আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

লাইভ, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেফতার, নিশ্চিত করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিকে, ঢাকায় পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছে হাইকোর্ট। দেশ-বিদেশের খবরের জন্য চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায়...

সরাসরি কভারেজ

  1. ছাত্রশিবির নেতার বিরুদ্ধে 'আত্মগোপন ও ধর্ষণের' অভিযোগ নিয়ে সংসদে তুমুল উত্তেজনা

    সম্প্রতি ইসলামী ছাত্রশিবিরের একজন কেন্দ্রীয় নেতার নিখোঁজ ও আত্মগোপনের অভিযোগ, পরবর্তীতে তাকে পুলিশের উদ্ধার, এবং সবশেষে ওই নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ভ্রুণ হত্যার মামলা দায়েরের ঘটনা নিয়ে আলোচনা সংসদ পর্যন্ত গড়িয়েছে।

    রোববার বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জাতীয় সংসদে কুমিল্লায় ইসলামী ছাত্রশিবির নেতা মো. জিসান মিয়া প্রধানের নিখোঁজ এবং ধর্ষণের অভিযোগে হওয়া মামলার বিষয়টি জাতীয় সংসদকে অবহিত করেন।

    বিষয়টি নিয়ে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর বিরোধিতায় এ সময় সংসদে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

    দুপুরে সংসদ অধিবেশন শুরু হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মি. আহমদ ৩০০ বিধিতে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের গ্রেফতারের খবর জানান।

    ওই বক্তব্যের পরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারি আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মি. প্রধানের বিষয়টি সংসদে জানানোর অনুমতি চাইলে ডেপুটি স্পিকার তাকে অনুমতি দেন।

    শিবির নেতা মি. প্রধান বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একজন নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করলে তিনি অন্তস্বত্তা হয়ে পড়েন বলে কুমিল্লার পুলিশের বরাত দিয়ে সংসদে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "কিন্তু একপর্যায়ে ওই নারীকে জোরপূর্বক ভ্রুণ নষ্ট করার চাপ প্রয়োগ করে মি. প্রধান এবং নষ্ট না করলে মেয়েটিকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

    পরে ট্যাবলেট খাইয়ে ওই ভ্রুণ নষ্ট করা হয়। কিন্তু ওই নারী শিবির নেতা মি. প্রধানকে বারবার বিয়ের জন্য চাপ দিলে রাজীও হন তিনি।"

    "একপর্যায়ে ১১ই জুন শিবির নেতা জিসান মিয়া প্রধান আত্মগোপন করে চাচাতো ভাইকে দিয়ে থানায় নিখোঁজ জিডি করান।"

    সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, এ ঘটনায় ওই নারীর দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত সজীব হাসান ও সেকান্দার আলীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

    পুরো ঘটনাটির বর্ণনা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের নাম উল্লেখ না করে তার ফেসবুকে দেয়া পোস্টের কথা উল্লেখ করেন।

    “এ বিষয়ে অনেকেই ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে তার নিখোঁজের বিষয়টি অন্যভাবে বর্ণনা করে সরকারকে দায়ী করতে চেয়েছিল এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের পরে সেটা আমরা মনে করলাম এই ঘটনা জাতির সামনে প্রকাশ করা দরকার। আমি মহান জাতীয় সংসদের মাধ্যমে এইটা প্রকাশ করলাম” বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    শিবির নেতা মি. প্রধানের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা মামলাটির তদন্ত চলছে বলে কুমিল্লা জেলা পুলিশের বরাত দিয়ে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, “আমি দলের নাম নিতাম না, যেহেতু এটার বিষয়ে কিছু ক্লেইম করা হয়েছে সেইজন্য নিচ্ছি।”

    স্বরাষ্টমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন জামায়াতের নায়েবে আমির ও বিরোধী দলের উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

    তিনি সংসদে বলেন, “ভেরি আনফরচুনেট থিং হচ্ছে, এই আমার জানা নাই, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরবর্তী পর্যায়ে একটি আনডিসাইডেড ম্যাটারকে বিতর্কিত বিষয়কে পার্লামেন্টে এরকম বক্তব্য রাখা..কোন একটি দলকে করে..এইটা বোধ হয় পার্লামেন্টের ইতিহাসে এই প্রথম বলেই আমি মনে করি।”

    “এইটা মনে হচ্ছে, আমার কাছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একটি দলকে কনডেম করার জন্যই ইনটেনশনালি এটা এখানে প্লেস করেছেন” বলেন মি. তাহের।

    এ সময় ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল তাকে স্মরণ করিয়ে বলেন, সংসদের বিধান অনুযায়ী ৩০০ বিধিতে কথা বললে সে নিয়ে প্রশ্ন করা যায় না।

    জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মি. তাহের শিবির নেতা জিসান মিয়া প্রধানের অবস্থান জানতে চান ।

    তিনি অভিযোগ করেন, “কুমিল্লার পুলিশ জিসানের সাথে ওই মেয়েটার সাথে কারো সাথেই কথা বলতে দিচ্ছে না। কিন্তু এটা কেন? এখানে কি কোনো প্লট তৈরি হচ্ছে? আজকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে এটা মনে হচ্ছে, ওনারা একটা প্লট তৈরি করার জন্যই পুলিশ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একই লাইনে আলোচনা করে এই কাজটি করেছেন।”

  2. অতি দ্রুতই বেনজীর আহমেদকে বাংলাদেশে ফেরত আনা হবে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    দুবাইয়ে গ্রেফতারকৃত পুলিশের সাবেক আইজি বেনজীর আহমেদকে অতি দ্রুতই দেশে ফেরত আনা হবে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

    রোববার সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি সাবেক আইজিপির গ্রেফতারের বিষয়টি অবহিত করেন।

    পরে তিনি জানান, রেড নোটিশের মাধ্যমে ইন্টারপোল কর্তৃক সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়েছিল গ্রেফতারের জন্য।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “গত ১২ই জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডাইরেক্টের জেনারেল অব ফেডারেল ক্রিমিনাল পুলিশ, ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো বা এনসিবি আবুধাবি হতে প্রেরিত একটি ইমেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে জানানো হয়েছে যে, দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাত পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে সেখানে আটক আছেন”।

    তিনি জানান, আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যর্পণ আবেদন করে এবং আবুধাবির সাথে সমন্বয় পূর্বক অতি দ্রুতই তাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হবে।

  3. দুবাইয়ে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেফতার

    সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাইয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা একটি মামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিবিসি বাংলাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, “প্রত্যার্পণ চুক্তির আওতায় কূটনৈতিক চ্যানেলে তাকে দেশে ফেরত আনার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রস্তাব পাঠানো হবে।”

    এদিকে, পুলিশ সদর দপ্তরের সূত্রগুলো বলছে, গত ১২ই জুন ইন্টারপোল বাংলাদেশের পুলিশ কর্তৃপক্ষকে এই বিষয়ে অবহিত করেছে।

    মি. আহমেদ ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি ছিলেন। পাঁচই অগাস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের আগে তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।

    বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ তিনটি পদে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করেছিলেন বেনজীর আহমেদ।

    ১৯৮৮ সালে পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেওয়া মি. আহমেদকে বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে ‘সবচেয়ে প্রভাবশালী আইজিপি’, যার বক্তৃতা ও বিবৃতিতে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের প্রতি সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ ছিলো প্রায় নিয়মিত ঘটনা।

    ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২০ সালের ১৪ই এপ্রিল পর্যন্ত র‍্যাবের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বেনজীর আহমেদ।

    এরপর ওই বছরের ১৫ই এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইজিপি ছিলেন।

    আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আদালতের ক্রোকাদেশের প্রেক্ষিতে মি. আহমেদের মালিকানাধীন সাভানা রিসোর্ট ও ন্যাচারাল পার্কের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসন।

    দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা এক আবেদনের প্রেক্ষিতে তার সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ দিয়েছিল ঢাকার একটি আদালত।

    ২০২২ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর আইজিপির পদ থেকে অবসরে গিয়েছিলেন মি. আহমেদ।

    এর কিছুদিন পরে ঢাকার একটি পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে ব্যাপক সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করে রিপোর্ট প্রকাশ করলে তা নিয়ে সারাদেশে তোলপাড় হয়েছিল।

    এর কিছুদিন পরেই দেশ ছেড়ে দুবাই চলে যান তিনি।

    আরো পড়তে পারেন:

  4. রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দুই আসামির আপিল শুনানির জন্য হাইকোর্টে

    ঢাকায় পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছে হাইকোর্ট।

    রোববার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।

    গত বৃহস্পতিবার কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আপিল করেন তারা।

    অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল জানিয়েছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে আপিল আবেদনের শুনানি শেষ করে রায় কার্যকর দেখতে চায় রাষ্ট্রপক্ষ।

    পরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আদেশটি তারা(কোর্ট) সেকশনে পাঠিয়ে দেবেন। আমরা প্রত্যাশা করি, সেটি যাওয়ার পরেই রামিসা হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ড রেফারেন্স শুনানির প্রস্তুতির কাজ অনেক দূর এগিয়ে যাবে, পেপারবুক তৈরি হয়ে যাবে।”

    প্রত্যাশিত দুই কার্যদিবসের মধ্যে পেপারবুক তৈরির কাজ সম্পন্ন না হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, আপিলটা মঞ্জুর হয়েছে এবং সেই আপিলটা মৃত্যুদণ্ডের রেফারেন্সের সঙ্গেই শুনানি হবে।

    “কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী যে দুই কার্যদিবসের কথা বলা হয়েছিল, সেটি হয়নি। কারণ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির জেল আপিল করার জন্য সাতদিন সময় থাকে। আইনি বাধ্যবাধকতার ওই সময়টুকু তাদের দিতে হবে” বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

  5. বিবিসি বাংলার লাইভ

    বিবিসি বাংলার লাইভ পাতায় আপনাদের স্বাগত। দেশ ও বিশ্বের উল্লেখযোগ্য ঘটনার সর্বশেষ খবর পেতে চোখ রাখুন বিবিসি বাংলার এই পাতায়।

    আরো পড়তে পারেন: