বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মাইন আতঙ্কের শেষ কোথায়?

    • Author, সজল দাস
    • Role, বিবিসি নিউজ বাংলা
  • Published
  • পড়ার সময়: ৭ মিনিট

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় মাইন বিস্ফোরণে একের পর এক হতাহতের ঘটনা, সীমান্ত ঘেঁষা অঞ্চলে বসবাসরত বাংলাদেশের নাগরিকদের কাছে আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মাইন বিস্ফোরণে হতাহতের এসব ঘটনায় সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে চলমান অস্থিরতার প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশেও। নিজ ভূখণ্ডে থেকেও অন্য দেশে চলা যুদ্ধে হতাহত হচ্ছেন বাংলাদেশের অনেক নাগরিক।

মিয়ানমার সীমান্ত ঘেঁষা বাংলাদেশের নাইক্ষ্যংছড়ি ও উখিয়া এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, প্রতিবেশী দেশের অভ্যন্তরীণ যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরেই তাদের অশান্তির কারণ হয়ে উঠেছে।

বুধবার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন এক বাংলাদেশি যুবক। এর কদিন আগেই একই সীমান্তে মৃত্যু হয় আরেকজনের।

গত ২৪শে মে নাইক্ষ্যংছড়ির ভালুকিয়া এলাকায় মাইন বিস্ফোরণে একজন রোহিঙ্গা নাগরিকসহ চারজন নিহত হন। এছাড়া টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে জেলেদেরকে অপহরণের মতো ঘটনাও ঘটছে।

এমন পরিস্থিতিতে সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা নজরদারি এড়িয়ে এত মাইন আসলো কীভাবে? এই প্রশ্নও সামনে আসছে।

মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির নানা সমীকরণ বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে বেশ জটিল পরিস্থিতি তৈরি করেছে বলেই মনে করেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের অনেকে।

তারা বলছেন, সীমান্ত এলাকায় মাইন বা বিস্ফোরক ব্যবহারের ক্ষেত্রে জেনেভা কনভেনশনে থাকা আন্তর্জাতিক নিয়মনীতিও বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মানা হচ্ছে না।

সীমান্ত এলাকায় নিজেদের উপস্থিতি বাড়ানোর মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী- বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি।

আর কদিন আগেই মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি জানিয়েছেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সীমান্ত হত্যা, অনুপ্রবেশ, মাদক, অস্ত্র, গোলাবারুদ, আন্তঃসীমান্ত বিভিন্ন অপরাধ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে সমন্বিত পদক্ষেপ নিয়েছে বিজিবি।

এদিকে, সীমান্ত পরিস্থিতি ও রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তিন ধাপে কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ঝুঁকি বাড়ছে অরক্ষিত সীমান্তে

মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর সঙ্গে বিরোধীদের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মাইন বিস্ফোরণ কিংবা ওপার থেকে ছোড়া গোলার আঘাতে বাংলাদেশি নাগরিকদের হতাহতের ঘটনা ঘটছে।

সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের অনেকেই বলছেন, চোরাচালান কিংবা মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার অভিযোগ থাকলেও সম্প্রতি মাইন বিস্ফোরণের যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, তার অধিকাংশই বাংলাদেশ ভূখণ্ডের ভেতরে।

অর্থাৎ নিজ দেশের ভূখণ্ডে থেকেও হতাহতের শিকার হচ্ছেন অনেক বাংলাদেশি নাগরিক।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে বুধবার মাইন বিস্ফোরণে গুরুতর আহন হন বাংলাদেশি যুবক মোহাম্মদ শফি। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় তার।

নিহতের পরিবারের দাবি, বাংলাদেশ সীমান্তের ভেতরে ঘুমধুমের একটি পাহাড়ি এলাকায় কৃষি জমিতে কাজ করতে গিয়ে মাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় আহত হয় সে।

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকার ৪১ নম্বর সীমান্ত পিলার এলাকায় কাজ করতে গিয়ে ওই ব্যক্তি আহত হন বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, বিজিবি ৩৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম।

তবে ঘটনাটি বাংলাদেশ সীমান্তের ভেতরে, নাকি শূন্য রেখায় ঘটেছে- এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি।

"স্থানীয়রা আমাদেরকে জানিয়েছেন যে, নিহত ব্যক্তি আমাদের সীমান্তের ভেতরেই আহত হয়েছেন, কিন্তু আমরা এখনও নিশ্চিত হতে পারিনি, দুর্গম পাহাড়ি ওই এলাকায় আমাদের টিম কাজ করছে," বিবিসি বাংলাকে বলেন মি. আলম।

বিজিবির এই কর্মকর্তা বলছেন, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের পাহাড়ঘেরা ওই অংশে কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় সাধারণভাবে সীমান্তরেখা বোঝা কঠিন।

এর ফলে ভৌগোলিক অবস্থানের সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করে অনেক গোষ্ঠী।

এমনকি যখন থেকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাত শুরু হয়েছে, তখন থেকেই ঘুমধুমসহ দুর্গম সীমান্ত এলাকাগুলোতে বিভিন্ন গোষ্ঠী তৎপরতা বাড়ানোর চেষ্টা করেছে।

"ওই সময় তাদের ফেলে যাওয়া অস্ত্র কিংবা বিস্ফোরক ওইসব এলাকায় থাকতে পারে। সীমান্তের অরক্ষিত অংশে সাধারণ মানুষের চলাচল বন্ধ করতে সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালাচ্ছি আমরা," বিবিসি বাংলাকে বলেন মি. আলম।

এক্ষেত্রে বাংলাদেশ সীমান্তে দ্রুত কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে সীমান্ত সুরক্ষিত করার কথা বলছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক ড. নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ।

তিনি বলছেন, মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্তের বেশিরভাগ এলাকায় পাহাড় এবং জঙ্গল ঘেরা হওয়ায় এসব এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো নয়।

ফলে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী ওই এলাকাগুলোকে তাদের যাতায়াতের রুট হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করে।

"বিজিবির সক্ষমতা আগের থেকে অনেক বাড়ানো হয়েছে, সীমান্ত এলাকায় নজরদারিও জোরদার করেছে বিজিবি, কিন্তু পাহাড় ঘেরা দুর্গম ওইসব এলাকায় দিনরাত সবসময় নজরে রাখা কঠিন কাজ," বিবিসি বাংলাকে বলেন মি. আহাম্মেদ।

ঝুঁকি জেনেও সীমান্তে কেন?

মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংকট শুরুর পর থেকেই দেশটির সাথে সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হতাহতের ঘটনা থামানো যাচ্ছেনা কেন?

এক্ষেত্রে সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালানসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ যেমন রয়েছে, তেমনি সীমান্তে কাজ করতে গিয়ে অনেক সাধারণ মানুষের হতাহতের ঘটনাও সামনে আসছে।

মিয়ানমারে অস্থিরতার সুযোগে সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক চোরাচালান বেড়েছে বলেও জানান বান্দরবানের স্থানীয় সংবাদকর্মী রতন কুমার দে।

তিনি বলছেন, "মাদক কিংবা চোরা কারবারিদের চলাচল আছে, কিন্তু মাইন বিস্ফোরণে যারা নিহত হচ্ছেন তাদের অনেক সাধারণ মানুষ, নিজের জমিতে কাজ করতে গিয়ে হতাহত হয়েছেন।"

এছাড়া পাহাড় ঘেরা অনেক এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় ভুল করেও অনেকে সীমান্তের ওপারে চলে যান বলেও জানান তিনি।

ঘুমধুম ইউনিয়নের প্রশাসক রিমন রুদ্র বলছেন, "নিজেদের জমি থেকে ফসল সংগ্রহ করবে, সেখানে মাইনের আঘাতে হতাহত হচ্ছে। গত মাসেও বাংলাদেশ সীমান্তের ভেতরে নিজেদের জমিতে কাজ করতে গিয়ে তিনজন নিহত হয়েছেন।"

মি. রুদ্র জানান, স্থানীয়দের নিরাপত্তার স্বার্থে সীমান্তবর্তী দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় চলাচলের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে বলেছে বিজিবি।

সীমান্তের অরক্ষিত এলাকায় না যেতে স্থানীয় পর্যায়ে নানা ধরনের সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে বলে জানান, বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস।

তিনি বলছেন, বিজিবির মাধ্যমে যে-সব এলাকায় কৃষি জমি আছে সেসব এলাকায় সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালাচ্ছে বিজিবি।

"সীমান্তের পাঁচ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকা যেহেতু বিজিবির নিবীড় তত্ত্বাবধান করে, ওই এলাকায় সাধারণ প্রশাসনের সরাসরি খুব বেশি কিছু করার নেই," বিবিসি বাংলাকে বলেন তিনি।

সমাধানের পথ কী?

গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্তে স্থল মাইন বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা সংকটের সময়ে স্থল মাইন বিস্ফোরণের খবর বেশি আসতে শুরু করে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক ড. নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ বলছেন, বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকা নদী, পাহাড় এবং সমতল মিশ্রিত দুর্গম এলাকা, যেখানে যাতায়াত ব্যবস্থাও কঠিন।

বিবিসি বাংলাকে তিনি বলছেন, "ওই সীমান্তটা আসলে কার নিয়ন্ত্রণে এটা বলা বেশ কঠিন। কারণ সীমান্তের এই অংশে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীকে সরিয়ে আরাকান আর্মি নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

"এখানে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই। আবার আরাকান আর্মির বিরুদ্ধেও স্বাধীনতাকামী সংগঠন, জঙ্গি সংগঠন, বিদ্রোহী সংগঠনসহ নানা নামে তৎপর আছে অনেক গোষ্ঠী," বলেন তিনি।

ফলে সীমান্তে মূলত কারা মাইন পুঁতে রাখছে, বিষয়টি চিহ্নিত করা বেশ কঠিন বলেই মনে করেন মি. আহাম্মেদ।

তিনি বলছেন, জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী সীমান্ত এলাকায় মাইন স্থাপনের নির্ধারিত নিয়ম থাকলেও প্রচলিত বাহিনী না থাকায় এই সীমান্তে বিষয়টি ভিন্ন।

"মাইন পাতা হলে আলাদা করে জায়গাটাকে চিহ্নিত করে দিতে হয়। কারণ মাইনের উদ্দেশ্য হলো শত্রু আক্রমণকে ধীর করে দেওয়া। কিন্তু এখানে শত্রু অজানা, জেনেভা কনভেনশন মানার কোনো বিষয়ও এখানে নাই," বিবিসি বাংলাকে বলেন তিনি।

মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতে জড়িত যে-কোনো পক্ষ নিজেদেরকে নিরাপদ রাখতেও মাইন পেতে রাখতে পারে বলেও মনে করেন এই বিশ্লেষক।

তিনি বলছেন, "আমরা কোনো কোনো গোষ্ঠীকে সীমান্ত পার করে বাংলাদেশ অংশে চাঁদাবাজি করতে শুনেছি, বৈশাখি অনুষ্ঠানেও অস্ত্রসহ যোগ দেওয়ার ছবি গণমাধ্যমে এসেছে। কিন্তু কখনও শুনেছেন যে মাইন বিস্ফোরণ হয়ে তাদের কোনো ক্ষতি হয়েছে?"

বিজিবিকে সীমান্তের ওই অংশে অভিযান চালাতে হলে এই মাইন জোনগুলো পার করেই এগোতে হবে বলেও মনে করেন মি. আহাম্মেদ। "তার মানে যারা মাইনগুলো পাতছে, তারা খুব সচেতনভাবেই এগুলো বিভিন্ন অংশে বসিয়েছে," বিবিসি বাংলাকে বলেন তিনি।

এক্ষেত্রে সীমান্তে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর কথা বলছেন এই নিরাপত্তা বিশ্লেষক। এছাড়া বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার যে উদ্যোগ সরকার নিয়েছে সেটিও দ্রুত বাস্তবায়নের কথা বলছেন তিনি।

এদিকে, মিয়ানমার ইস্যুতে তিনটি বিষয়কে সামনে রেখে কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো হচ্ছে বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিয়ানমার অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. তৌফিক উর রহমান।

তিনি বলছেন, "তাদের ওখান থেকে মাঝে মাঝে গুলি বা বিস্ফোরক আসে বা মাইন অবিস্ফোরিত থাকে, এ সব ব্যাপারে আমরা মিয়ানমার দূতাবাসে, ঢাকায় যারা আছেন এবং ইয়াঙ্গুনে আমাদের যে দূতাবাস, তার মাধ্যমে তাদের সরকারের কাছে আমাদের কনসার্নগুলো পৌঁছে দেই।"

মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সমস্যা ঠিক না হলে বাংলাদেশের সীমান্ত, ঘরে তৈরি জটিলতা কিংবা রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান হওয়া কঠিন বলেও জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা।

এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক পরিসরে জনমত গঠন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা এবং কূটনৈতিক ফোরামে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা- এই তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ।

মি. রহমান বলছেন, "অনেক সময় ফান্ড সংকুচিত হয়, এ নিয়েও আমাদের ক্যাম্পেইন চালাতে হয়। আমাদের প্রায়োরিটি এজেন্ডার সঙ্গে সহায়ক দাতা সংস্থাগুলোর চিন্তা অনেক সময় ভিন্ন হয়, সেটি নিয়েও কাজ করতে হয়"

এছাড়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বাস্তুচ্যুত করা এবং তাদের ওপর নির্যাতন করার পেছনে কারা দায়ী, সেই বিষয়টাও কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে তুলে ধরে বাংলাদেশ।

"আন্তর্জাতিক আদালতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা চলমান, পৃথিবীর অনেক দেশ, সচেতন নাগরিক বা মানবাধিকার সংগঠন মামলা করেছেন, এসব বিষয়েও আমাদের কাজ করতে হয়। যাতে এই দিকগুলো সচল থাকার মধ্য দিয়ে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ একটা চাপে থাকে," বলেন তিনি।