পত্রিকা: 'সাবেক চার ব্যাংক এমডি জেলে, আতঙ্কে অনেকেই'

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

'সাবেক চার ব্যাংক এমডি জেলে, আতঙ্কে অনেকেই' বণিক বার্তা পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

এ খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত তিনটি জনতা, সোনালী, রূপালী ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি ব্যাংকের এমডিরা বিভিন্ন আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে কারাগারে রয়েছেন।

রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের দাপুটে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ছিলেন মো. আব্দুছ ছালাম আজাদ দুর্নীতির মামলায় কারাগারে রয়েছেন।

আব্দুছ ছালাম আজাদের মতোই কারাগারে রয়েছেন রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ও রূপালী ব্যাংকের সাবেক এমডি ওবায়েদ উল্লাহ মাসুদ।

গত বছরের ১৯ নভেম্বর দুদকের মামলায় গ্রেফতার হওয়ার আগে তিনি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির চেয়ারম্যান পদেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

প্রায় এক বছর ধরে কারাগারে আছেন ইসলামী ব্যাংকের সাবেক এমডি মনিরুল মওলা।

আর এক্সিম ব্যাংকের সাবেক এমডি ফিরোজ হোসেন কারাগারে আছেন ছয় মাসের বেশি সময় ধরে। তারা উভয়েই গ্রেফতার হয়েছেন দুদকের মামলায়।

আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কারাদণ্ডের ঘটনা অনেক দেশেই দেখা যায়।

বিশ্বব্যাপী ২০০৮ সালের অর্থনৈতিক সংকটের পেছনে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অনেক ব্যাংকারের ভূমিকার কথা ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের গবেষণায় উঠে আসে বলে এই খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

দেখা গেছে, সে সময় ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে আর্থিক সংকটের পেছনে দায় ছিল এমন ৪৭ ব্যাংকারকে বিভিন্ন সময়ে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এ ব্যাংকাররা অর্থনৈতিক সংকটে ভূমিকা রাখা কিংবা তাদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে অনিয়মের মাধ্যমে ধ্বংস করার অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় শাস্তি পেয়েছেন।

কারাদণ্ড পাওয়া ব্যাংকারদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি আইসল্যান্ডে। এ দেশের ২৫ শীর্ষ ব্যাংকার কারাদণ্ড ভোগ করেছেন।

এ খবরে বলা হয়েছে, নানামুখী চ্যালেঞ্জ নিয়েই আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য নয় লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা বাজেট দিতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী।

আগামী সাতই জুন সংসদে দেশের ৫৪তম বাজেট অধিবেশন শুরু হবে।

এরপর ১১ই জুন উপস্থাপন করা হবে বাজেট।

বাজেটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থ মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে বলে প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট বিভাগের সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবরে বলা হয়েছে, করজাল বিস্তৃত করে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রায় সাত লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হতে পারে।

নতুন বাজেটে এডিপি'র আকারও বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ তিন লাখ কোটি টাকা।

এর মধ্যে প্রায় ৩৯ শতাংশই থাকবে থোক ও বিশেষ বরাদ্দের আওতায়।

বাজেটের ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক ঋণ থেকে এক লাখ ১০ হাজার কোটি এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এক লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা ঋণ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে।

'করোনার প্রকল্পে আইসিইউ হয়নি, ঝরছে শিশুপ্রাণ' কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতার একটি শিরোনাম।

এ খবরে বলা হয়েছে, দেশে গত দুই মাসে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যু সাড়ে চারশ ছাড়িয়ে গেছে।

এই শিশুদের বেশির ভাগ মারা গেছে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও ভেন্টিলেশন সংকটে।

চিকিৎসকদের ভাষায়, সময়মতো পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (পিআইসিইউ) এবং ভেন্টিলেশন সাপোর্ট না পাওয়াই এখন সবচেয়ে বড় সংকট।

অথচ করোনাকালে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে ছয় হাজার কোটি টাকার যে প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল, প্রকল্পটির আওতায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে আইসিইউ ও পিআইসিইউ বসানোর যে পরিকল্পনা ছিল তার বড় অংশই বাস্তবায়িত হয়নি।

প্রকল্পের মূল্যায়ন প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ১৪টি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পিআইসিইউ স্থাপন এবং বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট এবং শিশু-মাতৃ স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে পৃথক পিআইসিইউ ইউনিট স্থাপনের লক্ষ্য ছিল।

মোট ১৬টি পিআইসিইউ ইউনিট স্থাপনের বিপরীতে বাস্তবায়নের হার শূন্য বলে এ খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

একইভাবে ৫০টি জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ স্থাপনের পরিকল্পনা থাকলেও বেশির ভাগ হাসপাতালে কার্যকর সেবা চালু হয়নি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, 'কভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যান্ডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস (২য় সংশোধিত)' প্রকল্পের আওতায় জরুরি স্বাস্থ্য অবকাঠামো গড়ে তোলার কথা ছিল।

এতে আইসিইউ, পিআইসিইউ, অক্সিজেন ব্যবস্থা, ল্যাব সুবিধা ও বিশেষায়িত চিকিৎসা ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

কয়েক দফা সংশোধনের পর প্রকল্প ব্যয় দাঁড়ায় ছয় হাজার ৩৮৬ কোটি টাকার বেশি।

কিন্তু প্রকল্পের মূল্যায়ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ভয়াবহ অব্যবস্থাপনা, দীর্ঘসূত্রতা ও সমন্বয়হীনতার চিত্র।

'এস আলম ফেঁসে যাচ্ছেন দুদকের ২৭ মামলায়' নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

এ খবরে বলা হয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলজুড়ে নানা কারণে আলোচিত-সমালোচিত এস আলম গ্রুপের মালিক সাইফুল আলম মাসুদ ওরফে এস আলম।

তার এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ, দুর্নীতি এবং মানিলন্ডারিংয়ের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। ব্যাংক লুটের অন্যতম হোতা হিসেবে চিহ্নিত তিনি।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গত ১৫ বছরে ব্যাংক খাত থেকে লক্ষাধিক কোটি টাকা ঋণ নেয়ার নামে আত্মসাৎ করা, ভুয়া কোম্পানি তৈরি করে টাকা পাচার এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।

দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক) এস আলমের বিরুদ্ধে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে বলে এ খবরে তুলে ধরা হয়েছে।

এরই মধ্যে তার বিরুদ্ধে ২৭টি মামলা দায়ের করেছে দুদক।

এসব মামলার সবগুলোই এখন তদন্তাধীন।

'ড্রাফট লজ ক্লিপ পাওয়ারস গ্রান্টেড ইন অর্ডিন্যান্সেজ' ইংরেজি পত্রিকা দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার এ শিরোনামের অর্থ, 'জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম: অধ্যাদেশে দেওয়া ক্ষমতা খর্ব করছে খসড়া আইন।'

রাষ্ট্রীয় মদদে মানবাধিকার লঙ্ঘন মোকাবিলার জন্য আরো শক্তিশালী আইনি কাঠামো তৈরির প্রতিশ্রুতি দেওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহ পর, সরকার রোববার গুম এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সংক্রান্ত নতুন খসড়া আইন প্রকাশ করেছে।

তবে সমালোচকদের মতে, এই খসড়া আইনগুলো স্বাধীন নজরদারি এবং প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতাকে খর্ব বা দুর্বল করে দেবে।

রোববার ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সভায় আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে এই খসড়া দুটি প্রকাশ করা হয়।

উপস্থিত অংশীজনরা এই খসড়াগুলোকে সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলোর 'দুর্বল সংস্করণ' হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

উল্লেখ্য, অধ্যাদেশগুলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পাস করলেও নির্বাচিত সরকার সেগুলোর মেয়াদ শেষ হতে দিয়েছে(নতুন করে নবায়ন বা আইন করেনি)।

গত মাসে সংসদে সরকারি দল এই সংক্রান্ত দুটি অধ্যাদেশেরই বিরোধিতা করেছিল, এমনকি গুম বিষয়ক অধ্যাদেশটি সংসদে উত্থাপন করতেও তারা অস্বীকৃতি জানায়।

'লো ব্রেস্টফিডিং টেকস হাই টোল ইন মিজলস ডেথস' নিউএইজ পত্রিকার এই শিরোনামের অর্থ 'স্তন্যপান কম করায় হামে মৃত্যুর হার অনেক বেড়ে যায়।'

এ খবরে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বুকের দুধ খাওয়ানোর হার কমে যাওয়ার বিষয়টি শিশুদের ক্রমবর্ধমান অপুষ্টি এবং টিকাদানের বয়স হয়নি এমন শিশুদের শরীরে অ্যান্টিবডি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ঘাটতির সাথে যুক্ত বলে দেখা গেছে।

বিশেষজ্ঞরা এই তীব্র ছোঁয়াচে রোগের চলমান প্রাদুর্ভাবের সময়ে উচ্চ মাত্রায় হামের সংক্রমণ এবং মৃত্যুর জন্য এই কারণগুলোকেই দায়ী করেছেন বলে খবরে তুলে ধরা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ১৫ই মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫৯ জনে এবং আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ৬৫ হাজার ৬১৩ জনে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে, হামে মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে অনেকেই ছিল নয় মাসের কম বয়সী, যে বয়সে শিশুরা নিয়মিত হামের টিকা পাওয়ার যোগ্য হয়।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী, জীবনের প্রথম মাসগুলোতে শিশুরা বুকের দুধ খাওয়ানোর মাধ্যমে তাদের মায়েদের কাছ থেকে সুরক্ষামূলক অ্যান্টিবডি বা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা পেয়ে থাকে।

সরকারি তথ্য উপাত্তের বরাত দিয়ে এ খবরে বলা হয়েছে, ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হওয়া ৬০টি হামে মৃত্যুর ঘটনার প্রায় অর্ধেকই ছিল নয় মাসের কম বয়সী শিশু। যার অর্থ তারা তখনও নিয়মিত হামের টিকা পাওয়ার যোগ্য হয়ে ওঠেনি।

'জুলাইয়ের ৭৯৮ মামলায় ৫০৭৪ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ' সমকাল পত্রিকার প্রথম পাতার একটি শিরোনাম।

এ খবরে বলা হয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোতে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষকে হয়রানিমূলক আসামি করা হয়েছিল বলে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।

পুলিশের এই সংস্থার তদন্ত করা ১১১টি মামলায় ৬১ দশমিক এক শতাংশ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মেলেনি।

এজন্য ৭৯৮টি মামলায় পাঁচ হাজার ৭৪ জনকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য আদালতে অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশ।

পাশাপাশি অন্তত ৪০টি মামলায় আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ কোনো মামলা তদন্ত করার পর পর সাক্ষ্য-প্রমাণ না পেলে বা মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হলে আদালতে যে প্রতিবেদন দাখিল করে সেটিকে চূড়ান্ত প্রতিবেদন বলে।

এছাড়া গত ১৬ই মে পর্যন্ত জুলাইয়ের ১৭৫ মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ। এতে মোট আসামি ১৩ হাজার ৮২৪ জন।

'তনুর পোশাকে তিনজনের শুক্রানুর পাশাপাশি আরেকজনের রক্ত' প্রথম আলো পত্রিকার শেষ পাতার একটি খবর।

এ খবরে বলা হয়েছে, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান ওরফে তনু হত্যার ঘটনার পর তার পোশাক থেকে পাওয়া নমুনায় তিনজনের শুক্রাণুর পাশাপাশি আরেকজনের রক্ত পাওয়া গিয়েছিল। এ নিয়ে ডিএনএ পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত তনুর পোশাকে চারজনের নমুনা পাওয়ার তথ্য প্রকাশ্যে এল।

মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) রাজধানীর কল্যাণপুরের পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, "কয়েক মাস আগে সিআইডিতে আমি একটি চিঠি দিয়ে তনুর পোশাকে পাওয়া নমুনার বিষয়ে জানতে চেয়েছিলাম। প্রায় এক মাস আগে আমাকে জানানো হয়েছে, তিনজন পুরুষের শুক্রাণু ছাড়াও আরেকজনের রক্তের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে তনুর পোশাক থেকে সংগ্রহ করা নমুনায়। এ নিয়ে সন্দেহভাজনের সংখ্যা চারজনে দাঁড়াল।"

তবে এটি নতুন কোনো তথ্য নয় বলেও উল্লেখ করেন এই তদন্ত কর্মকর্তা।

মি. ইসলাম বলেন, "২০১৭ সালে তিনজনের তথ্য সামনে এলেও এখন আরেকজনের তথ্য এসেছে, এটুকুই নতুনত্ব। আমরা মামলাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি। সন্দেহভাজনদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।"

'ডুয়েটে নতুন ভিসির পক্ষে-বিপক্ষে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ২০' আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার একটি শিরোনাম।

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(ডুয়েট) নতুন উপাচার্যের যোগদানের পক্ষে-বিপক্ষে শিক্ষার্থীদের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে।

পাল্টাপাল্টি ইটপাটকেল ছোড়া এবং আগুন দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে।

রোববার সকালে ডুয়েট ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষে শিক্ষার্থী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও), সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কয়েকটি কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।

এদিকে ডুয়েটের অষ্টম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকবাল। ডুয়েটের পরিচালক(গবেষণা ও সম্প্রসারণ) মো. রায়হান হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে গত বৃহস্পতিবার ১২ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করে।

পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রোববার সকালে নতুন ভিসি দায়িত্ব গ্রহণের উদ্দেশ্যে ডুয়েট ক্যাম্পাসে আসেন।

তবে তিনি ক্যাম্পাসে পৌঁছানোর আগেই ছাত্রশিবিরের সমর্থনে শিক্ষার্থীদের একাংশ ভিসিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে বিক্ষোভ শুরু করে।

'দেশে অবিবাহিত এইডস রোগী বাড়ছে' দেশ রূপান্তর পত্রিকার একটি শিরোনাম।

এ খবরে বলা হয়েছে, দেশে বাড়ছে এইডস আক্রান্তের সংখ্যা। সেই সঙ্গে বিবাহিতদের তুলনায় অবিবাহিত এইডস রোগী বাড়ছে।

তবে এখনো শনাক্ত রোগীদের বেশিই বিবাহিত। এছাড়া সমকামীদের আক্রান্তের হারও বেড়েছে অনেক।

কিন্তু দেশে এইডস শনাক্তে নেই পর্যাপ্ত ব্যবস্থা। আক্রান্তদের বড় একটা অংশ থেকে যাচ্ছে শনাক্তের বাইরে।

এদিকে আজ সারা বিশ্বে বিশ্ব এইডস টিকা সচেতনতা দিবস পালিত হতে যাচ্ছে। কিন্তু দেশে নেওয়া হয়নি কোনো কার্যক্রম।

এমনকি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিষয়টি জানেনও না।