আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
মারধরের পর ছাত্রলীগ পরিচয়ে কারাগারে, যা ঘটেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
- Author, সজল দাস
- Role, বিবিসি নিউজ বাংলা
- Published
- পড়ার সময়: ৬ মিনিট
প্রক্টর অফিসে প্রথম দফায় মারধরের পর লাইব্রেরিতে ঢুকেও রেহাই মেলেনি। অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়েও দেওয়া হয় আরেক দফা পিটুনি। শেষমেষ ছাত্রলীগ পরিচয়ে দুইজনকে তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নেতাদের এই কর্মকাণ্ড বাংলাদেশে নানা আলোচনা সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
এই ঘটনা ঘিরে গত দুইদিন দেশজুড়েই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রতিষ্ঠানটির কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ এবং শিবির নেতাদের বিরুদ্ধে মব তৈরি এবং অযাচিত হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন অনেকেই।
এছাড়া তিন দফা মারপিটের পর দুইজনকে ছাত্রলীগ পরিচয়ে পুলিশের গ্রেফতার করার বিষয়টি ক্যাম্পাসে ট্যাগিংয়ের রাজনীতির পুনরাবৃত্তি কিনা এমন প্রশ্নও সামনে এনেছে।
এদিকে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ঘটনায় আটক দুইজনকে মঙ্গলবার "সন্ত্রাস বিরোধী আইনে" গ্রেফতার দেখিয়ে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
এরপর থেকেই ছাত্রদল, ছাত্রশিবির এবং ছাত্র সংসদ নেতাদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলেও জানা গেছে।
ক্যাম্পাসে বহিরাগত প্রবেশ এবং মবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়ে কর্মসূচি পালন করেছে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন।
মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নতুন করে কোনো সংঘাতের ঘটনা না ঘটলেও অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র মো. গাজিউর রহমান।
এছাড়া ঘটনা তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কাজ শুরু করেছে বলেও জানা গেছে।
মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি পরিদর্শনের পাশাপাশি তদন্ত কমিটি বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মাহবুবুর রহমান।
ঘটনাটিকে 'খারাপ দৃষ্টান্ত' হিসেবে উল্লেখ করে মি. রহমান জানান, আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেবে তদন্ত কমিটি।
ঘটনার শুরু যেভাবে
রোববার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কৃত বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী একই বিভাগের আরেক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তোলেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে রোববার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান অভিযুক্তদের নিয়ে একটি সভায় বসলে সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী আনাস আহাম্মেদ ও হাসিবসহ কয়েকজন উপস্থিত হয়ে প্রক্টরের সঙ্গে তর্কে জড়ান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন।
এর জের ধরে সোমবার দুপুরে প্রক্টর দপ্তরে পুনরায় সভা ডাকা হয়। যেখানে উপস্থিত হয়ে আনাস আহাম্মেদকে নিষিদ্ধ ঘোষিত 'ছাত্রলীগ কর্মী' হিসেবে দাবি করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বা রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার।
এ সময় প্রক্টরের দপ্তরেই আনাসকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে প্রক্টরের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সাময়িক শান্ত হলে শিক্ষার্থীরা কার্যালয় ত্যাগ করেন।
কিন্তু দুপুরের পরে আনাস আহাম্মেদ এবং তার সঙ্গীদের বিরুদ্ধে ছাত্র সংসদ ভবনে হামলার অভিযোগ তোলেন রাকসু নেতারা। যে ঘটনায় রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বি এম নাজমুস সাকিব আহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়।
এর পরপরই রাকসু ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা ধাওয়া করলে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির পাঠকক্ষে গিয়ে আশ্রয় নেন আনাস আহাম্মেদ এবং তার সঙ্গীরা।
এসময় লাইব্রেরির ভেতরেই আনাস ও তার সঙ্গীদের মারধর শুরু করেন সালাউদ্দিন আম্মারসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল টিম ও সেখানে উপস্থিত সাধারণ শিক্ষার্থীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও থামানো যায়নি।
এমনকি আহত শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসানকে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময়ও প্রক্টরিয়াল বডির সামনে তাকে টেনে নামিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এই ঘটনায় রাকসুর সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দীন আম্মারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। ঘটনার সময় লাঠি হাতে তার অবস্থান, উত্তেজিত বক্তব্য এবং মারপিটের একাধিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি আমলে নেওয়ার পরও ছাত্র সংসদের নেতারা অযাচিত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন কেউ কেউ।
যদিও এই অভিযোগ সঠিক নয় বলে মত রাকসুর সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দীন আম্মারের। তিনি বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি ছাত্র সংসদকেও এই ঘটনা নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছিলেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী।
"শিক্ষার্থীর তো আমার এখানেও অভিযোগ আসছে। আমি সবসময় আপডেট রাখছিলাম, আমার এজিএস ফুল টাইম ছিলেন। রাকসু অযাচিত হস্তক্ষেপ করার তো সুযোগ নাই, এটা তো কোনো পলিটিকাল অরগানাইজেশন না, শিক্ষার্থীদের সমস্যা তো আমাকে দেখতে হবে," বিবিসি বাংলাকে বলেন তিনি।
তবে যে দুই ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে, তারা পুলিশ হেফাজতে থাকায় তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। যদিও মারধরের একাধিক ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
আবারও কী ট্যাগের রাজনীতি?
আবারও কী ট্যাগের রাজনীতি?
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক ট্যাগিং নতুন নয়। অতীতে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ছাত্রদল কিংবা ছাত্র শিবির ট্যাগ দিয়ে মারধর, আবাসিক হল থেকে বের করে দেওয়া কিংবা পরীক্ষায় অংশ নিতে না দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক সংঘাত ও মারপিটের ঘটনায় দুইজনকে ছাত্রলীগ পরিচয়ে গ্রেফতারের পর- বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আবারও 'রাজনৈতিক ট্যাগ' দেওয়ার সংস্কৃতি ফিরছে কিনা এমন প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।
সংঘাত, মারপিটের এই ঘটনায় আনাস আহাম্মেদ ও মাহমুদুল হাসান নামে দুজনকে মূলত ছাত্রলীগ পরিচয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। যারা ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই ঘটনায় অভিযুক্তের পক্ষে এই দুজন আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত একাধিক গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে যে, এই ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া আনাস ও হাসান ছাত্রলীগের পদধারী কোনো নেতা ছিলেন না। তবে তাদেরকে সংগঠনটির বিভিন্ন কর্মসূচিতে দেখা গেছে বলেও জানিয়েছেন কেউ কেউ।
যদিও প্রশাসনিক পদক্ষেপের বদলে তাদেরকে এভাবে মারধরের সমালোচনা করেছেন শিক্ষার্থীদের অনেকে। সাম্প্রতিক নানা ঘটনাক্রমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনেকে।
"ক্যাম্পাসে হলে থাকতে অনেক শিক্ষার্থীকে রাজনৈতিক মিছিল-মিটিংয়ে যেতে হয়েছে কিংবা অনেক সময় ছাত্রলীগ করে এমন বন্ধুর সঙ্গে ছবিও থাকতে পারে। তাই বলে তাকে আপনি ট্যাগ দিয়ে মারধর করবেন, এই সংস্কৃতি তো আগে ছিল," বিবিসি বাংলাকে বলেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং পুলিশের উপস্থিতিতেই মারধরের ঘটনায় তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনেকে।
"ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবির এবং ছাত্রদল মুখোমুখি অবস্থানে আছে। দখল পাল্টা দখলের রাজনীতিতে কখন যে কী হয় এমন একটা শঙ্কা সবসময়ই আমাদের মধ্যে রয়েছে," বিবিসি বাংলাকে বলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষার্থী।
এদিকে, গ্রেফতার দুজনই স্বীকৃত ছাত্রলীগ কর্মী বলে উল্লেখ করেছেন রাকসু নেতা সালাহউদ্দিন আম্মার। তার দাবি, গ্রেফতারকৃতদের মোবাইল ফোনের বিভিন্ন তথ্য এবং ছবি যাচাই করে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
"এরা যে ছাত্রলীগ এটা স্বীকৃত, অল এভিডেন্স এখানে আছে। একাধিক ভিডিওতে সে নিজে স্বীকার করেছে যে সে ছাত্রলীগের রাজনীতি করে," বিবিসি বাংলাকে বলেন তিনি।
পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে উত্তেজনা
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সংঘাতের পর এই ঘটনা নিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান নিয়েছেন ছাত্রসংসদ ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা। যা অস্থিরতা আরও বাড়িয়ে তোলে কিনা এমন শঙ্কা তৈরি করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে।
ছাত্র সংসদ ও ছাত্র শিবিরের নেতাদের বিরুদ্ধে আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে মব সৃষ্টির অভিযোগ তুলেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী।
তিনি বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা অনিশ্চিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ছাত্র সংসদকে সামনে রেখে ছাত্রশিবিরের নেতারা ক্যাম্পাসে নানা অপকর্ম করছে বলেও দাবি তার।
"অতীতে সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগ যেভাবে মারধর করে যে কাউকে ট্যাগিং করে পুলিশের হাতে তুলে দিত ঠিক একই কালচারের পুনরাবৃত্তি করেছে শিবির," বিবিসি বাংলাকে বলেন মি. রাহী।
এছাড়া ছাত্রলীগ বলে যাদেরকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে তারা মূলত শিবির কর্মী বলেও দাবি তার।
মি. রাহী বলছেন, "এখন যাদেরকে তারা ছাত্রলীগ বলে মারধর করছে তিনমাস আগে প্যারিস রোডে তারাই সাধারণ শিক্ষার্থী পরিচয়ে শিবিরের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিল।"
অন্যদিকে, ছাত্রদলের বিরুদ্ধে- 'সন্ত্রাসী সংগঠন' হিসেবে নিষিদ্ধ হওয়া ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদেরকে আশ্রয় দেওয়ার পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ এবং ছাত্রশিবিরের নেতারা।
তারা বলছেন, ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মীকে কৌশলে আশ্রয় দিয়েছে ছাত্রদল। এমনকি ক্যাম্পাসে সাম্প্রতিক ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া আনাস আহাম্মেদ আগে ছাত্রলীগ করলেও সরকার পরিবর্তনের পর ছাত্রদলে যোগ দিয়েছিল বলেও দাবি তাদের।
সোমবারের হামলায় ছাত্রশিবিরের সম্পৃক্ততার বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলছেন, "শিবিরের কেউ এতে জড়িত ছিল না। রাকসুর ভাইদের ওপর হামলার খবর পেয়ে আমরা সেখানে যাই।"
ছাত্রদলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মারও।
বিবিসি বাংলাকে তিনি বলছেন, "ছাত্রলীগ করার নানা তথ্য প্রমাণ থাকার পর ছাত্রদল তাদেরকে সংগঠনে নিয়েছে। এখন সেই ছাত্রলীগ কর্মীরাই এখন ছাত্রদলের নাম ব্যবহার করে ক্যাম্পাসে অপতৎপরতা চালাচ্ছে।"
এদিকে, ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মাহবুবুর রহমান। সংঘাতের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
"কার কতটুকু দায়িত্ব সেটা বুঝতে হবে। এই ধরনের ঘটনা দেখভালের দায়িত্ব সম্পূর্ণরূপে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের, অন্য কারো এখানে দায়িত্ব নেওয়ার সুযোগ নাই। এই ঘটনাটিকে খুবই খারাপ দৃষ্টান্ত হিসেবেই দেখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন," বিবিসি বাংলাকে বলেন মি. রহমান।