতি বছরই এ কোম্পানিগুলো বিপুল অঙ্কের অর্থ নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ অর্থবছরে (২০২১-২২ থেকে ২০২৫-২৬) বিদেশি কোম্পানিগুলো লভ্যাংশ, মুনাফা ও আয় হিসেবে ৬১৫ কোটি ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা) নিজেদের দেশে নিয়ে গেছে।
অর্থ প্রত্যাবাসনের শীর্ষে টেলিযোগাযোগ, তেল, গ্যাস, খনিজ ও বিদ্যুৎ, তৈরি পোশাক ও বস্ত্র, ব্যাংক, বীমা ও লিজিং এবং অন্যান্য খাতের কোম্পানি রয়েছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে।
বিদেশি কোম্পানিগুলোর বিপুল মুনাফা প্রত্যাবাসনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, 'বাংলাদেশ থেকে বিদেশি কোম্পানিগুলোর বিপুল পরিমাণ মুনাফা প্রত্যাবাসনের অর্থ হলো এ দেশে বিনিয়োগ করলে ভালো মুনাফা করা যায়।'
মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম— মিরপুরে উচ্ছেদ ঘিরে তুলকালাম। এ খবরে বলা হয়েছে, গতকাল বুধবার ঢাকার মিরপুর ১০ নম্বারে ফুটপাথের হকার উচ্ছেদ অভিযানে গিয়ে হকারদের অতর্কিত হামলার শিকার হয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সদস্যরা।
হকাররা লাঠিসোটা নিয়ে তাদের ধাওয়া দেয় ও ইটপাটকেল ছুড়ে। এ সময় তারা ডিএসসিসির একটি ময়লার গাড়িতে আগুন ও দু'টি এস্কাভেটর ভাঙচুর করে।
এছাড়া, পুলিশের একটি গাড়ি ও ট্রাফিক বক্স ভাঙচুর করা হয়।
হকারদের হামলায় গণমাধ্যমকর্মীও আহত হন। তাদের হামলা থেকে রেহাই পাননি পথচারীরাও।
পরে পুলিশ, এসআরবি ও আনসার সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম।
হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন তিনি।
এদিকে, হামলার ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অন্তত ৪০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
প্রথম আলোর দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম— বিরোধীদের কর্মসূচির মুখে তৎপরতা বাড়াচ্ছে বিএনপি।
খবরে বলা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে বিরোধী দলগুলোর ধারাবাহিক কর্মসূচি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের তৎপরতার মধ্যে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়াচ্ছে বিএনপি।
দলটির সূত্রগুলো বলছে, মাঠে পাল্টা কর্মসূচির প্রস্তুতি নিতে সাংগঠনিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ইতোমধ্যে 'অঘোষিত' কর্মসূচিও শুরু করেছে দলটি।
তবে বিএনপির নেতারা বলছেন, কোনো চাপের কারণে নয়, বিরোধীদের 'অপপ্রচার' ও আওয়ামী লীগের তৎপরতার জবাব দিতেই তারা কর্মসূচি করছেন।
বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অর্থনৈতিক সংকটসহ নানা চাপের মধ্যে হঠাৎ জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে দলের ভেতরে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।
তারও আগে থেকেই জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) কয়েকটি বিরোধী দল নানা কর্মসূচিতে রয়েছে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি তাদের কর্মসূচিতে নতুন ইস্যু যুক্ত করেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে আওয়ামী লীগের তৎপরতাও বিএনপির নীতিনির্ধারকদের ভাবনায় ফেলেছে। এসব নিয়ে দলের ভেতরে উদ্বেগ রয়েছে বলে জানা গেছে।
আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— চালুর আগেই শেষ গ্যারান্টির মেয়াদ।
এই খবরে বলা হয়েছে, সাগরে বড় জাহাজ থেকে তেল খালাস করে সরাসরি ডিপোতে আনার জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং উইথ ডাবল পাইপলাইন (এসপিএম)।
এজন্য কক্সবাজারের মহেশখালী থেকে বঙ্গোপসাগরের তলদেশ দিয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা ডিপো পর্যন্ত ১১০ কিলোমিটার লম্বা পাইপলাইন টানা হয়, এই প্রকল্পে ব্যয় হয় ৮ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নকারী চায়না পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন ইঞ্জিনিয়ারিং (সিপিপিইসি) কোম্পানির কাজ ২০২৪ সালের মার্চে শেষ হলেও অপারেটরের অভাবে পাইপলাইন চালু করতে পারেনি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
এরই মধ্যে প্রকল্পের কারিগরি ত্রুটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নির্ধারিত ১৮ মাসের গ্যারান্টির মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে গত অগাস্ট মাসে। এতে করে এখন এই প্রকল্পটিতে যান্ত্রিক বা অন্যান্য কোনো ত্রুটি দেখা দিলে তার দায়িত্ব নেবে না নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান সিপিপিইসি। সেই খরচ বিপিসিকেই করতে হবে।
এছাড়া, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ঋণের কিস্তি পরিশোধের সময়ও ঘনিয়ে আসছে।
সমাবর্তনের অপেক্ষা শেষ হয় না— দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি। খবরে বলা হয়েছে, শিক্ষাজীবন পেরিয়ে সমাবর্তনের অপেক্ষায় বছরের পর বছর বসে আছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা। কারও কারও ক্ষেত্রে এই অপেক্ষা এক যুগেরও বেশি সময়।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে ৫৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।
এর মধ্যে কমপক্ষে একবার সমাবর্তন হয়েছে এমন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা মাত্র ৩০টি।
২৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ে কখনো সমাবর্তন আয়োজন হয়নি, যদিও এর মধ্যে ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পুরোপুরি শুরু হয়নি।
মাত্র একটি সমাবর্তন হয়েছে ছয়টিতে। তিনবার বা তার বেশি সমাবর্তন হয়েছে, এমন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা মাত্র ১০টি।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সমাবর্তন অনুষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত গ্র্যাজুয়েটদের মূল সনদ দেওয়া হয় না। এর পরিবর্তে একটি সাময়িক সনদ দেওয়া হয়। তবে এই সনদ নিয়ে নানা ভোগান্তিতে পড়ছেন গ্র্যাজুয়েট হওয়া শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সাময়িক সনদে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের স্বাক্ষর থাকে না; কেবল পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের স্বাক্ষর দেওয়া হয়। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান মূল সনদ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষরযুক্ত নথি চাইলে তারা সমস্যায় পড়েন।
কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম— বিদেশগামী ৭১% কর্মীই 'অদক্ষ'।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলেও বিদেশগামী কর্মীদের বড় অংশ এখনো আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ হয়ে উঠতে পারছে না।
রামরুর 'বাংলাদেশ হতে শ্রম অভিবাসনের গতি-প্রকৃতি ২০২৫: অর্জন ও চ্যালেঞ্জসমূহ' প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের অভিবাসন মূলত আধাদক্ষ ও স্বল্প দক্ষ শ্রমবাজারনির্ভর।
২০২৫ সালে মাত্র ৩-৪ শতাংশ পেশাজীবী, ২০ থেকে ২২ শতাংশ দক্ষ এবং ৭০ থেকে ৭৪ শতাংশ আধাদক্ষ বা স্বল্প দক্ষ কর্মী বিদেশে গেছেন।
অন্যদিকে, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণার হিসাবে, সরকারি টিটিসি বা বেসরকারি প্রশিক্ষণকেন্দ্র— কোনো জায়গা থেকেই প্রশিক্ষণ না নিয়ে বিদেশে যাচ্ছেন প্রায় ৮৭ শতাংশ কর্মী। আর ৭১ শতাংশের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছিল না।
ফলে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে দক্ষ কর্মীর চাহিদা বাড়লেও দেশের প্রশিক্ষণব্যবস্থা এখনো সেই চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে পারছে না।