পত্রিকা: 'স্থানীয় সরকার নির্বাচনে থাকছে না পোস্টার'

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

খবরে বলা হচ্ছে, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের (সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এবং উপজেলা, জেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচনি প্রচারে পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এসব নির্বাচনের আচরণ বিধিমালায় সংশোধনীর মাধ্যমে ইসি এ নিয়ম আরোপ করতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে নীতিগত এ সিদ্ধান্ত হয়।

ইতোমধ্যে ইসি সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আচরণ বিধিমালা এবং নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা সংশোধনীর খসড়া তৈরি করারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ইসি জানিয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ করার সুফল পাওয়া গেছে। এরই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও তা কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এতে পরিবেশদূষণ বন্ধ ও নির্বাচনি প্রচারে ভিন্নতা আসবে বলে মনে করছে কমিশন। দুজন নির্বাচন কমিশনার এবং একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ করে এসব তথ্য জানা গেছে।

খবরে বলা হচ্ছে, দেশে চলমান সংকট মোকাবিলায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মিলেমিশে এবং সমন্বয় করে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা। চার দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলন শেষে এমন বার্তা নিয়ে কর্মস্থলে ফিরছেন তারা।

পাশাপাশি দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করার পরামর্শও পেয়েছেন ডিসিরা।

বিএনপির সরকার গঠনের পর এটি ছিল প্রথম ডিসি সম্মেলন। এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের গতি ত্বরান্বিত করা, প্রশাসনকে আরও কার্যকর, জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এ ছাড়া জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাদক, কিশোর গ্যাং ও মব সন্ত্রাস দমনে প্রশাসনকে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়। একই সঙ্গে রাজস্ব আদায় বাড়াতে মাঠ প্রশাসনের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করা হয়।

ডিসি সম্মেলন শুরু হয় গত ৩রা মে। চার দিনের সম্মেলনে ২৮টি কর্ম-অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এবারের সম্মেলনে জেলা প্রশাসকরা ৪৯৮টি প্রস্তাব পেশ করেন। এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

'সড়কে, বস্তিতে ওরা চাঁদা তোলে, তারা আশ্রয় দেয়' প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানীর মহাখালী থেকে গুলশান যেতে হাতের বাঁ দিকে কড়াইল বস্তি। বস্তির পথে সড়কে-শখানেক অবৈধ দোকান। বস্তিটিতে ঘর আছে সাত হাজারের বেশি।

কড়াইল বস্তিকেন্দ্রিক অবৈধ দোকান, ঘরভাড়া ও সেবা-সংযোগ এবং নৌকার ঘাট থেকে মাসে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা তোলা হয় বলে পুলিশের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

তালিকায় এর চাঁদা তোলার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি হিসেবে নাম এসেছে কড়াইল বস্তি ইউনিট বিএনপির সদস্য মো. সাজিদ মিয়া, মো. হানিফ মিয়া; স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মো. বাদল মিয়া, মেহেদী হাসান মিশু ও মোহাম্মদ আলীর।

অন্যদিকে তাঁদের আশ্রয়দাতা হিসেবে নাম দেওয়া হয়েছে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও সিটি করপোরেশনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি-সমর্থিত সাবেক কমিশনার আবদুল আলিম (নকি) এবং ২০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য আবুল কালাম আজাদের।

'মাছ শিকারিরাই মানুষ শিকারে' কালের কণ্ঠের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় মানবপাচারের একটি চক্র গড়ে উঠেছে। চক্রটি সমুদ্রপথে মানবপাচার করে। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এই চক্রের শতাধিক এজেন্ট আছে।

গত ৮ই এপ্রিল আন্দামান সাগরে প্রায় পৌনে ৩০০ যাত্রী নিয়ে ট্রলারডুবির পর কক্সবাজারে মানবপাচার ও অপহরণের ঘটনাগুলো নতুন করে আলোচনায় আসে।

জানা গেছে, শুরুর দিকে বেশ কয়েক বছর 'শান্তিপূর্ণভাবে' মানবপাচারের মাধ্যমে বাজার তৈরি করে চক্রটি। মালয়েশিয়ায় পৌঁছানো কিছু যাত্রীর সফলতার গল্প বেশি বেশি প্রচার করে বাজারমূল্য বাড়ায় ওরা। তারপর যাত্রী বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ট্রলারের সংখ্যাও বাড়ে।

কিন্তু বিভিন্ন সময় মাঝসাগরে ট্রলারডুবিতে অনেক মানুষের মৃত্যু বা নিখোঁজের ঘটনা স্থানীয়দের কিছুটা সচেতন করে তোলে। দেখা দেয় যাত্রীসংকট। আর তখনই ট্রলার পূর্ণ করতে প্রলোভনের সঙ্গে যুক্ত হয় অপহরণের ঘটনা।

দেশে-বিদেশে জিম্মি করে রেখে মুক্তিপণ আদায়ই এই চক্রের মূল উদ্দেশ্য। এই মরণযাত্রায় কেউ বিদেশে পৌঁছাতে পারলেও অনেকেই উধাও হয়ে যায় সমুদ্রে, আবার কেউ মারা যায় নির্যাতনে।

এর পেছনে রয়েছে কয়েক স্তরের সংঘবদ্ধ মানবপাচার সিন্ডিকেট, যেখানে অপহরণকারী, দালাল, মাঝি, প্রবাসফেরত, মাদক কারবারি—সবাই মিলে গড়ে তুলেছে 'মানুষ শিকারের চক্র'।

'বাজেয়াপ্ত হচ্ছে ১০ হাজার অস্ত্র' আজকের পত্রিকার শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নির্দেশনা সত্ত্বেও জমা না পড়া প্রায় ১০ হাজার লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। এসব আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সধারীদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি নিতেও নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, জমা না পড়া এসব আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের বেশির ভাগই বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও তাদের স্বজনদের নামে।

গণ-অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ই অগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ওই সরকারের অনেক মন্ত্রী, তৎকালীন এমপি, দলটির নেতা ও তাদের ঘনিষ্ঠরা আত্মগোপনে চলে গেছেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, জমা না পড়া লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্রগুলোর ঝুঁকি এবং এগুলোর লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে অনিয়ম বিবেচনায় নিয়ে এসব লাইসেন্স বাতিল করে অস্ত্রগুলো বাজেয়াপ্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের শেষ দিনে গতকাল বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত অধিবেশনে এ নির্দেশনা ডিসিদের দেওয়া হয়েছে। ওই অধিবেশন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

দ্য বিজনেস স্টান্ডার্ডের শিরোনাম 'If loans taken in yuan, yen, it would be cheaper than dollar, ERD finds', অর্থাৎ 'ইউয়ান বা ইয়েনে ঋণ ডলারের চেয়ে সাশ্রয়ী হতে পারে: ইআরডি'।

খবরে বলা হচ্ছে, মার্কিন ডলারের পরিবর্তে ইয়েনে ঋণ নিলে বাংলাদেশ ৩৯৯ মিলিয়ন ডলারের একটি একক ঋণের পরিশোধ বাবদ ২০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি সাশ্রয় করতে পারে। এটা প্রমাণ করার জন্য সরকারের কাছে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ আছে।

সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) একটি সাম্প্রতিক নীতি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি) থেকে শুধু মার্কিন ডলারের পরিবর্তে জাপানি ইয়েন বা চীনা রেনমিনবিতে ঋণ নিলে মোট ঋণ পরিশোধের খরচ ৪০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো যেতে পারে।

এই বিষয়টি সরকারকে এআইআইবি এবং চীন-নেতৃত্বাধীন নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এনডিবি) থেকে মাল্টি-কারেন্সি ঋণ নেওয়ার ব্যবহার বাড়াতে উৎসাহিত করছে।

ইআরডির কিছু কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ইয়েনে নেওয়া। তাই এর সঙ্গে আরও সম্পৃক্ততা ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পার। তারা ডলারের বিকল্প হিসেবে ইউরোকে অধিকতর উপযুক্ত বিকল্প হিসেবে প্রস্তাব করেছেন।

দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‌'Bangladesh staring at $1.07b extra LNG subsidy' অর্থাৎ 'এলএনজিতে ১.০৭ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত ভর্তুকির সম্মুখীন বাংলাদেশ'।

খবরে বলা হচ্ছে, বিশ্বব্যাপী এলএনজির দাম বেশি থাকলে এপ্রিল-জুন ত্রৈমাসিকে বাংলাদেশকে অতিরিক্ত ১.০৭ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৩ হাজার ১৩৪ কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া লাগতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থার নতুন এক সমীক্ষায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।

ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিক্স অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল অ্যানালাইসিস (আইইইএফএ)-এর প্রতিবেদনে এলএনজির মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো তুলে ধরা হয়েছে। এটি দেশে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের শুল্ক বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি করেছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, আমদানিকৃত জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর বাংলাদেশের নির্ভরশীলতা দেশটিকে অস্থিতিশীল আন্তর্জাতিক বাজারের ঝুঁকিতে ফেলছে। পাশাপাশি এই পরিস্থিতি রাজস্ব সংকট ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে তুলছে।

উদাহরণস্বরূপ, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে এলএনজি, কয়লা ও তেলের দাম বেড়ে গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রীষ্মকালজুড়ে এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির আনুমানিক স্পট মূল্য ২০ ডলার ধরে নিলে দেশটিকে অতিরিক্ত ভর্তুকির বোঝা বহন করতে হতে পারে।

'খাদের কিনারে জ্বালানি খাত' দেশ রূপান্তরের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, অন্তর্বর্তী সরকারের এক চালে খাদে পড়েছে দেশের জ্বালানি খাত। ফলে স্বল্পমেয়াদি জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন সরকার আন্তরিক হলেও কার্যকর কোনো কিছু করা সম্ভব হবে না।

এতে করে ২০২৮ সাল পর্যন্ত ক্রমান্বয়ে দেশে অন্তত ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা পূরণ করা পেট্রোবাংলার জন্য দুরূহ হবে।

পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে, এখন দেশে মোট গ্যাসের চাহিদা দৈনিক ৪ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। কিন্তু সরবরাহ করা হয় দৈনিক ২ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

এতে করে এখনই দেশে ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট। কিন্তু চাহিদা এবং জোগানের মধ্যে এই পার্থক্য সত্ত্বেও রেশনিং করে মোটামুটিভাবে গ্যাস সংকট মোকাবিলা করা হয়।

যদি এই ঘাটতির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পায়, তাহলে দেশের বিদ্যুৎ এবং শিল্প উৎপাদনে চরম নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে, যা সামাল দেওয়া সরকারের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

এই সংকট যদি স্থায়ী রূপ নেয়, সেক্ষেত্রে দেশে বিনিয়োগ কমার পাশাপাশি রপ্তানি এবং কর্মসংস্থানে বড় ধাক্কা লাগতে পারে।

'মূল্যস্ফীতি আবারো ৯ শতাংশ ছাড়াল' বণিক বার্তার শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, মূল্যস্ফীতি আবারও ৯ শতাংশ ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সবশেষ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, এপ্রিলে দেশে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ; যা চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও বিশ্ববাজারে জ্বালানি পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা মোকাবেলায় এপ্রিলের মাঝামাঝি দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা হয়। এতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ে ১৫ থেকে ১৮ শতাংশ পর্যন্ত। এর প্রভাবে বাজারে প্রায় সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামগ্রিক বৈশ্বিক ও স্থানীয় জ্বালানি পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে দেশের মূল্যস্ফীতিতে। তবে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা পূর্বাভাস দিয়েছে, বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করলে এবং অভ্যন্তরীণ সরবরাহে উন্নতি হলে সামনের অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের ঘরে নেমে আসবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি উসকে দিতে ভূমিকা রেখেছে। জ্বালানি সংকটের ফলে পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধির কারণে বাজারে কমেছে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ। অন্যদিকে নির্মাণসামগ্রী, ইলেকট্রনিক, অটোমোবাইলসসহ খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের দামও বেড়েছে।

'গলার কাঁটা ৬৮ বিদ্যুৎকেন্দ্র' নয়াদিগন্তের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সম্পাদিত জনস্বার্থবিরোধী অন্তত তিনটি বড় বিদ্যুৎ চুক্তি সংশোধনের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছে সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগ। উচ্চ ট্যারিফ ও অসম শর্তের কারণে রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ অর্থ অপচয় রোধে এসব চুক্তি পুনর্মূল্যায়ন ও সংশোধনের কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

বিদ্যুৎ বিভাগের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে যে, ভারত ও চীনের সরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথ উদ্যোগে নির্মিত তিনটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিতে (পিপিএ) এমন কিছু কারিগরি ও আর্থিক শর্ত যুক্ত করা হয়েছে, যা উচ্চ ট্যারিফের জন্য সরাসরি দায়ী।

এর মধ্যে রয়েছে : আরওই (ইক্যুইটির ওপর রিটার্ন) : বিনিয়োগের বিপরীতে মুনাফার হার। নন-আরওই খরচ : অব্যবস্থাপনাজনিত বা অন্যান্য ব্যয়। ওএন্ডএম খরচ : অস্বাভাবিক ও রক্ষণাবেক্ষণ শক্তি। আর তাপ হার : শক্তিনি বা তাপীয় হারের প্রতিকূল শর্ত।

বিভাগের মতে, দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে এই কারিগরি বিষয়গুলো সমাধান করা গেলে ট্যারিফ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে এবং রাষ্ট্রের হাজার হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।