পত্রিকা: 'সন্ত্রাসীদের এনআইডি 'ব্লকের' পরিকল্পনা'

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

সন্ত্রাসীদের এনআইডি 'ব্লকের' পরিকল্পনা— দেশ রূপান্তরের প্রধান খবর এটি।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও অপরাধীদের অপরাধমূলক কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে পুলিশ।

চিহ্নিত সন্ত্রাসী, দাগি অপরাধী ও 'রাঘববোয়ালদের' এনআইডি ব্লক বা নিষ্ক্রিয় করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এই প্রক্রিয়ায় শুধু মূল অপরাধীই নয়, বরং অপরাধের অর্থ ও অবৈধ সম্পদের সুবিধাভোগী হিসেবে তাদের নিকটাত্মীয় বা স্বজনদেরও কঠোর নজরদারির আওতায় আনা হচ্ছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার মতে, একজন অপরাধীকে সামাজিকভাবে ও আর্থিকভাবে পুরোপুরি অচল করার সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার হতে পারে এনআইডি ব্লক করে দেওয়া।

ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পেয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে পুলিশ। এরই মধ্যে জেলার পুলিশ সুপার ও থানার ওসিরা সোর্সের মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের এনআইডিসহ পুরো প্রোফাইল সংগ্রহ করছেন।

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান শিরোনাম— PM's crucial China trip on 23-26 June; অর্থাৎ আগামী ২৩ থেকে ২৬শে জুন চার দিনের সফরে চীনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

খবরে বলা হয়েছে, গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর কোনো প্রধান বৈশ্বিক পরাশক্তির সঙ্গে এটিই তার প্রথম আনুষ্ঠানিক সফর হতে যাচ্ছে।

চীন সফরের আগে আগামী ২১ জুন দুই দিনের সফরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া যাওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই হবে তার প্রথম বিদেশ সফর।

সেখান থেকেই তিনি সরাসরি চীনে যাবেন, নাকি প্রথমে ঢাকায় ফিরে তারপর বেইজিংয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন— সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান দেশে ফেরার পর এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর এই চীন সফরে দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, জ্বালানি তেলের পর এবার সব ধরনের গ্রাহকের বিদ্যুতের দামও রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে।

গ্রাহকপর্যায়ে গড় দাম ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে এক টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ দাম বেড়েছে, যা এযাবতকালের সর্বোচ্চ।

একই সঙ্গে পাইকারি বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিটে সাত টাকা থেকে এক টাকা ৩৯ পয়সা বাড়িয়ে আট টাকা ৩৯ পয়সা করা হয়েছে। শতকরা বেড়েছে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ।

পাশাপাশি কৃষিতে ১৫ শতাংশ; স্কুল, মসজিদ, মন্দির ও হাসপাতালে প্রায় ২০ শতাংশ এবং শিল্পে ১৮-১৯ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে।

এতে সরাসরি বিদ্যুৎ বিল যা বাড়বে, তারচেয়েও বড় প্রভাব পড়বে পরোক্ষ ব্যয়ে। উৎপাদন ও সেবা খাতে বিদ্যুৎ বিল বাড়ায় নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে। বাড়বে মূল্যস্ফীতি।

ঘোষণা অনুসারে, দিনে শুধু প্রয়োজনীয় সময়ে একটি লাইট-ফ্যান ব্যবহারকারী গ্রাহককেও আগামী মাসে ৪০ টাকার মতো বেশি বিল দিতে হবে।

বাসাবাড়ির অন্য গ্রাহকের খরচ ব্যবহার অনুযায়ী মাসে ৭০ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ৬০০ ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী আবাসিক গ্রাহকের খরচ আরও বেশি বাড়বে।

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধিতে সরকারের অতিরিক্ত আয় হবে ১৪ হাজার ২০০ কোটি টাকা।

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— আবার মার্কিন শুল্কের ভয়। এ খবরে বলা হয়েছে, জোর করে শ্রম কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের ওপর আবার অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

এর মধ্যে বাংলাদেশসহ ১৫টি দেশের ওপর ১০ শতাংশ এবং বাকি ৪৫টি দেশের ওপর সাড়ে ১২ শতাংশ হারে শুল্ক বসানোর কথা বলা হয়েছে।

এটি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হলেও প্রস্তাবটি সামনে আসার পর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন অনিশ্চয়তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তর (ইউএসটিআর) তাদের ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ৩০১ ধারার আওতায় এই প্রস্তাব উত্থাপন করেছে।

ওই ধারা অনুযায়ী মার্কিন বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর, অযৌক্তিক বা বৈষম্যমূলক বিদেশি নীতি ও কার্যক্রমের বিরুদ্ধে তদন্ত এবং বাণিজ্যিক ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে সংস্থাটির।

বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দ্রুত মার্কিন বাণিজ্য দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Iran war pushes subsidy demand to tk1.20 lakh crore in FY27; অর্থাৎ ইরান যুদ্ধের কারণে ২০২৭ অর্থবছরে ভর্তুকির চাহিদা বেড়ে এক দশমিক ২০ লাখ কোটি টাকা।

এই খবরে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ সরকারের ভর্তুকির বোঝা বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জ্বালানি, সার ও খাদ্য আমদানির ব্যয়বৃদ্ধির ঘাটতি মেটাতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় অতিরিক্ত তহবিল চেয়ে আবেদন করেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভতুর্কি বাবাদ প্রায় এক লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা চেয়ে দেওয়া প্রস্তাব ইতোমধ্যে অর্থ বিভাগে জমা দেওয়া হয়েছে এবং এই চাহিদার তিন-চতুর্থাংশই এসেছে জ্বালানি মন্ত্রণালয় থেকে।

এর মধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ পুরো অর্থবছরের জন্য প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি চেয়েছে।

অন্যদিকে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ আগামী অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের (জুলাই-ডিসেম্বর) জন্য ভর্তুকি বাবদ ২৭ হাজার কোটি টাকা চেয়েছে।

কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয় যৌথভাবে অতিরিক্ত ৩০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকির প্রস্তাব দিয়েছে।

অক্সিজেনের অভাবেই ছয় নবজাতকের মৃত্যু— ইত্তেফাকের প্রথম পাতার একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম এটি।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার মগবাজার আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটির মধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি গতকাল বুধবার তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গঠিত তদন্ত কমিটি আজ বৃহস্পতিবার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে।

তদন্ত কমিটি প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে যে অক্সিজেনের অভাবেই ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া, হাসপাতালের ভবনের অবকাঠামো ও নির্মাণে ত্রুটি রয়েছে। তদন্ত কমিটির একাধিক সদস্য এর সত্যতা স্বীকার করেছেন ।

গত ২৭শে মে সকালে হাসপাতালটির পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে পরপর ছয় নবজাতকের মৃত্যু ঘটে।

এই খবরে বলা হয়েছে, সরকারের জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের জাতীয় পোলিও, হাম, রুবেলা ল্যাবরেটরি এবং রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠানে হামের জীবাণুর জিন বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

দুটি পরীক্ষাগারের বিশ্লেষণের ফল একই।

তাতে জানা গেছে, হাম বাইরে থেকে আসেনি। হামের বি৩ ধরনে দেশের মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। ধরনটি অনেক বছর ধরেই বাংলাদেশে সক্রিয়।

এরই মধ্যে চলতি বছরে দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু ৬০০ ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে হামে এত মৃত্যুর নজির নেই। মারা যাওয়া ৫০১ জনের মধ্যে ৮০ শতাংশের বয়স পাঁচ বছরের কম।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একটি অংশ মনে করে, হামের উপসর্গ নিয়ে যেসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তা কার্যত হামেই মৃত্যু। রোগ শনাক্তের সীমাবদ্ধতার কারণে নিশ্চিত হামে মৃত্যু বলা যাচ্ছে না।

এদিকে, হাম ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে হামে মৃত্যু থামানো যাচ্ছে না বলে কয়েক সপ্তাহ ধরে অভিযোগ করে আসছে জনস্বাস্থ্যবিদদের একটি অংশ।

এই খবরে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শীর্ষ ও প্রভাবশালী বহু নেতার বাসভবনে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

প্রায় দুই বছর পরও দেশের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে থাকা এসব বাড়ির অধিকাংশই সংস্কার হয়নি। কোথাও ধ্বংসাবশেষ হিসেবে, কোথাও তালাবদ্ধ অবস্থায় এসব ভবন অতীতের ক্ষমতা ও প্রভাবের নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

একইভাবে বিএনপি, জাতীয় পার্টি এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অনেক আলোচিত নেতা, যারা এরই মধ্যে প্রয়াত হয়েছেন কিংবা যাদের উত্তরসূরীরা সক্রিয় রাজনীতিতে নেই, তাদের বাসভবনও সময়ের সঙ্গে গুরুত্ব হারিয়েছে।

রাজধানীর বনানী, গুলশান ও ধানমন্ডি থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী, নোয়াখালী, কুষ্টিয়া, নাটোর, ফেনী, মাদারীপুর, চাঁদপুর, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নড়াইলসহ বিভিন্ন এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে।

কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার একটি সংবাদ— জামিনে কারামুক্ত ডা. সেলিনা হায়াত আইভী

এই খবরে বলা হয়েছে, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভী জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন।

গতকাল বুধবার রাতে তিনি গাজীপুর কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান।

এর আগে তার বিরুদ্ধে থাকা মোট ১২টি মামলার সব কটিতেই উচ্চ আদালতে জামিন পান আইভী।

গত বছরের ৯ই মে নারায়ণগঞ্জের দেওভোগের বাসভবন থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

প্রথমে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়কার তিনটি হত্যা ও দুটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর— 5 Bangladeshis hurt in Delhi hotel blaze; অর্থাৎ দিল্লিতে হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ৫ বাংলাদেশি আহত।

এই খবরে বলা হয়েছে, গতকাল বুধবার সকালে ভারতের দক্ষিণ দিল্লির মালভিয়া নগর এলাকার একটি বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২১ জন মারা গেছেন। তাদের অনেকেই বিদেশি নাগরিক।

এই ঘটনায় অন্তত ৫ বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এক বিবৃতিতে নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন জানিয়েছে, আগুনের ঘটনায় আহতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত পাঁচজন বাংলাদেশিকে শনাক্ত করা গেছে। তাদের মধ্যে তিন জন ম্যাক্স হাসপাতালে এবং অপর দুইজন সফদরজং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে তিনজনের জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, একজন বাংলাদেশি নিখোঁজ রয়েছেন, তার মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, নিহত ও আহতদের মধ্যে অনেকেই দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের। তারা মূলত চিকিৎসার জন্য অথবা চিকিৎসাধীন আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে ভারতে গিয়েছেন।