পত্রিকা: 'হাম আক্রান্তদের ৭৪ শতাংশ টিকা পায়নি'

দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর— 74% measles patients did not get shots; অর্থাৎ হাম আক্রান্তদের ৭৪ শতাংশই টিকা পায়নি।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীদের ৭৪ শতাংশই টিকার দুটি ডোজের কোনোটিই পায়নি, আর ১৪ শতাংশ পেয়েছে মাত্র একটি ডোজ।
গত ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মাত্র ১২ শতাংশ রোগী সম্পূর্ণ টিকা পেয়েছে, যা টিকা প্রদান কার্যক্রমে গুরুতর ঘাটতিকে তুলে ধরেছে।
এছাড়া, হামে আক্রান্ত সন্দেহভাজন রোগীদের মধ্যে ৫৯ শতাংশ টিকার কোনো ডোজই পায়নি, আর ১৯ শতাংশ নিয়েছেন মাত্র একটি ডোজ।
প্রায় ২২ শতাংশ উভয় ডোজই নিয়েছেন, যা শিশুদের নয় মাস এবং ১৫ মাস বয়সে দেওয়া হয়।
গতকাল বুধবার (২৮শে এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ইউনিসেফ বাংলাদেশ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তারা এই তথ্য জানান।

সমকালের প্রথম পাতার একটি খবর— হামের পর নিউমোনিয়া ও অপুষ্টির শিকার শিশুরা।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, হামে আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে যারা মারা গেছে, তাদের প্রায় ৯০ শতাংশের মৃত্যু হয়েছে নিউমোনিয়া ও অপুষ্টিজনিত জটিলতার কারণে।
অন্য যারা মারা গেছে, তাদের ৩৩ শতাংশ মেনিনগোএনসেফালাইটিস (মস্তিষ্কের আবরণীর প্রদাহ) এবং ২২ শতাংশের ক্ষেত্রে সেপটিসেমিয়ার (রক্তে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া) মতো জটিলতা দেখা গেছে।
মারা যাওয়া শিশুদের বড় অংশই টিকাবঞ্চিত ছিল।
রাজধানীর তিন হাসপাতালে হামে মারা যাওয়া শিশুদের তথ্য বিশ্লেষণে এই চিত্র উঠে এসেছে।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রতি তিন শিশুর একজনের মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে ভর্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে মারা গেছে প্রায় ৪০ শতাংশ।
বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ১৮ শতাংশ শিশুর বয়স ছয় মাসের কম, ৫০ শতাংশের বয়স সাত থেকে ১০ মাস এবং এক বছরের বেশি ৩২ শতাংশ।
ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কভিড হাসপাতালের পরিচালক কর্নেল ডা. লতিফা রহমান বলেন, আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে অপুষ্টি একটি বড় সমস্যা। এর সঙ্গে নিউমোনিয়া যুক্ত হয়ে মৃত্যুঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— কাঁদছে কৃষক, ভুগবে দেশ।
এই খবরে বলা হয়েছে, এবারের বোরো মৌসুম শুরু হয়েছিল খরা দিয়ে, আর শেষ হচ্ছে টানা বৃষ্টিতে। সেই সঙ্গে দেশের উত্তর- পূর্বাঞ্চলে যোগ হয়েছে পাহাড়ি ঢল।
অতিবৃষ্টি ও ঢলে দেশের ধানের অন্যতম বড় উৎস ওই অঞ্চলের হাওর এখন পানির নিচে।
তাই শেষ সময়ে এসে পাকা ধান আর ঘরে তুলতে পারছেন না কৃষক।
এতে কৃষকের গোলা থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় গোলার ধানে টান পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
হাওর এলাকার বড় অংশ পড়েছে সুনামগঞ্জ জেলায়। যেখানে ডুবে আছে এক লাখের বেশি হেক্টর জমির বোরো ধান।
হাওরবেষ্টিত আরেক জেলা কিশোরগঞ্জে প্রায় ৬৫ শতাংশ ধান মাঠেই রয়ে গেছে।
এছাড়া, নেত্রকোনায় ২২১৫ হেক্টর জমির ধান ঝুঁকিতে রয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে এর পরিমাণ আরও বাড়বে।
হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজারেও হাওর এলাকার ধান পুরোপুরি কাটা শেষ হয়নি।
এদিকে, বৃষ্টির পরিস্থিতি আপাতত স্বাভাবিক হচ্ছে না উল্লেখ করে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী তিন থেকে চার দিন দেশের বেশিরভাগ এলাকায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।
End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:

জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি নেই, তবে আসেনি 'জরুরি তেল'— প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার নতুন উৎস থেকে সরাসরি তেল কেনার যে প্রক্রিয়া শুরু করেছিল, তাতে ৫৬টি বিদেশি কোম্পানি আবেদন করে কাজ পায় আটটি। আরও কয়েকটি কোম্পানি কাজ পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
তবে এখন পর্যন্ত কেউ তেল সরবরাহ করেনি। অর্থাৎ গত দুই মাসে 'জরুরি সরবরাহের' জ্বালানি তেল আসেনি।
এখন জুলাই-ডিসেম্বরের জন্য তেল কিনতে উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হচ্ছে।
যদিও দেশে আপাতত জ্বালানি তেলের সংকট নেই। বাজারে সরবরাহ বাড়ানোর পর ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভিড় কমেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
বণিক বার্তার প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— রেল পরিচালনায় ভুল নীতিতে চলছে দেশ।
এতে বলা হয়েছে, ভারত, পাকিস্তানে রেলে যাত্রী পরিবহনে যে অর্থ খরচ হয়, তার একটা বড় অংশ ভর্তুকি দেওয়া হয় পণ্য পরিবহন থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব দিয়ে।
এর প্রভাবে রেলের আয় ও ব্যয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য ধরে রেখেছে দেশগুলো। প্রতি ১০০ টাকা আয় করতে গিয়ে দেশগুলোতে খরচ হচ্ছে প্রায় ৯৮ টাকা।
চীন, জার্মানি বা যুক্তরাষ্ট্রের মতো বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে রেলওয়ে চলে মূলত ব্যবসার নিয়মে। তাদের মূল মন্ত্র হলো মালবাহী ট্রেন থেকে লাভ করে সেই টাকা দিয়ে যাত্রীসেবায় ভর্তুকি দেওয়া।
এজন্য তারা পণ্য পরিবহনের জন্য আলাদা রেললাইন (ডেডিকেটেড করিডর) ব্যবহার করে এবং বড় বড় কারখানা ও বন্দরের সঙ্গে সরাসরি রেলের সংযোগ রাখে।
তবে, উল্টোপথে হাঁটছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। প্রতি ১০০ টাকা আয় করতে বাংলাদেশ রেলওয়ে ব্যয় করছে ২০৯ টাকা (২০২৪-২৫ অর্থবছরের হিসাব)।
উল্লিখিত হিসাবে বছরে রেল আয় করে ১ হাজার ৮৪৬ কোটি। আয়ের সিংহভাগই আসে যাত্রী পরিবহন খাত থেকে। মালামাল (কনটেইনারসহ) পরিবহন করে আয়ের পরিমাণ মাত্র পাঁচ শতাংশ।
পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের বিজনেস মডেলে পণ্য পরিবহন খুব একটা গুরুত্ব পাচ্ছে না।

কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার সংবাদ— ১৪ বোয়িং কেনার চুক্তি আজ।
এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে বড় একটি চুক্তি সই করতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকার একটি হোটেলে এই চুক্তি স্বাক্ষর হবে।
চুক্তির আওতায় বিমান ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কিনবে। এর মধ্যে রয়েছে আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স উড়োজাহাজ।
এসব উড়োজাহাজের তালিকামূল্য প্রায় তিন দশমিক সাত বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা।

মানবজমিনের প্রথম পাতার সংবাদ— কোরআনের আইন প্রতিষ্ঠার দাবি জামায়াত এমপি'র।
এই খবরে বলা হয়েছে, মানুষের আইনের 'কবর' রচনা করে দেশে পবিত্র কোরআনের আইন প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান।
গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান।
নির্বাচনের আগে বিএনপি শরিয়তের বিরুদ্ধে কোনো আইন করবে না বলেছিল উল্লেখ করে মুজিবুর রহমান বলেন, আমরা আল্লাহর আইন চাই। আপনারা (বিএনপি) আল্লাহর আইনের বিরোধিতা করবেন না বলেছেন। অতএব, আসুন বাংলাদেশে মানুষের আইনের কবর রচনা করে কোরআনের আইন প্রতিষ্ঠা করি।
দেশে ইসলামী আইন চালু করার জন্য একটি ইসলামী বোর্ড গঠন করারও আহ্বান জানান এই সংসদ সদস্য।
মাদ্রাসা থেকে পাস করা সংসদ সদস্য এবং সংসদের বাইরে যত মাযহাবের আলেম আছেন, তাদের নিয়ে এ বোর্ড গঠন করার পরামর্শ দেন তিনি।

টার্গেট কিলিংয়ের ছক— দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছে বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। তারা নতুন মেরুকরণে নেমেছে।
দেশের বাইরে থাকা সন্ত্রাসীরা নিজেদের সহযোগীদের মাধ্যমে নতুন করে আধিপত্য বিস্তারে নেমেছে। আর কারাগারে থাকা সন্ত্রাসীরা তাদের সহযোগীদের বার্তা দিচ্ছে।
আর তাতে ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড অস্থির হয়ে উঠেছে। নিজেদের সাম্রাজ্য ধরে রাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রকরা।
গণঅভ্যুত্থানের পর পুলিশ এখনো দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে পারেনি, এ সুযোগই কাজে লাগাচ্ছে তারা।
সম্প্রতি বেশকটি হত্যাকাণ্ড আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রকদের পুনরুত্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা।
তারা বলছেন, সন্ত্রাসীদের সহযোগীরাও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে আগ্নেয়াস্ত্রের চোরাচালান আসছে।
এদিকে, পুলিশ সদর দপ্তর সব ইউনিট, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার এসপিদের বিশেষ বার্তা দিয়েছে। ইন্টারপোলের সদর দপ্তরে আত্মগোপনে থাকা সন্ত্রাসীদের বিষয়ে নতুন করে চিঠি পাঠানো হয়েছে। কারাগার কর্তৃপক্ষকেও হাজতি ও বন্দি সন্ত্রাসীদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Govt proposes JS body for constitution amendment; অর্থাৎ সংবিধান সংশোধনে সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব সরকারের।
এই খবরে বলা হয়েছে, জুলাই সনদের আলোকে সংবিধান সংশোধনের জন্য ১৭ সদস্যের একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার।
গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে সরকারের পক্ষে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
আইনমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেছেন, আমরা ১২ সদস্যের একটি তালিকা তৈরি করেছি, যার মধ্যে বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা রয়েছেন।
সংসদে বিরোধীদলের প্রতিনিধিত্বের অনুপাত তুলে ধরে তিনি পাঁচজনের নাম আহ্বান করেন।
সরকারের দেওয়া এই প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধীদল বলেছে, এই সংসদীয় কমিটিতে যোগদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে তাদের সময় প্রয়োজন, কারণ তারা সংবিধান 'সংস্কার' চায়।

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান শিরোনাম— Digital hate triggers violence; অনলাইনে বিদ্বেষ উসকে দিচ্ছে সহিংসতা।
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশজুড়ে অনলাইনে রাজনৈতিক আলোচনা গালিগালাজ ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্যে ভরে উঠছে। বাস্তব জীবনেও এর রেশ এসে পড়ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইফুল আলম চৌধুরী বলেছেন, এই সমস্যা কেবল অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং আরও গভীরে প্রোথিত।
অন্যকে হেয় করা এবং উসকানিমূলক ভাষা ব্যবহারের যে প্রবণতা তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের চেয়ে রাজনৈতিক সংস্কৃতির মধ্যেই বেশি নিহিত বলে মনে করছেন তিনি।
এদিকে, দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থকরা ক্রমবর্ধমানভাবে অনলাইন সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে। বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যকার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হওয়ার সাথে সাথে তাদের অনুসারীরাও অনলাইনে বিবাদে জড়াচ্ছে।
নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে বিকৃত এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার 'ডিপফেক' ছবি ছড়ানোর অভিযোগও বাড়ছে।








