পত্রিকা: 'দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: জেদ্দায় অবহেলা, ঢাকায় নেই জবাবদিহি'

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান শিরোনাম— Execution of two Bangladeshis: Officials' negligence, inaction left them to die; অর্থাৎ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: জেদ্দায় অবহেলা, ঢাকায় নেই জবাবদিহি।

এই খবরে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে সৌদি আরবে যে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, তাদের বাঁচাতে জেদ্দায় বাংলাদেশ মিশনের কোনো কর্মকর্তা সামান্য চেষ্টাও করেননি।

তাতে বিপদের সময় আইনি সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রবাসী কূটনীতিকদের চরম অবহেলা ও নিষ্ক্রিয়তার চিত্রটি আবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, দুই নাগরিক যে কারাগারে আটক আছেন, তা মিশন কর্মকর্তারা জানতেন। তবে ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা দিতে তাদের চরম ব্যর্থতার কারণেই মূলত এত দ্রুত এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়ে গেছে।

একইভাবে ঢাকায় সরকারের ভূমিকাও বেশ হতাশাজনক।

সরকার বারবার বলছে, তারা রিয়াদের কাছ থেকে আইনি নথিপত্র চেয়েছে। তবে জেদ্দা বা রিয়াদের অবহেলাকারী কর্মকর্তাদের কাছে কৈফিয়ত চাওয়া হয়েছে কি না, কোনো তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না— তা পরিষ্কার করেনি।

প্রশাসনে ঘন ঘন রদবদল, স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ— বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সচিবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অল্প সময়ের ব্যবধানে নিয়মিতভাবে রদবদলের ঘটনা ঘটেছে।

প্রশাসনে ঘন ঘন রদবদলে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন অনেকে।

কোনো নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সচিবদের দপ্তর পরিবর্তন অস্বাভাবিক নয় বলে মনে করেন জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা।

তবে অল্প সময়ের ব্যবধানে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের ঘন ঘন বদলি প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা, কাজের ধারাবাহিকতা ও কর্মকর্তাদের কর্মপ্রেরণায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

পদায়নের পর কাজের মূল্যায়ন কিংবা কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দায়িত্ব বা দপ্তর পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত থাকা এক সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেমভন, 'মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোয় সচিব পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারের মধ্যে এক ধরনের দ্বিধাদ্বন্দ্ব দেখা যাচ্ছে। কোনো কর্মকর্তাকে একটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়ার কিছুদিনের মধ্যেই তাকে সেখান থেকে সরিয়ে অন্যত্র বদলি করা হচ্ছে।'

সড়কে হারাচ্ছে প্ৰজন্ম, নিহতের ২৪% শিশু— সমকালের প্রধান খবর এটি।

এতে বলা হয়েছে, বেসরকারি সংস্থা রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছয় বছর ৯ মাসে সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত সাত হাজার ৯৬৩ শিশু নিহত হয়েছে, যাদের বছর ১৭ বছরের কম ছিল।

যে ঘটনাগুলো সংবাদমাধ্যমে এসেছে, শুধু সেগুলোই এই পরিসংখ্যানে এসেছে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও পুলিশের তথ্যানুযায়ী, একই সময়ে ৩৩ হাজার ৬৮৯ জনের প্রাণ গেছে সড়ক দুর্ঘটনায়। এ হিসাবে সড়কে প্রাণ হারানোদের কমপক্ষে এক-চতুর্থাংশ শিশু।

এমন পরিস্থিতিতে দেশে আজ পালিত হবে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সড়ক নির্মাণে ত্রুটি, ভুল নকশা, লাইসেন্সবিহীন চালকের নিবন্ধনহীন যানবাহনের কারণে গ্রামীণ সড়কে শিশুর প্রাণ যাচ্ছে।

পরিসংখ্যানে যে তথ্য আসছে তার চেয়ে মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি। কারণ, সব ঘটনার তথ্য সংবাদমাধ্যমে আসে না।

এছাড়া, মামলা না হওয়ার কারণে প্রকৃত সংখ্যাও জানা যায় না।

সুন্দরবনে এলএনজি টার্মিনাল হলে প্রতিবেশগত ঝুঁকি বাড়বে— প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তন, মোংলাকেন্দ্রিক শিল্পকারখানা ও রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দূষণসহ নানা কারণে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন নানামুখী সংকটের মধ্যে আছে।

এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানিসংকট নিরসনে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য সম্ভাব্য জায়গা হিসেবে ভাবা হচ্ছে সুন্দরবনের ভেতর জীববৈচিত্র্যগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আকরাম পয়েন্ট ও সুন্দরবন-সংলগ্ন নলিয়ান গ্রাম।

সুন্দরবনের শিবসা ও পশুর নদ যেখানে মিলেছে, সেই মোহনা আকরাম পয়েন্ট। এই পয়েন্টের দুই কিলোমিটারের মধ্যে এক পাশে সুন্দরবন দক্ষিণ বন্য প্রাণী অভয়ারণ্য ও অন্য পাশে সুন্দরবন পূর্ব বন্য প্রাণী অভয়ারণ্য। এ দুটি অভয়ারণ্যই ইউনেসকো ঘোষিত বিশ্ব-ঐতিহ্যের অংশ।

এছাড়া, শিবসা নদী-সংলগ্ন নলিয়ান গ্রাম সুন্দরবনের অংশ না হলেও এটি সুন্দরবনের চারপাশে ১০ কিলোমিটার এলাকা নিয়ে গঠিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকার অংশ।

পরিবেশ ও বনবিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এমন পরিস্থিতিতে এ ধরনের জ্বালানি অবকাঠামো সুন্দরবনকে আরও ঝুঁকিতে ফেলবে।

তারা বলছেন, এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সিদ্ধান্তে বিশ্ব-ঐতিহ্যের তালিকা থেকে সুন্দরবনকে সরিয়ে নিতে পারে ইউনেসকো।

এর আগে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাগেরহাটের রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের তীব্র বিরোধিতা করে ইউনেসকো। একপর্যায়ে বিশ্ব-ঐতিহ্য হিসেবে সুন্দরবনকে ঝুঁকির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করে।

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— শিশুর সাইবার হয়রানি বাড়ছে।

এই খবরে বলা হয়েছে, শিশুদের সাইবার হয়রানির শিকার হওয়ার ঘটনা দিন দিন বাড়ছে।

ন্যাশনাল চাইল্ড হেল্পলাইনের তথ্য বলছে, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে শিশুদের সাইবার হয়রানির শিকার হওয়ার ঘটনা বেড়েছে ৪২ শতাংশ, যা শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাতে মোবাইল ফোন পেয়ে শিশুরা অনলাইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সম্পর্কে আাগ্রহী হয়ে উঠছে। আবার কখনো কখনো অভিভাবকেরাই পড়াশোনা, যোগাযোগ কিংবা বিনোদনের জন্য বয়স বাড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশুর অ্যাকাউন্ট খুলে সাইবার বিপদের ঝুঁকি বাড়াচ্ছেন।

এজন্য অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও তদারকির পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং শিশু নির্যাতনসংক্রান্ত অপরাধ তদন্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম— খাদ্যে কঠোর নজর।

এই খবরে বলা হয়েছে, ভেজাল ও দূষিত খাদ্যের ঝুঁকি মোকাবেলায় দেশের খাদ্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

যার ফলে রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকান থেকে শুরু করে রাস্তার পাশের পিঠা, পুরি ও পিঁয়াজুর দোকানকেও নিবন্ধনের আওতায় আসতে হবে।

আগামী ১ নভেম্বর থেকে নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার জন্য নিবন্ধন এবং বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যের উৎপাদন ও বিপণনে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক হচ্ছে।

যদিও নতুন এ ব্যবস্থা কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে নিয়মিত নজরদারি ও আইনের যথাযথ প্রয়োগের ওপর।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) এক গবেষণায় সারাদেশ থেকে সংগৃহীত খাদ্য নমুনার ৫২ শতাংশ দূষিত পাওয়ার তথ্য উঠে এসেছে।

অন্যদিকে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খাদ্যে অনিয়মের বিরুদ্ধে ৭৪৪টি মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালনা করেছে কর্তৃপক্ষ।

সীমান্তজুড়ে ভারতের সামরিক বলয়— নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সীমান্তঘেঁষে সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে ব্যাপক তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে ভারত। অল্প সময়ের মধ্যে নতুন সেনাঘাঁটি, সেনা স্টেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) কমান্ড সেন্টার, ড্রোন ও অ্যান্টি-ড্রোন ব্যবস্থা এবং বহুস্তরের আকাশ প্রতিরক্ষা গড়ে তোলা হচ্ছে।

এসব উদ্যোগের কেন্দ্রে রয়েছে শিলিগুড়ি করিডোর, যা 'চিকেনস নেক' নামে পরিচিত।

এই তৎপরতা দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

সম্প্রতি গোয়েন্দা সংস্থা, ভারতের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক সীমান্তের এত কাছে উচ্চপ্রযুক্তির স্থাপনা ও নতুন ফরওয়ার্ড বেস দুই দেশের পারস্পরিক আস্থার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং সীমান্তবাসীর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি মনস্তাত্ত্বিক অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) ফজল এ এলাহী আকবর বলেন, 'আন্তর্জাতিক আইনানুযায়ী সীমান্তের নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে কোনো স্থাপনা বা নির্মাণকাজ করতে হলে প্রতিবেশী দেশকে আগে জানাতে হয়। সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় কোনো অবকাঠামো গড়ে তোলা কিংবা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য। এটিই আন্তর্জাতিক রীতি।'

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— DMP lists 513 drug lords behind hotspots; অর্থাৎ ডিএমপির তালিকায় মাদক ব্যবসার মূল হোতা ৫১৩ জন।

এই খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি দুইটি ঘটনার পর ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মাদকের বিস্তার নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।

এরইমধ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এমন একটি তালিকা তৈরি করেছে, যারা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসার কেন্দ্রগুলো নিয়ন্ত্রণ করে বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই তালিকায় ৫১৩ জন ব্যক্তির নাম ওঠে এসেছে।

এই মাদক কারবারিরা বারবার কারাগারে গেলেও রাজনৈতিক প্রভাব এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কিছু সদস্যের সঙ্গে কথিত যোগসাজশ কাজে লাগিয়ে জামিনে বেরিয়ে আসে এবং পুনরায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যায়।

তালিকা অনুযায়ী, মিরপুর এলাকায় সবচেয়ে বেশি ১০১ জন প্রধান মাদক কারবারি রয়েছে। এছাড়া, মতিঝিলে ৭০ জন, ওয়ারীতে ৬০ জন, রমনা ও লালবাগে ৫৮ জন করে, গুলশান ও তেজগাঁওয়ে ৫৭ জন করে এবং উত্তরায় ৫২ জন মাদক কারবারি সক্রিয় রয়েছে।

সম্প্রতি ডিএমপির বিভিন্ন ইউনিটে তালিকাটি পাঠানো হয়েছে এবং সেখানে থাকা ব্যক্তিদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কারণ তাদের অনেকেই বর্তমানে পলাতক।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— Ctg building itself into climate danger; অর্থাৎ জলবায়ু ঝুঁকির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে চট্টগ্রাম।

এই খবরে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের প্রায় এক-চতুর্থাংশ অবকাঠামোগত এলাকা এমন জায়গায় অবস্থিত, যা তীব্র উপকূলীয় বন্যার সময় পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে। অথচ, এই এলাকাগুলোতেই শহরটির সম্প্রসারণ সবচেয়ে দ্রুতগতিতে ঘটছে।

গতকাল বুধবার প্রকাশিত এডিবির 'এশিয়া-প্যাসিফিক ক্লাইমেট রিপোর্ট ২০২৬'-এ এই তথ্য উঠে এসেছে।

বন্দরনগরীতে ভবন, রাস্তাঘাট ও অন্যান্য অবকাঠামো দ্বারা আচ্ছাদিত এলাকার পরিমাণ ২০১৬ সালের ৬৬.১ বর্গকিলোমিটার থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ৭৩.৫ বর্গকিলোমিটারে দাঁড়িয়েছে।

২০১৬ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বন্যাপ্রবণ এলাকায় বসতি বা অবকাঠামোগত বিস্তারের হার ছিল ১৬.২ শতাংশ। সেই তুলনায় অপেক্ষাকৃত নিরাপদ ভূমিতে এই বিস্তারের হার ছিল ৯.৭ শতাংশ এবং পুরো শহরজুড়ে গড় বিস্তারের হার ছিল ১১.২ শতাংশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ০.৫ মিটারের বেশি গভীর বন্যার পানি ভবনগুলোর ক্ষতি করতে পারে এবং পানি সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন ও বিদ্যুৎব্যবস্থাকে ব্যাহত করতে পারে।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Bangladesh seeks $3.77b on top of WB loans for LNG import, food security in FY27; অর্থাৎ ঋণের পাশাপাশি ২০২৭ অর্থবছরে এলএনজি আমদানি ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বিশ্বব্যাংকের কাছে ৩.৭৭ বিলিয়ন ডলার চেয়েছে বাংলাদেশ।

এই খবরে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে বিশ্বব্যাংকের কাছে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ২.৭৭ বিলিয়ন ডলার প্রকল্প সহায়তা এবং অতিরিক্ত ১ বিলিয়ন ডলার সরাসরি বাজেট সহায়তা চেয়েছে।

এই অর্থ আর্থিক খাতকে স্থিতিশীল, উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধার এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার করার উদ্দেশ্যে চাওয়া হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মতে, প্রস্তাবিত এই জরুরি অর্থায়ন দিয়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি, ব্যাংকিং খাতে ব্যাপক সংস্কার এবং বড় ধরনের পরিবহন অবকাঠামো প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হবে।

চলতি অর্থবছরের এই চাহিদার পাশাপাশি, সরকার আগামী তিন বছরের জন্য নিয়মিত প্রকল্প বরাদ্দের বাইরে আরও ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ চেয়েছে।