কলকাতায় পদপিষ্টের ঘটনায় কেন অভিযোগ পুলিশ ও উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে?

ছবির উৎস, Dibyangshu SARKAR / AFP via Getty Images
- Author, প্রত্যুষ রায়
- Role, বিবিসি নিউজ বাংলা, দিল্লি
- Author, প্রচেতা পাঁজা
- Role, বিবিসি নিউজ বাংলা, কলকাতা
- Published
- পড়ার সময়: ৬ মিনিট
দুর্গাপুজোর ব্যাপক জনসমাগম সামলাতে কলকাতা পুলিশের প্রসংসা করা হত বহু মহলেই। তবে এবছর দুর্গাপুজোর সপ্তমীর রাতে উত্তর কলকাতার অন্যতম বড় সর্বজনীন পুজো মণ্ডপ চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যুর পরে সেই পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ১৭ই অক্টোবর শনিবার সন্ধ্যায় বৃষ্টি নামার পরে প্যান্ডেলে ঘোষণা করা হয়, বৃষ্টিতে প্যান্ডেল ভেঙে পড়তে পারে। তার পরেই শুরু হয় হুড়হুড়ি।
এই ঘটনা পরম্পরার কথা স্থানীয় গণমাধ্যমগুলিতে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজন।
সেখানে যে ভিড় সামলানোর ব্যবস্থাপনায় গলদ ছিল এবং প্রবেশ ও প্রস্থানের জন্য পথ ছিল সরু, সেই অভিযোগও উঠে এসেছে সামাজিক মাধ্যমের নানা পোস্ট এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানে।
দুর্গাপুজোর সময়ে কলকাতায় ব্যাপক জনসমাগম নতুন নয়।
২০২৫ সালে সেপ্টেম্বর মাসের ৩০ তারিখে প্রকাশিত এএনটি কর্পোরেশন নামক একটি সংস্থার সমীক্ষা অনুযায়ী, মধ্য কলকাতায় শিয়ালদহের কাছে সন্তোষ মিত্র পার্কের পুজোয় ঘণ্টায় ৪৮,০০০ মানুষের আগমন হয়েছিল। ত্রিধারা অকালবোধন, বেহালা নূতন দলের মতো জনপ্রিয় পুজো কমিটির প্যান্ডেলগুলিতে ঘণ্টায় ২৫ হাজারের বেশি মানুষকে দেখা গিয়েছিল।
তবে কলকাতাবাসীদের বক্তব্য, পুজোয় এত বড় দুর্ঘটনা তাদের স্মৃতিতে এর আগে কখনও ঘটেনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক পৌলমী নাগ ফেসবুকে এক পোস্টে লেখেন, "৩৪ বছরের বাম শাসন এবং ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনে একটি মানুষেরও মৃত্যু দুর্গাপুজোয় পদপিষ্ট হয়ে হয়নি। বামেরা আর যাই করুক, তৃণমূল আর যাই করুক না করুক এই রাজ্যে সবথেকে বড় উৎসবে এই কাণ্ডটি করতে পারেনি।"
এবছর কলকাতা পুলিশ ঘোষণা করেছিল দুর্গাপুজোয় কলকাতা জুড়ে ১২ হাজার পুলিশকর্মীকে মোতায়েন করা হবে। যদিও চোরবাগানে উপস্থিত অনেকেই অভিযোগ করেছিলেন যে ওই স্থানে ঘটনার সময়ে পুলিশকর্মীদের দেখা যায়নি।
ইতোমধ্যে এই পুজোর আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত সাত জনকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা বা বিএনএস-এর ১০৫ ও ১১০ নম্বর ধারায় অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে তাদের।
এদের মধ্যে বেশিরভাগই সুরক্ষা ও ভিড় ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

ছবির উৎস, Debajyoti Chakraborty/NurPhoto via Getty Images
ভিড় ব্যবস্থাপনায় কোথায় গলদ?
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
পঞ্চমীর দিন থেকেই সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যাচ্ছে যে ব্যারিকেড ভেঙে ও পুলিশকর্মীদের ঠেলে দিয়ে জনস্রোত ঢুকছে চোরবাগান সর্বজনীনের মণ্ডপে। তখন অনেকেই দুর্ঘটনার আশঙ্কা করেছিলেন।
এক দর্শনার্থী অনয় গুপ্ত বিবিসি বাংলাকে বলেন, "গলির মুখ থেকে প্যান্ডেল পর্যন্ত পায়ে হেঁটে ১০ মিনিটের রাস্তা কিন্তু দর্শনার্থীদের এক ঘণ্টা পর্যন্ত লাইনে অপেক্ষা করিয়ে রাখা হয়েছিল, লাইন এগোচ্ছিল না। কিন্তু প্রতি ক্ষণেই পেছনে আরও মানুষ এসে লাইনে যোগ দিচ্ছিলেন কিন্তু লাইনে 'ফ্লো' ছিল না।"
"দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর যখন লাইন ছাড়া হয়, তখন মানুষ দেখে অনেকটা ঘুরে ঘুরে উপরে গিয়ে ঠাকুর দেখতে হবে, সেখানে কাতারে কাতারে মানুষ দাঁড়িয়ে। সেখানে কারো যদি শরীর খারাপ লাগে, তাহলে তাকে বের করে নিয়ে আসার মতো ব্যবস্থাটুকুও ছিল না।"
"ওই লাইনে একজন আমার পেছনেই জল চেয়ে অচৈতন্য হয়ে পড়েছিলেন, কিন্তু তার কাছে সেখান থেকে বেরোনোর পথও ছিল না," বলছিলেন মি. গুপ্ত।
১৭ই অক্টোবর ওই ঘটনা ঘটার আগে ওই প্যান্ডেল দেখতে গিয়েছিলেন চন্দননগরের বাসিন্দা সপ্তর্ষি মজুমদার।
তিনি তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে জানালেন যে, এই বছর ভিড় ছিল গত কয়েক বছরের থেকে বেশি এবং উদ্যোক্তারা ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। ফলে রাস্তার উপর লম্বা লাইন জমে গিয়েছিল।
ফোরাম ফর দুর্গোৎসব বলে একটি সংস্থা কলকাতায় প্রতিবছর দুর্গাপুজোর আগে একটি রক্তদান শিবির আয়োজন করে ও সেই শিবিরে রক্তদাতাদের একটি ভিআইপি কার্ড দেওয়া হয় যা দেখিয়ে কলকাতার বহু পুজো তারা লাইনে না দাঁড়িয়েই দেখতে পারেন।
মি. মজুমদার জানালেন, এই বছর চোরবাগান সর্বজনীন সেই ভিআইপি পাসটি গ্রহণ করছিল না। ফলে সবাইকে একই লাইনে ঢোকানোয় ভিড় অনেকটা বেড়ে গিয়েছিল।
দুদিন আগে ফোরাম ফর দুর্গোৎসব জানিয়েছিল যে, "চোরবাগানের নাম ফোরামের কার্ডে এবছর ভুলবশত উল্লেখ করা হয়েছে এবং আমরা অনুরোধ করছি আমাদের কার্ড দেখিয়ে কেউ চোরবাগানের মণ্ডপে ঢোকার চেষ্টা করবেন না।"
সপ্তর্ষি মজুমদারের মতে, এই বছর যে প্যান্ডেল করা হয়েছে তার ভিতরে আলো আঁধারি পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে যার জন্য এই ঘটনা আরও মর্মান্তিক হয়ে ওঠে শনিবার।
চোরবাগান অঞ্চলের এক স্থানীয় বাসিন্দা রুমা রুদ্র বলেন, "বৃষ্টি শুরু হতেই বাইরে থেকে মানুষজন ভিতরে ঢোকার জন্য চাপ দিতে থাকে। এদিকে ভিতরের মানুষরা বৃষ্টির জন্য বাইরে বেরোতে চাইছিলেন না। ভিতরে ভিড় এতটাই বেশি হয়ে গিয়েছল যে একটি মেয়ের উপর চার জন হুমড়ি খেয়ে পড়ে যায়। এটা একটা মাত্র ঘটনা, এরকম অনেক হয়েছে।"
"প্রতিবারই চোরবাগানের প্যান্ডেলে ভিড় হয় কিন্তু এই বছর অতিরিক্ত ভিড় হয়েছিল।"
অবশ্য অনেক দর্শনার্থী অভিযোগ করেছেন, সরু প্রবেশপথ ও নির্গমনপথের কারণে ঘটনা আরও ভয়ঙ্কর রূপ নেয়।
End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়তে পারেন

ছবির উৎস, Pracheta Panja/BBC
কলকাতা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
প্রতি বছর দুর্গা পুজোর সময়ে ভিড় ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় কলকাতা পুলিশের ভূমিকা বহু মানুষের কাছেই সমাদৃত হতো।
এমনকি সারা ভারতে বিভিন্ন রাজ্যে কলকাতা পুলিশের দুর্গাপুজোকালীন ব্যবস্থাপনা একটি 'কেস স্টাডি' হিসেবে উত্থাপিত হয়।
কিন্তু এই বছর চিত্রটা অনেকটাই আলাদা বলছেন অনেকে।
সল্টলেক অঞ্চলের এক বাসিন্দা বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, তিনি গাড়ি নিয়ে চিৎপুরে অবস্থিত কলকাতা স্টেশনের দিকে যাওয়ার জন্য রাস্তা খোলা নাকি বন্ধ তা জানতে লালবাজার হেল্পলাইনে ফোন করেছিলেন। কিন্তু তারা জানাতে পারেননি একাধিক রাস্তা খোলা না বন্ধ।
তিনি বলেন, "রাস্তা বন্ধ, কিন্তু পুলিশের কাছেই তথ্য নেই, এই ঘটনা কলকাতার বাসিন্দা হিসেবে আমার কাছে নতুন।"
অন্যদিকে কলকাতার বহু বাসিন্দা এবছর দুর্গাপুজোয় ভিড় সামলানোর ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় এবছর যানজট অনেক বেশি এবং রাস্তা কখন কোথায় বন্ধ সেই নিয়ে তথ্যের অভাব আছে।
কলকাতা পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সানাউল্লাহ খান বিবিসি বাংলাকে বলেন, "আগে যারা কলকাতায় দুর্গা পুজোর ভিড় ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিল, তাদের এখন বাংলার অন্যত্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে উত্তরপ্রদেশ ও বিহারের ক্যাডার থেকে বহু কর্মকর্তাকে কলকাতা পুলিশে জায়গা দেওয়া হয়েছে যাদের অধিকাংশেরই কলকাতার পুজোর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে অভিজ্ঞতা নেই।"

ছবির উৎস, Pracheta Panja/BBC
পাঁচ মিনিটের মুষলধারে বৃষ্টি দায়ী?
প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে যেসব বয়ান পাওয়া গেছে, সে অনুযায়ী, সন্ধ্যায় চোরবাগান সর্বজনীনের মণ্ডপে হাজার হাজার মানুষের ভিড় হয়েছিল।
সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ প্রবল বৃষ্টি শুরু হলে বহু মানুষ সরু রাস্তা ও গলির মধ্যে অবস্থিত এই পুজো মণ্ডপের ভিতরে আশ্রয় নিতে ছুটে যান।
অন্য দিকে, মণ্ডপের ভিতরে থাকা দর্শনার্থীরা বাইরে বেরোতে পারছিলেন না। বাইরে বৃষ্টির মধ্যে আটকে পড়া মানুষও ভিতরে ঢোকার জন্য ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন।
পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখার্জি বলেছেন, "বৃষ্টির জন্য প্রেশার কুকার এফেক্ট তৈরি হয়ে গিয়েছিল। হঠাৎ বৃষ্টি নামায় ভিতরের লোক বাইরে যেতে চাইছিলেন না ও বাইরে থেকে দর্শনার্থীরা ভিতরে ঢুকতে চাইছিলেন।"
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশের সহকারী কমিশনারের দেওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, একটি বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার ঘোষণা এবং কিছু হুইসেল বাজানোর পর এই ঘটনার সূত্রপাত হয়।
ঘটনাস্থল থেকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে শোনা যাচ্ছে যে বৃষ্টির মধ্যে প্যান্ডেলের ভিড় ব্যবস্থাপনা কর্মীরা মাইকে ঘোষণা করেন, বৃষ্টিতে প্যান্ডেল ভেঙে পড়তে পারে। তার পরেই হুড়োহুড়ি সৃষ্টি হয়।

ছবির উৎস, Dibyangshu SARKAR / AFP via Getty Images
পুজো কমিটি 'দখল', নতুন কমিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ
চোরবাগান অঞ্চলের বাসিন্দাদের দাবি, পুজোর আগে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটির সদস্যদের পদ ছেড়ে দিতে বাধ্য করা হয়।
এর পরে নতুন একটি কমিটি গঠন করা হয় যার মধ্যে রয়েছেন বিজেপি ঘনিষ্ঠ দেবদীপ অধিকারী, যিনি সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেই এই মণ্ডপটি উদ্বোধন করেছিলেন।
চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটির সাবেক সম্পাদক জয়ন্ত ব্যানার্জি ও তার মেয়ে প্রত্যুষা ব্যানার্জির ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তি অনিন্দ্য ভৌমিক সামাজিক মাধ্যমে অভিযোগ করেছেন যে "প্রত্যুষারা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিল না। জোর করে তাদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দুর্গাপুজোর আগে সাবেক কমিটি খুঁটিপুজো করে ফেললেও বিজেপির নেতারা ক্লাব দখল করে নতুন করে খুঁটিপুজো করে ও আগে থেকে নির্মিত মায়ের আবক্ষ মূর্তি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়।"
চোরবাগান অঞ্চলের এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, "নতুন এই কমিটি শুরুর দিন থেকেই ভিড় সামলাতে ব্যর্থ হচ্ছিল। হাতে গোনা কয়েকজন পুলিশ এবং গেরুয়া টিশার্ট পরা স্বেচ্ছাসেবক ভিড় সামলানোর কাজ করছিলেন। কিন্তু এই নতুন গঠিত হওয়া কমিটির নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকদের সংখ্যা ছিল হাতেগোনা।"
বিবিসি বাংলাকে ওই প্যান্ডেলের পেছনে বাড়ি এমন এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করে জানিয়েছেন, প্রতিবারের মতো এবারও তার বাড়ির সামনে দিয়ে প্যান্ডেলের নির্গমন পথটি তৈরি হয়েছিল। কিন্তু প্রতিবারের মতো এবারে পুজো কমিটির কোনও স্বেচ্ছাসেবক সেখানে মানুষের সাহায্যের জন্য উপস্থিত ছিলেন না।
চোরবাগান সর্বজনীন ক্লাবের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও সেই ফোনের জবাব কেউ দেননি।
এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন সাবেক সম্পাদক জয়ন্ত ব্যানার্জি ও তার মেয়ে প্রত্যুষা ব্যানার্জি। সামাজিক মাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন যে পুজোর সময় তারা এবার কলকাতায় নেই। পুরীতে অবস্থান করছেন ও জগন্নাথের কাছে মৃতদের আত্মার শান্তি বিধান করার প্রার্থনা জানিয়েছেন। এই ঘটনা ভাবনার অতীত বলেও জানিয়েছেন তিনি।
নগরোন্নয়ন ও নগর পরিকল্পনা সংক্রান্ত প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাই জানিয়েছেন যে, এই ঘটনার তদন্ত করছে কলকাতা পুলিশ, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ছাড় দেওয়া হবে না।









