পত্রিকা: 'ক্যাম্পগুলো নিয়ন্ত্রণের বাইরে!'

পত্রিকা
Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট

'ক্যাম্পগুলো নিয়ন্ত্রণের বাইরে!' কালের কণ্ঠের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, কক্সবাজারের উখিয়ার ময়নারঘেনা ১২ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-ব্লকে অভিযানে একটি গোপন সুড়ঙ্গের সন্ধান পেয়েছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

শুধু সুড়ঙ্গ নয়, অভিযানের আগে সেখানে গরু জবাই করে প্রীতিভোজের আয়োজন করেছিল একটি রোহিঙ্গা সশস্ত্র সংগঠনের সদস্যরা।

অস্ত্রসহ তাদের অবস্থানের খবর পেয়েই অভিযান চালানো হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মুহূর্তেই সটকে পড়ে তারা।

বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ সদস্যরা দেখেছেন, অনেক ঘরেই শুধু নারী ও শিশু। পুরুষদের অনেকেই আগেই গাঢাকা দিয়েছে বলে জানায় এপিবিএন।

আর একটি ঘরের মেঝের নিচে পাওয়া সেই সুড়ঙ্গ যেন ক্যাম্পের ভেতর গড়ে ওঠা এক অদৃশ্য জগতেরই প্রমাণ। এমন পরিস্থিতি নিয়ে আজ ২৫শে আগস্ট রোহিঙ্গা ঢলের ৯ বছরপূর্তি হচ্ছে।

মিয়ানমার জান্তা সরকারের জাতিগত বিদ্বেষের মুখে পড়ে ২০১৭ সালের এদিন থেকে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে লাখ লাখ রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ ঘটতে শুরু করে। এরপর কেটে গেছে প্রায় ৯ বছর।

দীর্ঘ এই সময়ে একজন রোহিঙ্গাকেও মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন করা সম্ভব হয়নি।

কালের কণ্ঠ
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

নিউ এইজের শিরোনাম, 'Nine years on, Rohingyas still have no way home' অর্থাৎ 'নয় বছর পেরিয়ে গেলেও রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরার কোনো লক্ষণ নেই।'

খবরে বলা হচ্ছে, মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর নৃশংস দমন-পীড়নের মুখে পালিয়ে আসা বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার নয় বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাদের একজনকেও নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পারেনি।

২০১৭ সালের আগস্ট মাসে এই দমন-পীড়ন শুরু হয়; সে সময় মিয়ানমার সেনাবাহিনী রাখাইন রাজ্যে সহিংস অভিযান চালায়। ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে, এই অভিযানের মধ্যে ছিল হত্যাকাণ্ড, গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া এবং ধর্ষণের মতো ঘটনা।

সাংবাদিক, ত্রাণকর্মী ও জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের কাছে তাদের দুখ:কষ্টের বিবরণ ব্যাপকভাবে আন্তর্জাতিক মহলের নিন্দা, কূটনৈতিক উদ্বেগ প্রকাশ এবং মানবিক সহায়তার প্রতিশ্রুতির জন্ম দিয়েছিল। অথচ নয় বছর পেরিয়ে গেলেও, এসব প্রচেষ্টায় কাজ হয়নি। একজন রোহিঙ্গাও মিয়ানমারে ফিরে যেতে পারেনি।

সংকট শুরুর পর থেকে এর সমাধানের লক্ষ্যে অন্তত পাঁচটি বড় ধরনের আন্তর্জাতিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, কিন্তু কোনোটিই টেকসই সমাধান বয়ে আনতে পারেনি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যমান প্রক্রিয়াগুলো সমাধান দিতে ব্যর্থ হয়েছে এবং বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের উচিত যৌথভাবে বিকল্প কোনো পন্থা অবলম্বন করা।

নিউ এইজ

'কুষ্টিয়ায় হামজাই সব' মানবজমিনের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, মাওলানা আমির হামজা। আলোচিত-সমালোচিত এক ব্যক্তিত্ব। ওয়াজের ময়দান থেকে সরাসরি রাজনীতিতে। নাটকীয়ভাবে পেয়ে যান জামায়াতের মনোনয়ন। কুষ্টিয়া সদর আসন থেকে বিএনপি'র প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী হন এই ইসলামী বক্তা।

তবে ওয়াজের মাহফিল থেকেই একের পর এক উদ্ভট বক্তব্য দিয়ে বিতর্ক জিইয়ে রেখেছেন তিনি। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েও ফের আলোচনায় বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে।

কুষ্টিয়া সদর আসনে একসময় ছিল প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব-উল আলম হানিফের রাজত্ব। গত ১৭ বছর এই আসনে হানিফই ছিলেন শেষকথা।

কিন্তু ৫ই আগস্ট পটপরিবর্তনের পর বদলে গেছে দৃশ্যপট। দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন হানিফ ও আতা। হানিফের সাম্রাজ্যে এখন দাপট দেখাচ্ছেন আমির হামজা।

বলছেন- কুষ্টিয়া সদর আসনে আগামী পাঁচ বছর তিনিই প্রধানমন্ত্রী, তিনিই সরকার। বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও অফিসের কর্মকর্তাদের অনেকটা 'ফাটাকেস্ট' স্টাইলে নির্দেশনা দিচ্ছেন।

নিজের গাড়িতে প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্র বহনের জন্য সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি। আমির হামজার মতো তার অনুসারী জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরাও একইভাবে দাপট দেখাচ্ছেন।

 মানবজমিন

আজকের পত্রিকার শিরোনাম 'সহিংসতার শঙ্কায় সতর্ক পুলিশ'

খবরে বলা হচ্ছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত থেকে দেশে ফেরার ঘোষণার পর রাজনৈতিক সহিংসতার আশঙ্কা করছে পুলিশ।

এ জন্য সব ধরনের রাজনৈতিক সহিংসতা এড়াতে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে আগাম গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ , সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি এবং এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়াতেও বলা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর ১৮ই অগাস্ট সব ইউনিটকে এসব নির্দেশনা দিয়ে চিঠি দিয়েছে।

চিঠিতে রাজনৈতিক সহিংসতার আশঙ্কা জানিয়ে ইউনিটগুলোকে তা মোকাবিলায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে । এরপর ২২শে অগাস্ট একই ধরনের নির্দেশনা ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) বিভিন্ন বিভাগেও পাঠানো হয়।

পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সদর দপ্তরের ওই চিঠিতে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে সহিংসতার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

চিঠিতে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের সন্দেহভাজন নেতা-কর্মীদের নজরদারিতে রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং জামিনে থাকা ব্যক্তিদের গতিবিধির বিষয়ে খোঁজখবর রাখতে বলা হয়েছে।

আজকের পত্রিকা

খবরে বলা হচ্ছে, কয়েক বছর ধরে জ্বালানি তেলে সরকারকে ভর্তুকি দিতে হয়নি। এ কারণে চলতি অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি।

তবে কেনার খরচের চেয়ে বিক্রির দাম কম থাকার কারণে দুই মাসের লোকসান পোষাতে সম্প্রতি সরকারের কাছে সাত হাজার ৬১০ কোটি টাকা ভর্তুকি চেয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজিতে চলতি অর্থবছরের জন্য ভর্তুকি বাবদ বরাদ্দ ছিল ছয় হাজার কোটি টাকা। গত বছরের জুনের বকেয়া পরিশোধসহ চলতি অর্থবছরের মাত্র দেড় মাসেই বরাদ্দ শেষ হয়ে গেছে। বিদ্যুৎ খাতেও ভর্তুকির চাপ বেড়েছে।

বিদ্যুতে গত অর্থবছরে মাসে গড়ে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি লাগত। গত দুই মাসে প্রয়োজন হয়েছে মাসে পাঁচ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, চলতি অর্থবছরের শুরুতে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কেটে যাবে-এমন প্রত্যাশা থেকে গত অর্থবছরের প্রকৃত ব্যয়ের ভিত্তিতে ভর্তুকির বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছিল।

কিন্তু মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় ধারণার চেয়ে অনেক বেশি দরে জ্বালানি কেনা লাগছে। বর্তমানের রাজস্ব আয়ে পরিস্থিতিতে এত ভর্তুকি দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে সরকারের ঋণ গ্রহণের প্রবণতা বেড়েছে।

সমকাল

খবরে বলা হচ্ছে, দেশে গ্যাসের সংকট মেটাতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ৫৯ হাজার ৭১৩ কোটি টাকা।

গ্যাসের ঘাটতি পূরণে সরকার আরো কয়েকটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। এরই মধ্যে একটি নতুন টার্মিনাল নির্মাণের নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

পরিকল্পনায় থাকা টার্মিনালের মধ্যে অন্তত দুটিও যদি নির্মাণ হয়, তাহলে এলএনজি আমদানি ও সরবরাহ বেড়ে যাবে। সেক্ষেত্রে বিদ্যমান বৈশ্বিক বাজারদর ও সরবরাহ সক্ষমতা বৃদ্ধির হিসাব বিবেচনায় নিলে বছরে এলএনজি আমদানি ব্যয় বেড়ে ১ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা ছাড়াতে পারে বলে মনে করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা।

আর বিদ্যমান স্পট প্রাইস বিবেচনায় ধরলে এ ব্যয় অন্তত দেড় লাখ কোটি টাকায় গিয়ে ঠেকতে পারে বলেও মনে করেন তাদের কেউ কেউ।

এলএনজি আমদানি করে গ্যাসের চাহিদা মেটাতে এরই মধ্যে ২ লাখ ৭৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এ অর্থ জোগাতে গিয়ে বিভিন্ন সময় দফায় দফায় গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি, ভর্তুকি, বিদেশী ঋণ ও গ্যাস উন্নয়ন তহবিলের (জিডিএফ) দ্বারস্থ হতে হয়েছে পেট্রোবাংলাকে।

বণিক বার্তা

'সরকারের গুদামে সার আছে, সমস্যা বিতরণে' প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, আগস্ট মাস দেশের প্রধান ধানের মৌসুম আমনের জমি প্রস্তুত করা ও চারা রোপণের সময়। চারা রোপণের পর কয়েক ধাপে কৃষককে জমিতে সার দিতে হয়। স্বাভাবিকভাবে এ সময় সারের চাহিদা বেশি থাকলেও মাঠপর্যায়ে কৃষকেরা তা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করছেন।

কোথাও কোথাও বেশি দাম দিয়ে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষকেরা। তবে সরকারের নথিপত্র অনুযায়ী, চাহিদার বিপরীতে সারের মজুত ও বরাদ্দে কোনো ঘাটতি নেই।

কৃষি মন্ত্রণালয় বলছে, ডিলারদের চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ দেওয়া হলেও তাঁরা সার উত্তোলন না করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন। ডিলাররা ঠিকমতো সার উত্তোলন ও বিতরণ করছেন কি না, তা তদারক করার দায়িত্ব উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার।

কৃষকদের অভিযোগ, সরকার-নির্ধারিত পরিবেশকেরা ভর্তুকির সার বাইরে কালোবাজারে বিক্রির কারণে সংকট দেখা দিচ্ছে। পরে খোলাবাজারে সেই সার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

এক এলাকার সার অন্য এলাকায় পাচার করার অভিযোগে গত তিন দিনে রাজশাহীর ৪ উপজেলায় ৪ পরিবেশককে মোট ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগে যশোরে ২ আগস্ট ২ পরিবেশককে সাড়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

প্রথম আলো

'জনবহুল দেশ, দক্ষতায় খরা' যুগান্তরের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, সংখ্যাগত প্রায় সব দিক থেকেই এগোচ্ছে দেশ; কিন্তু মান কোথায়! ১৮ কোটি মানুষের দেশে দক্ষ জনবলের বিশাল ঘাটতির আলোচনা এখন সর্বত্র।

আর এ আলোচনা এখন দেশের সব খাতে। রাজনীতিতে স্লোগানদাতা বেশি। কিন্তু প্রতিশ্রুতিশীল ও দেশপ্রেমিক নীতিনির্ধারক কম। অর্থনীতিতে হিসাবরক্ষক অনেক, উদ্ভাবক নেই।

পুলিশের পদগুলো শূন্য না থাকলেও দক্ষ মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং অপরাধ তদন্ত; সর্বোপরি পুলিশিংয়ের দক্ষতা নেই বললেই চলে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও নিজেদের দক্ষতা না বাড়িয়ে রাজনৈতিক দলের পেছনে ছুটছেন।

বেসরকারি খাতে কারখানা আছে; কিন্তু তা চালানোর জন্য নিজ দেশে দক্ষ ব্যবস্থাপক মিলছে না। সহজ কথায় বললে, দেশে লোকের অভাব নেই। কিন্তু অভাব দক্ষ লোকের।

বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলে জানা গেল-বর্তমানে দেশে দক্ষতার অভাব জাতীয় সংকটে রূপ নিয়েছে।

অনেকের মতে, বাংলাদেশে রাষ্ট্রকাঠামোতে আজকে যে অগোছালো অবস্থা, এর মূলে রয়েছে প্রায় সব ক্ষেত্রে অদক্ষতার ছাপ। আবার কিছু দক্ষ লোক থাকলেও রাজনৈতিক সুবিধাভোগীদের ভিড়ে তাদের গুরুত্ব কমে যাচ্ছে বলে আলোচনা আছে।

যুগান্তর

খবরে বলা হচ্ছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাংক লুটেরা এস আলমের মতো এক ধরনের অলিগার্ক শ্রেণী কাগুজে প্রকল্পের নামে ঋণ নিয়ে তা ফেরত দিতেন না। ঋণের একটি বড় অংশই পাচার হয়ে যেত। আবার এসব ঋণের অর্থ কীভাবে ব্যবহার হচ্ছে তারও কোনো তদারকি করা হতো না।

এর ধকল এখন পোহাচ্ছে ব্যাংকিং খাতসহ দেশের অর্থনীতি। সাড়ে পাঁচ লাখ কোটি টাকার বিশাল খেলাপি ঋণের ভারে ব্যাংকিং খাতের অনেকটা ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। গ্রাহকরা টাকা ফেরত পাচ্ছেন না। বন্ধ হওয়ার উপক্রম হওয়া পাঁচ ব্যাংক মিলে একটি ব্যাংকে রূপান্তর করা হয়েছে।

ব্যাংকিং খাতে বড় অঙ্কের ঋণ বিতরণে দীর্ঘদিনের অনিয়ম, ঋণের অর্থের অপব্যবহার, কাগুজে প্রকল্পের নামে অর্থ বের করে নেয়া ঠেকাতে এবার বড় ঋণের ব্যবহার সরাসরি তদারকিতে নামছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণের ক্ষেত্রে অর্থ কোথায় ও কীভাবে ব্যবহার হয়েছে তা যাচাই করতে অডিট রিপোর্ট জমা দেয়ার বাধ্যবাধকতা আরোপের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

এর ফলে ঋণ অনুমোদন ও বিতরণের পর ব্যাংকের দায়িত্ব শেষ হয়ে যাবে না বরং ঋণের অর্থ নির্ধারিত খাতে ব্যবহার হচ্ছে কিনা, সেটিও নজরদারির আওতায় আসবে।

নয়াদিগন্ত

দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'Govt showing lack of political courage: CPD' অর্থাৎ'সরকার রাজনৈতিক সাহসের অভাব দেখাচ্ছে: সিপিডি'।

খবরে বলা হচ্ছে, সরকার দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত ও অত্যন্ত প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার বাস্তবায়নে রাজনৈতিক সাহসের অভাব দেখাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

সরকারি কর্মচারীদের নবম বেতন কাঠামোর বিষয়টি এমন একটি বড় ক্ষেত্র, যেখানে সরকার রাজনৈতিক দৃঢ়তার অভাব দেখিয়েছে।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ছয় মাস পেরিয়ে গেছে, কিন্তু আপনারা এখনও বেতন ও ভাতার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। কেন আপনারা তা করতে পারেননি? এর পেছনে একটি বড় কারণ রয়েছে, আর তা হলো আপনাদের আর্থিক সক্ষমতা।

বিএনপি-নেতৃত্বাধীন সরকারের ছয় মাসের কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রতিবেদন উপস্থাপনের সময় তিনি বলেন, বর্তমান বাজেটে নির্ধারিত রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বিষয়টি নিয়ে গড়িমসি না করে সরকার শুরুতেই ২০-২৫ শতাংশ বিশেষ ভাতা চালু করতে পারত। তখন একটি সামগ্রিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়তো আরও কিছুটা সময় নেওয়া যেত, কিন্তু এখন সরকারের সামনে উল্লেখযোগ্য কিছু করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

দ্য ডেইলি স্টার