আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

লাইভ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান করবে দুদক

দুবাই, সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে আরেকটি নতুন অভিযোগ অনুসন্ধান করার কথা জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক। অন্যদিকে অন্যদিকে আওয়ামী লীগসহ সকল অঙ্গ, সহযোগী এবং ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে দেওয়া প্রজ্ঞাপনের বৈধতা নিয়ে করা রিটটি উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। বিস্তারিত বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

সরাসরি কভারেজ

  1. বিভিন্ন দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আসিফ মাহমুদ

    বিভিন্ন দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।

    ‘অভিযোগ বনাম বাস্তবতা’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে মি. মাহমুদ এমন দাবি করেছেন।

    তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে ওই সংবাদ সম্মেলনের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন তিনি।

    নিজেরাই এই অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করেছেন উল্লেখ করে মি. মাহমুদ দাবি করেছেন, “বিএনপির সময়ে হওয়া পদোন্নতি, বদলির জন্য আমার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান হচ্ছে। মানে সার্কাসেরও একটা সীমা থাকা উচিত। ক্লিয়ারলি মিডিয়া ট্রায়ালে ফেলা।”

    এই ভিডিওতে মি. মাহমুদকে বলতে শোনা যাচ্ছে, দুই দিন পর বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে রিপোর্ট বা নথি চেয়ে সেগুলো নিউজ করানো দুদকের উদ্দেশ্য।

    “অনুসন্ধানের দুইদিন পর পর, মনে করেন, আজকে নথি চাইলো, যুব ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে, কালকে আরেক জায়গা থেকে নথি চাইবে। আরেকজনকে বলবে রিপোর্ট দাও। এই যে, নিয়মিত নিউজ, আসিফ মাহমুদ এবং দুর্নীতি এই শব্দ দুটিকে একসাথে করে নিউজ করানো, একটি ন্যারেটিভ স্টাবলিশ করা, পারসেপশন তৈরি করা, এটা হচ্ছে উদ্দেশ্য। ক্যারেকটার এসাসিনেশনটা উদ্দেশ্য” বলেন আসিফ মাহমুদ।

    তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধানের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

    মি. মাহমুদ বলেন, “সেই জায়গাকে আমি প্রশ্ন করছি। যদি তদন্তের অনুসন্ধানের স্বদিচ্ছা থাকে এবং সেটা যদি ওই কমিটমেন্টটা আমি শুরু থেকে দেখতাম তাহলে এটাকে সাধুবাদ জানাতে আমার নাগরিক হিসেবে অসুবিধা নাই এবং আমি সহযোগিতা করতে রাজী আছি।”

    একইসঙ্গে, তিনি বেশ কিছু নথি হাতে তুলে ধরে বলেন, “ওনাদের অনুসন্ধানের অর্ধেকের বেশি হয়ে গেছে, ওনারা (দুদক) চাইলে নিয়ে যেতে পারে।”

  2. আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান করবে দুদক

    দুবাই, সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে আরেকটি নতুন অভিযোগ অনুসন্ধান করবে দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক।

    রোববার দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    মি. ইসলাম বলেন, “আগের অভিযোগের সাথেই এই অভিযোগটি অনুসন্ধান করা হবে।”

    এই অভিযোগে বলা হয়েছে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগে ৬০ কোটি টাকা এবং সারাদেশে ৩৬ জন ডিসি পদায়নে দুই কোটি থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন করেছেন।

    এছাড়া তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে টেন্ডার বাণিজ্য, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালনকালে উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার থেকে ১০ থেকে ৩০ শতাংশ কমিশন গ্রহণ এবং নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের টেন্ডার বাণিজ্যের সাথে জড়িত ছিলেন।

    একইসঙ্গে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও সেতু নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় বাড়িয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা, ঢাকা ওয়াসার সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্পের তৃতীয় ধাপে অস্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধি এবং শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পে ১২০০ কোটি টাকা ব্যয় বাড়িয়ে মি. মাহমুদ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    এই অভিযোগে বলা হয়েছে, দুর্নীতির টাকা দিয়ে আসিফ মাহমুদ পর্তুগালে জমি ক্রয়, দুবাইয়ের গ্রীন গ্রুপে বিনিয়োগ ও সুইস ব্যাংকে অর্থ জমা করেছেন।

    “তিনি দুবাইতে চার হাজার পাঁচশো কোটি টাকা, সিঙ্গাপুরে তিন হাজার কোটি টাকা, অস্ট্রেলিয়ায় দুই হাজার কোটি টাকা ও সুইজারল্যান্ডে দেড় হাজার কোটি টাকা পাচার করে সেখানে বিলাসবহুল ভিলা ক্রয় ও বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছেন। তার দুই বোন জামাই ও ভাগ্নের মাধ্যমে তিনি বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচার করেন” বলে মি. মাহমুদের বিরুদ্ধে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এর আগে, সাবেক এই উপদেষ্টাসহ চারজন সচিবের বিরুদ্ধে নিয়োগ-বদলি, কেনাকাটা, তদ্বির বাণিজ্য এবং অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল দুদক।

    ওই তদন্তটি চলমান রয়েছে, সেটির সাথেই এই অভিযোগগুলো অনুসন্ধান করা হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম।

  3. দ্বিতীয় লংমার্চের ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট

    আগামী ১৯শে সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন এগারো দলীয় ঐক্যজোটের দ্বিতীয় লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে।

    রোববার এগারো দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির জরুরি বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং এই ঐক্যজোটের সমন্বয়ক এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

    তিনি বলেন, ১৯শে সেপ্টেম্বর সকাল সাতটায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জমায়েত হয়ে সকাল আটটা পর্যন্ত এক ঘণ্টার উদ্বোধনী সভা শেষে লংমার্চ শুরু হবে। পথে পাঁচটি পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।

    মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে লংমার্চ গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও গাইবান্ধা হয়ে রংপুর জেলা স্কুল মাঠে গিয়ে শেষ হবে।

    মি. আযাদ বলেন, ছয় দফা দাবি এখন সাত দফায় রূপান্তরিত হয়েছে। দেশে দুর্নীতি প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে চলছে এবং দুর্নীতি, দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজি বিগত ফ্যাসিস্ট আমলকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এ কারণে নতুন করে এ দাবি যুক্ত করা হয়েছে।

    একইসঙ্গে, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, তেল সংকট ও এর সাথে রাজনৈতিক, সামাজিক সংকট মোকাবেলায় কোন সমাধান সরকার দিতে পারে নাই বলে অভিযোগ করেন তিনি।

  4. হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় তিন জনের মৃত্যু

    হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ঢাকায় মারা গেছে দুইজন।

    রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৬৩। একইসময়ে, হামের উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৯০৫।

    এ বছরের ১৫ই মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৯২২ জন। একইসময়ে, হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা একশো।

    যারা মারা গেছে, তাদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু।

  5. আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে কোনও ধরনের হরতাল বা ধর্মঘট ডাকাকে অবৈধ ঘোষণা হাইকোর্টের

    আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে যে কোন ধরনের স্ট্রাইক বা হরতাল ডাকাকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছে হাইকোর্ট। এ ধরনের কোন কর্মঘট বা হরতাল ডাকলে বাস মালিক সমিতি, শ্রমিক সংগঠনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    রোববার হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এক রায়ে এই আদেশ দিয়েছে।

    আদালত রায় বলেছে, সংবিধানের আর্টিকেল ১১২ অনুসারে আদালতের রায় সকলের জন্য বাধ্যতামূলক কিন্তু রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকলেও রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল বা ধর্মঘট আহ্বান করা অবৈধ ও সংবিধান পরিপন্থী।

    এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছেন মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশ এর আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

    এতে বলা হয়েছে, ২০১১ সালের অগাস্টে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় ডিলাক্স পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে একটি গাড়ির আরোহী তারেক মাসুদ, মিশুক মনিরসহ পাঁচজন নিহত হয়। ওই ঘটনায় বাসচালুকের বিরুদ্ধে মামলা হলে ২০১৭ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত ড্রাইভারকে সাজা দেয়।

    এই সাজার বিরুদ্ধে পরিবহন ধর্মঘট ও হরতাল করে বাস মালিক ও শ্রমিকরা। পরে জনস্বার্থে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশ একটি রিট পিটিশন দায়ের করে।

    ওই রিট পিটিশনের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের পহেলা মার্চ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে ধর্মঘট বা হরতাল আহবান কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।

    আদালত এক অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ধর্মঘট বা হরতাল প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেয় এবং গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই নির্দেশের প্রেক্ষিতে পরের দিন পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।

    ওই রুলের শুনানি শেষে রোববার আদালত রুলটি যথাযথ ঘোষণা করে রায় দেয়।

    রায়ে আদালত, আদালতের রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে ধর্মঘট বা হরতাল ডাকলে স্বরাষ্ট্র সচিব, বিআরটিএ, বিআরটিসিকে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং ফৌজদারী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছে।

    শুনানীতে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, সংবিধানের আর্টিকেল ১১২ অনুসারে যে কোনো রায় ও নির্দেশনা মানতে সকল কর্তৃপক্ষ বাধ্য কিন্তু দুর্ঘটনার কারণে ড্রাইভারকে সাজা দেয়ার প্রেক্ষিতে মালিকরা পরিবহন ধর্মঘট ডেকে আদালতের আদেশের প্রতি অশ্রদ্ধা দেখিয়েছেন। শুধু তাই নয় সকল নাগরিকের চলাচলের স্বাধীনতা যেটি মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত পরিবহন ধর্মঘটের কারণে সেটা বাধা গ্রস্থ হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছে।

  6. বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় আঞ্চলিক প্রধান নির্বাচনে মালদ্বীপের প্রার্থীকে সমর্থন করবে বাংলাদেশ

    পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক প্রধান হিসেবে ভবিষ্যতে মালদ্বীপের একজন প্রার্থীকে সমর্থন করবে বাংলাদেশ।

    রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে এই কথা জানান তিনি।

    উল্লেখ্য, এই পদে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ ছিলেন। গত সপ্তাহে এই পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক প্রধানের এই পদটিতে আগামী জানুয়ারি মাসে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

    সায়মা ওয়াজেদের নিয়োগটি ত্রুটিপূর্ণ এবং ওই পদে নিয়োগের জন্য তার যথাযথ অভিজ্ঞতা ছিল না বলে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

    “তার অ্যাপয়েন্টমেন্টটাই ছিল দুঃখজনক এই ধরনের সংস্থাতে। তার কোন ক্রেডিবল কোয়ালিফিকেশন ছিল না। এই ধরনের কোন অভিজ্ঞতা ছিল না” বলেন মি. কবির।

    এই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “তার ব্যাপারে এটা সারপ্রাইজিং না। এই অ্যাপয়েন্টমেন্টটাও ক্রুটিপূর্ণ ছিল। ওখানে গিয়ে চাপাবাজি করে ভোট দিয়ে কোনরকম হয়ে গেছে। এগুলাতো বের হয়ে আসবেই। শেখ মুজিব সাহেবের পরিবারের সবগুলা লোক কেমন দুর্নীতির দুর্গন্ধে মানুষ এদেরকে প্রত্যেক জায়গায় আইডেন্টিফাই করতে পারছে।”

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থাতে এ ধরনের নিয়োগ দেয়া লজ্জাজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ইট ইজ অলসো এ শেইম ফর অ্যা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন। দে শুড নট অ্যাপয়েন্ট পিপল অন দি গ্রাউন্ড অফ জাস্ট সিম্পলি বিং কানেক্টেড টু এ ফ্যামিলি রেজিম। আই থিঙ্ক ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশনস অলসো নিড টু টাইটেন দেয়ার প্রসেসেস।”

    (আন্তর্জাতিক একটি সংস্থার জন্য এটা একটা লজ্জার ঘটনাও বটে। শুধুমাত্র ক্ষমতাসীন একটি পরিবারের সাথে সম্পর্ক থাকার কারণে কাউকে নিয়োগ দেওয়া তাদের উচিত হয়নি। আমি মনে করি, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোরও তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া আরো কঠোর করা উচিত)।

  7. আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের বৈধতা নিয়ে করা রিট খারিজ

    আওয়ামী লীগসহ সকল অঙ্গ, সহযোগী এবং ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে দেওয়া প্রজ্ঞাপনের বৈধতা নিয়ে করা রিটটি উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

    রোববার হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এই আদেশ দিয়েছে।

    মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরের বাসিন্দা মো. আল আমিন নামে এক ব্যক্তি পহেলা সেপ্টেম্বর রিটটি দায়ের করেন।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের গত বছরের ১২ই মে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের যে কোনো ধরনের প্রকাশনা, গণমাধ্যম, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোনো ধরনের প্রচারণা, মিছিল, সভা-সমাবেশ, সম্মেলন আয়োজনসহ যাবতীয় কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো।

    এই প্রজ্ঞাপনটিরই বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিটটি দায়ের করা হয়েছিল।

  8. বিবিসি বাংলার লাইভ

    বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায় আপনাদের স্বাগত। দেশ ও বিশ্বের উল্লেখযোগ্য ঘটনার সর্বশেষ খবর পেতে চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার এই পাতায়।

    আরো পড়তে পারেন:

    বিবিসি বাংলায় দেশ-বিদেশের আরো খবর পেতে ক্লিক করুন এখানে