পত্রিকা: 'সিনিয়র কর্মকর্তাদের ইনক্রিমেন্ট কমছে, সবার বাসা ভাড়াও কমানো হচ্ছে'

Published
পড়ার সময়: ৯ মিনিট

দ্য বিজনেস স্টান্ডার্ডের শিরোনাম 'Smaller increments for senior officials, house rents lowered for all' অর্থাৎ 'সিনিয়র কর্মকর্তাদের ইনক্রিমেন্ট কমছে, সবার বাসা ভাড়াও কমানো হচ্ছে'।

খবরে বলা হচ্ছে, প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামোয় সামরিক ও বেসামরিক সেবা, রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের উচ্চ গ্রেডের কর্মীদের জন্য বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের হার কমিয়ে আনা হবে। অর্থাৎ, যাদের মূল বেতন বেশি, তারা তুলনামূলক কম হারে ইনক্রিমেন্ট পাবেন।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ৩১শে অগাস্ট অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকের কার্যবিবরণী অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামোয় মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয়ের বিষয়টি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। এর ফলে বাড়ি ভাড়ার ভাতার হার কমিয়ে আনা হবে।

বর্তমানে সব গ্রেডের সরকারি কর্মচারীরা পাঁচ শতাংশ হারে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট পান। নতুন বেতন কাঠামোয় এই অভিন্ন হারের পরিবর্তে গ্রেড-ভিত্তিক ভিন্ন ভিন্ন ইনক্রিমেন্ট হার কার্যকর করা হবে।

২০ থেকে ষষ্ঠ নম্বর গ্রেডের কর্মীরা পাঁচ শতাংশ হারে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট পেতে থাকবেন। এই হার পাঁচ নম্বর গ্রেডের ক্ষেত্রে চার শতাংশ, চার ও তিন নম্বর গ্রেডের ক্ষেত্রে তিন দশমিক পাঁচ শতাংশ এবং দুই নম্বর গ্রেডের ক্ষেত্রে দুই দশমিক ৭৫ শতাংশে নেমে আসবে।

এছাড়া, ২০১৫ সালের বিদ্যমান বেতন কাঠামো অনুযায়ী, ঢাকা শহরে কর্মরত সরকারি কর্মচারীরা তাদের গ্রেড বা পদমর্যাদাভেদে মূল বেতনের ৫০ থেকে থেকে ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ি ভাড়া ভাতা পেয়ে থাকেন। নতুন বেতন কাঠামোয় এই হার কমিয়ে ৪০ শতাংশ থেকে ৬০ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে।

'ঢাকায় মাসে ৫০ বেওয়ারিশ লাশ' আজকের পত্রিকার শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানী ঢাকায় প্রায় প্রতিদিনই অজ্ঞাতনামা মরদেহ উদ্ধার হচ্ছে। পরে পরিচয় শনাক্ত হওয়া মরদেহ মর্গ থেকে নিয়ে যান স্বজনেরা। পরিচয় শনাক্ত না হওয়া মরদেহগুলো পড়ে থাকে মর্গে 'বেওয়ারিশ ' হিসেবে।

পরে এসব মরদেহ দাফন ও সৎকারের জন্য হস্তান্তর করা হয় আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে । স্বেচ্ছাসেবী এই সংস্থা চলতি বছর প্রতি মাসে গড়ে ৫০ টি বেওয়ারিশ মরদেহ দাফন ও সৎকার করেছে।

আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের তথ্য মতে, গত জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে সংস্থাটি ৪০০ বেওয়ারিশ মরদেহ দাফন ও সৎকার করেছে। এগুলোর মধ্যে জানুয়ারিতে ৩০টি, ফেব্রুয়ারিতে ৫৯টি, মার্চে ৫২টি, এপ্রিলে ৪৬টি, মে মাসে ৫৬টি, জুনে ৬৭টি, জুলাইয়ে ৪২টি এবং আগস্টে ৪৮টি মরদেহ রয়েছে।

এগুলোর মধ্যে ৭৪টি মরদেহ দাফন করা হয়েছে জুরাইন কবরস্থানে এবং ৩২৫ টি মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার কবরস্থানে। অপর একটি মরদেহ সৎকার করা হয়েছে পোস্তগোলা শ্মশানঘাটে।

আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের এই পরিসংখ্যানের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, এত বেশিসংখ্যক মরদেহ বেওয়ারিশ হওয়ার কথা নয়, এ বিষয়ে তাঁর বিস্তারিত জানা নেই।

খবরে বলা হচ্ছে, 'ধান-নদী-খাল এই তিনে বরিশাল'—প্রচলিত প্রবাদটি বরিশাল অঞ্চলের সমৃদ্ধির কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। একসময় বরিশাল 'বাকলা' নামে পরিচিত ছিল। 'বাকলা' অর্থ শস্য ব্যবসায়ী।

কৃষি উৎপাদনে 'বাংলার শস্যভাণ্ডার' আর নদী-খালের সৌন্দর্যে 'বাংলার ভেনিস'—এমনই ছিল বরিশালের খ্যাতি। তবে সে সমৃদ্ধির দিন এখন অতীত।

একসময় দেশের দরিদ্রতম বিভাগ ছিল রংপুর। তবে সেই তকমা এখন বরিশালের। গত বছর প্রকাশিত দারিদ্র্য মানচিত্র ২০২২ অনুযায়ী, দেশের আট বিভাগের মধ্যে এখন বরিশালে দারিদ্রের হার সবচেয়ে বেশি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব অনুযায়ী, দেশের ১৯ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। বরিশাল বিভাগে এ হার ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ। কাজের খোঁজে সেখানকার মানুষ জড়ো হচ্ছে ঢাকায়।

ঢাকায় সবচেয়ে বেশি অভিবাসন ঘটেছে বরিশাল থেকে। জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর তথ্য অনুসারে, বরিশালের স্থানীয়দের ১৮ দশমিক ৬২ শতাংশ এখন রাজধানীতে বসবাস করছে।

তবে এ অভিবাসীদের বড় অংশই দারিদ্র্যে নিমজ্জিত। স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩ অনুযায়ী ঢাকা শহরের বস্তিতে থাকা প্রায় ১৩ শতাংশ মানুষ বরিশালের।

'ঢাকায় মেয়র পদে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস' প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী অনেকটাই চূড়ান্ত। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ইতোমধ্যে ঢাকা উত্তরে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে।

বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী এখন পর্যন্ত প্রার্থী ঘোষণা না করলেও দুই সিটিতে তাদের পছন্দের প্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত বলে জানা গেছে। দুটি দলই কৌশলে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হওয়ায় বিএনপি ও জামায়াত সরাসরি প্রার্থী ঘোষণা করবে না। তারা প্রার্থী বাছাই করে সমর্থন দেবে। ফলে ব্যালটে দলীয় প্রতীক না থাকলেও ভোটের মাঠে বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

বিএনপির উচ্চপর্যায়ের সূত্রগুলো বলছে, তারা ঢাকা উত্তর সিটিতে মেয়র পদে মো. শফিকুল ইসলাম খান ও দক্ষিণে মো. আবদুস সালামের নাম প্রায় চূড়ান্ত করেছে।

দলীয় সূত্রের ভাষ্য, প্রশাসক হিসেবে নিয়োগের সময়ই নাগরিক সেবার পাশাপাশি তাদের সিটি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ফলে বিএনপি আনুষ্ঠানিক সমর্থন ঘোষণা না করলেও দুই সিটিতে তাদের প্রার্থী নিয়ে তেমন কোনো টানাপোড়েন নেই।

'৭ ধাপে ভোট, শুরু ১২ নভেম্বর' কালের কণ্ঠের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৯ মাস পর আগামী ১২ই নভেম্বর স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্রথম ধাপের নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মাধ্যমে প্রত্যাশিত স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে যাচ্ছে।

আসন্ন শীত মৌসুমে এ নির্বাচন উত্তাপ ছড়াবে সারা দেশেই। প্রথম ধাপে ৮০টি উপজেলার ইউপিগুলোর নির্বাচন হবে। ঠাকুরগাঁও জেলা বাদে দেশের ৬৩ জেলার সদর বা কাছাকাছি উপজেলার ইউপিগুলো প্রথম ধাপের নির্বাচনের জন্য বেছে নেওয়া হবে।

মোট সাতটি ধাপের এ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ১৩ই ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপে ৩০শে ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপে ২০২৭ সালের ১৭ই জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপে ৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপে ২২শে এপ্রিল, সপ্তম ধাপে ২৭শে মে ভোটগ্রহণের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গতকাল সোমবার বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে ইসির প্রাক-প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

খবরে বলা হচ্ছে, দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য গভীর সংকটে পড়েছে। ৯ মাসের ব্যবধানে জাহাজে এক কনটেইনার (গড়ে ১৪ টন) পণ্য এনে বন্দর থেকে খালাস করতে সব মিলিয়ে এখন ব্যবসায়ীদের বাড়তি খরচ হচ্ছে গড়ে ৬৬ শতাংশ।

গত ডিসেম্বরে চট্টগ্রাম বন্দর ২৩ খাতে এক লাফে মাশুল বাড়িয়ে ছিল ৪১ শতাংশ। বন্দরে ২০ ফুট এককের একটি আমদানি কনটেইনারেই বাড়তি গুনতে হচ্ছে পাঁচ হাজার ৭২০ টাকা। এই ধকল সামলে ওঠার আগেই গত ফেব্রুয়ারি থেকে হরমুজ প্রণালিতে শুরু হয় অস্থিরতা।

সেটির প্রভাবে সাগরপথে এক কনটেইনার পণ্য চট্টগ্রাম বন্দরে আনতে ব্যবসায়ীদের খরচ বাড়ে ২৫ শতাংশ। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় এরই মধ্যে বেড়েছে জাহাজ ভাড়া। বেড়েছে ঝুঁকি ভাতা ও বীমার হারও। সেই হিসাবে এক কনটেইনার পণ্যে বাড়তি খরচ হচ্ছে ৬৬ শতাংশ।

এদিকে, হরমুজের পর বাব-আল মান্দেব প্রণালিতেও অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় সাগরপথে পণ্য পরিবহনের খরচ আরেক দফা বাড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কারণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে এত দিন সীমিত পরিসরে জ্বালানি পরিবহন করতে পারলেও পাল্টাপাল্টি হামলার মুখে এখন কার্যত তা বন্ধ হয়ে আছে।

লোহিত সাগরে সংঘাত আরও বাড়লে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপগামী জাহাজগুলোকে আফ্রিকার উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে প্রায় সাড়ে সাত হাজার কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ পাড়ি দিতে হবে। বাব-আল মান্দেব প্রণালি বন্ধ হলে এক কনটেইনার পণ্য আমদানি খরচ ৬৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ৮৬ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

খবরে বলা হচ্ছে, হঠাৎ আগুনের ধোঁয়া। শুরু হয় ছুটোছুটি। আতঙ্কে রোগী ও স্বজনরা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে একসঙ্গে নামতে গিয়ে পদদলিত হয়ে ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ২০ জন।

ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন ছয় জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃতদের মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তবে মারা যাওয়া শিশুটির পরিচয় এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, শিশুটির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে হাসপাতালের নতুন ভবনের তৃতীয় তলায় শিশু ওয়ার্ডে আগুন লাগে। এ সময় আগুনের আতঙ্কে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হলে কয়েকজন পড়ে গিয়ে আহত হন।

ময়মনসিংহ সদর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জুলহাজ উদ্দিন বলেন, সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে হাসপাতালের নতুন ভবনের তৃতীয় তলায় শিশু ওয়ার্ডে হঠাৎ আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়।

খবর পেয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ফায়ার স্টেশন থেকে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এ সময় ভবনের ভেতরে প্রচণ্ড ধোঁয়া জমে যায়।

খবরে বলা হচ্ছে, বাগেরহাটের রামপাল মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রকল্পকে আধুনিক প্রযুক্তির বৃহৎ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে নির্মাণ করা হয়েছিল।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশনের (এনটিপিসি) ৫০:৫০ মালিকানায় গঠিত বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) কেন্দ্রটি পরিচালনা করছে।

দুই ইউনিটে কেন্দ্রটির অনুমোদিত ক্ষমতা এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। প্রথম ইউনিট বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায় ২০২২ সালের ডিসেম্বরে এবং দ্বিতীয় ইউনিট ২০২৪ সালের মার্চে বাণিজ্যিক কার্যক্রমে আসে।

কিন্তু বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর কয়েক বছর না যেতেই কেন্দ্রটির নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, গত এক বছরে রামপালের কোনো না কোনো ইউনিট ৩০ বার বন্ধ হয়েছে।

এর মধ্যে ২৭ বার যান্ত্রিক বা কারিগরি ত্রুটি এবং তিনবার কয়লা সংকটকে কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এটি কেবল জ্বালানি সঙ্কটের সমস্যা নয়। বারবার টারবাইন, বয়লার, টিউব, ফিডিং ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতিতে ত্রুটি দেখা দেয়ার বিষয়টিও সামনে এসেছে।

অথচ কেন্দ্রটি বন্ধ থাকলেও চুক্তির আওতায় সক্ষমতা-প্রাপ্যতার জন্য ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধের দায় থাকে। ফলে প্রশ্ন উঠছে- যে বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে এত প্রশ্ন, তার জন্য জনগণকে কতটা অর্থ দিতে হচ্ছে?

টাইমস অব বাংলাদেশের শিরোনাম 'Hasina calls AL leaders to Delhi' অর্থাৎ 'আওয়ামী লীগ নেতাদের দিল্লিতে ডেকেছেন হাসিনা'।

খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের ১৮ই সেপ্টেম্বর দিল্লিতে এক বৈঠকে ডেকেছেন শেখ হাসিনা। ২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে এটিই হবে তার প্রথম সশরীরে বৈঠক।

বর্তমানে দিল্লি ও কলকাতায় অবস্থানরত কেন্দ্রীয় কমিটির ২১ জন সদস্য এতে অংশ নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলও এতে উপস্থিত থাকবেন।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া 'টাইমস'-এর কাছে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‌"শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থানরত কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এই আলোচনার জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট আলোচ্যসূচি নেই।"

তবে ইউরোপভিত্তিক দলের একজন সাংগঠনিক সম্পাদক জানিয়েছেন, আলোচনায় মূলত দলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি এবং শেখ হাসিনার বাংলাদেশে সম্ভাব্য ফিরে আসার বিষয়টি প্রাধান্য পাবে।

তিনি বলেন, ‌"যারা ভারতে অবস্থান করছেন, তাদের তলব করা হয়েছে। দিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নেতাদের কাছ থেকে সাংগঠনিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সরাসরি শুনবেন এবং দেশে ফিরে আসার বিষয়ে তাঁদের মতামত ও পরামর্শ শুনবেন।"

নিউ এইজের শিরোনাম 'Govt backtracks on promise to democratise institutions' অর্থাৎ ‌'প্রতিষ্ঠানগুলোকে গণতান্ত্রিক করার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসেছে সরকার'।

খবরে বলা হচ্ছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান যে ব্যাপক সংস্কারের আশা জাগিয়েছিল, দুই বছরেরও বেশি সময় পার হওয়ার পর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সমাজকে গণতান্ত্রিক করার প্রতিশ্রুতি থেকে সরকার সরে এসেছে। শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক নেতা এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এমনটাই মনে করছেন।

গত ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় ফিরলেও বাংলাদেশের প্রধান গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল ও অপর্যাপ্তভাবে স্বাধীন অবস্থায় রয়েছে।

পাশাপাশি সংসদ, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকারী সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রস্তাবিত সংস্কারের বিষয়টিও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

বিশ্ব 'আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস' আজ। সারা বিশ্বে দিবসটি পালন করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান গণতন্ত্র, অধিকার ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতার বিষয়ে যে জোরালো প্রত্যাশা তৈরি করেছিল; তার অনেকাংশই এখনও অপূর্ণ রয়ে গেছে।

গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকার বেশ কিছু সংস্কার অধ্যাদেশ জারি করেছিল। কিন্তু সংসদীয় অনুমোদন লাভে ব্যর্থ হওয়ায় সেগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে যায় অথবা সেগুলো বাতিল করা হয়।

খবরে বলা হচ্ছে, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে বেসামাল ব্যবসায়ীরা তাদের উদ্বেগের কথা জানাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাতের সময় সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যবসায়ীদের ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়েছেন।

শিল্প-কারখানায় গ্যাস-সরবরাহ আগামীকালের (আজ) মধ্যে আগের অবস্থায় ফিরবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'অস্থির না হয়ে সরকারকে তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ দেওয়া উচিত।'

গতকাল সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ব্যবসায়ী নেতা ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিজিএমইএ, মেট্রো চেম্বার, আইসিসিবি, ঢাকা চেম্বার, বিটিএমএ, বিকেএমইএসহ ২১টি ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রায় তিন ঘণ্টা বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সে সময় ব্যবসায়ীরা তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন।

সভায় 'বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পথরেখা' শীর্ষক একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।