পত্রিকা: 'নাইন এম এম পিস্তল নিয়ে মাঠে নামবেন মাদকের কর্মকর্তারা'

Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট

নাইন এম এম পিস্তল নিয়ে মাঠে নামবেন মাদকের কর্মকর্তারা— মানবজমিনের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, সবকিছু ঠিক থাকলে খুব শিগগিরই নাইন এমএম আধা স্বয়ংক্রিয় পিস্তল নিয়ে অভিযান পরিচালনা করবেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) কর্মকর্তারা। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত প্রায় সব প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। আপাতত ২৭৫টি নাইন এম এম আধা-স্বয়ংক্রিয় পিস্তল কেনা হচ্ছে, আর অনুমোদন রয়েছে ৫৯৫টি অস্ত্র কেনার।

আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও চালানোর দক্ষতা বাড়িয়ে প্রশিক্ষিত হতে রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। ৩৫ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে কয়েক ধাপে অংশ নিচ্ছেন ডিএনসি'র ৫৭৯ জন কর্মকর্তা।

উপপরিদর্শক থেকে শুরু করে পরিদর্শক, সহকারী পরিচালক ও উপপরিচালকদের এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি কর্মকর্তারাও প্রশিক্ষণে অংশ নেবেন।

অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে নীতিমালায় বলা হয়েছে- 'একমাত্র সর্বশেষ পন্থা' হিসেবে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা যাবে। তবে আদেশ প্রদানকারীকে অধিদপ্তর বা নির্বাহী তদন্তে গুলি করার যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে হবে।

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— আ.লীগ নিয়ে নমনীয়, সতর্ক বিএনপি

এই খবরে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চূড়ান্ত করা নির্বাচনী বিধিমালায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এ নিয়ে বিএনপির নেতাদের মত দুই রকম।

তাদের একাংশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নিয়ে কিছুটা নমনীয়, আবার সতর্কও। তবে অন্য নেতারা বলছেন, জনগণের কাছে প্রত্যাখ্যাত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আসলে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার কোনো সুযোগই নেই।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আওয়ামী লীগ সম্পর্কে মানুষের ধারণার বদল না হওয়ায় স্থানীয় অনেকে মাঠে নামবেন না। হাতে গোনা কয়েকজন প্রার্থী হতে পারেন।

এদিকে, সংসদ নির্বাচনের সাফল্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও ধরে রাখতে প্রস্তুতি শুরুর পাশাপাশি কৌশলও ঠিক করছে বিএনপি। 'বিদ্রোহী প্রার্থী' এড়াতে ত্যাগীদের মূল্যায়ন, অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসনে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির স্থানীয় নির্বাচনের আগাম প্রস্তুতি কিছুটা অস্বস্তিও তৈরি করেছে বিএনপির নেতাদের মধ্যে।

টাইমস অব বাংলাদেশের খবর— Former adviser Bashir used public office for business interests; অর্থাৎ ব্যবসায়িক স্বার্থে রাষ্ট্রীয় পদ ব্যবহার করেছেন সাবেক উপদেষ্টা বশির।

এতে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে শেখ বশির উদ্দিন এমন কয়েকটি সিদ্ধান্তে জড়িত ছিলেন, যা রাষ্ট্রের স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্ত করার ঝুঁকি তৈরি করে তার ব্যবসায়িক স্বার্থকে এগিয়ে নিয়েছে।

সরকারি চিঠিপত্র, মূল্যায়ন নথি, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং সংশ্লিষ্টদের সাক্ষাৎকারে দেখা গেছে, বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) সবচেয়ে মূল্যবান তিনটি সম্পদসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে বশিরের যোগসূত্র রয়েছে। এসব সম্পদের সঙ্গে যুক্ত সম্মিলিত মূল্য প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

এক ঘটনায়, আন্তমন্ত্রণালয় কমিটি একটি প্রতিষ্ঠানকে বিজয়ী নির্বাচন করার পরও লিজ প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করা হয় এবং পরে বশিরের মালিকানাধীন জনতা জুট মিল সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠে আসে।

আরেক ঘটনায় তিনি এমন একটি লিজ-হার বাস্তবায়ন করতে চাপ প্রয়োগ করেন, যা কার্যকর হলে রাষ্ট্রের অন্তত ৪৪ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হতো।

অন্য একটি ঘটনায় প্রায় ২৫ হাজার কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও করিম জুট মিলকে অর্থনৈতিক অঞ্চলে রূপান্তরের সরকারি পরিকল্পনার বিরোধিতা করার কথা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান প্রথম দুটি ঘটনাকে 'স্পষ্ট স্বার্থের সংঘাত, ক্ষমতার অপব্যবহার ও সংজ্ঞা অনুযায়ী বাস্তবে দুর্নীতি' বলে অভিহিত করেছেন।

এই খবরে বলা হয়েছে, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১৬ ধরনের ব্যবসায়িক খাতকে ভ্যাটের সুনির্দিষ্ট করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

এগুলো হলো— মুদি দোকান, তৈরি পোশাক বা কাপড়ের দোকান, কনফেকশনারি, কসমেটিকসের দোকান, প্লাস্টিক ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্য, জুতার দোকান, হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা, ডেকোরেটরস, মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিকস পণ্যের বিক্রেতা, পেইন্ট এবং স্যানিটারি ও ফিটিংস, টাইলসের দোকান, ঢেউটিন-রড-সিমেন্টের দোকান, ফার্নিচারের দোকান, বিউটি পার্লার, মিষ্টান্নের দোকান ও রেস্তোরাঁ।

ভ্যাটের নতুন উৎস সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গতকাল বুধবার সংসদে প্রশ্নোত্তরে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, ছোট ব্যবসা থেকে ভ্যাট আদায় বাড়াতে সরকার বর্তমানে প্রচলিত বিক্রির ওপর কর বা টার্নওভার ট্যাক্সের পরিবর্তে সুনির্দিষ্ট অঙ্কের কর আদায় করবে। কোন ব্যবসার ওপর কত কর দিতে হবে, তা এলাকাভেদে নির্ধারণ করে বিধিমালা জারি করবে এনবিআর।

সুনির্দিষ্ট করের পরিমাণ হতে পারে বছরে এক, পাঁচ বা ১০ হাজার টাকা। সংস্থাটি বর্তমানে এ বিষয়ে সারাদেশে জরিপ করছে।

কর বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, এতে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে। তবে ছোট ব্যবসায়ীদের ওপর সুনির্দিষ্ট করের যে চাপ, তা শেষমেশ গিয়ে পড়বে ভোক্তার ওপর।

মধ্যবিত্তে করের বোঝা— নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, ১০ লাখ টাকার করযোগ্য আয়ের ওপর চলতি অর্থবছরে যেখানে ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা আয়কর দিতে হয়েছে, সেখানে আগামী অর্থবছরের জন্য নতুন কাঠামোয় প্রায় ৪৮ হাজার ৭৫০ টাকা কর দিতে হবে।

অর্থাৎ করের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে প্রায় ১১ হাজার ২৫০ টাকা, যা শতকরা হিসাবে ৩০ ভাগ।

একইভাবে ১৫ লাখ টাকা করযোগ্য আয়ের ক্ষেত্রে করের পরিমাণ এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়াবে এক লাখ ৩০ হাজার টাকায়, যা প্রায় ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি।

সরকার বাজেট ঘোষণায় করমুক্ত আয়সীমা তিন লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে তিন লাখ ৭৫ হাজার টাকায় উন্নীত করেছে। নতুন কাঠামোয় করযোগ্য আয়ের প্রথম ধাপ এক লাখ টাকার ওপর করহার ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। একইভাবে পরবর্তী চার লাখ টাকার ওপর করহার ১০ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে।

কর বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়বে বেসরকারি চাকরিজীবী ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর। কারণ, দেশের অধিকাংশ বেতনভোগী কর্মী এমনিতেই উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বাসাভাড়া বৃদ্ধি, চিকিৎসা ব্যয়, শিক্ষায় খরচ এবং নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে আর্থিক চাপে রয়েছেন।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী মূল্যস্ফীতি এখনো প্রায় ১০ শতাংশের কাছাকাছি অবস্থান করছে; কিন্তু বেসরকারি খাতে অধিকাংশ কর্মীর বেতন বৃদ্ধি সেই হারে হয়নি। ফলে বাস্তব আয় কমে যাওয়ার এই সময়ে করের বোঝা বৃদ্ধি তাদের জীবনযাত্রাকে আরো কঠিন করে তুলবে।

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশ যে গ্যাসের অভাবসহ ভয়াবহ জ্বালানি সংকটে পড়তে যাচ্ছে, সে লক্ষণ দৃশ্যমান হয়েছিল প্রায় এক দশক আগে। কিন্তু গ্যাস সংযোগ নিশ্চিত না করেই ২০২০ সাল পরবর্তী সময়ে এক সঙ্গে ছয়টি বৃহৎ শিল্প-কারখানা গড়ে তুলেছে 'সিটি গ্রুপ'। এক্ষেত্রে বিনিয়োগ করা হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা।

মুন্সীগঞ্জের হোসেন্দী অর্থনৈতিক অঞ্চলে গড়ে তোলা এ শিল্প-কারখানাগুলোই মূলত গ্রুপটিকে বিপদে ফেলেছে।

চলতি বছরের এপ্রিল শেষে সিটি গ্রুপের মোট ঋণ স্থিতি ছিল ২৪ হাজার ৭৭৪ কোটি টাকা। দেশি-বিদেশি মোট ৪৮টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এ ঋণ নেওয়া হয়েছে।

ঝুঁকি পর্যালোচনা না করে কেবল সুনামের ওপর ভিত্তি করে গ্রুপটিকে হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ দিয়ে বিপদ ডেকে এনেছে ব্যাংকগুলো।

গ্রুপটিকে ঋণ দেওয়া শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকায় রয়েছে বহুজাতিক দ্য হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন (এইচএসবিসি) ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের মতো ব্যাংক।

আর দেশের বেসরকারি খাতের সেরা ব্যাংকগুলোও গ্রুপটিকে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, প্রাইম, ব্র্যাক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক (এমটিবি), ইউসিবি, ডাচ্-বাংলা, পূবালী ও ব্যাংক এশিয়ার মতো বেসরকারি ব্যাংকগুলো।

এসব ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ব্যাংকাররা দেশের 'সেরা ব্যাংকার' হিসেবে পরিচিত।

নিউ এইজের প্রধান খবর— UNHCR ROHINGYA RELIEF WORK: UN audit finds funds going down the drain; অর্থাৎ রোহিঙ্গাদের জন্য ইউএনএইচসিআরের ত্রাণ কার্যক্রমে তহবিল অপচয়ের বিষয় ওঠে এলো নিরীক্ষায়।

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর) পরিচালিত কয়েকটি রোহিঙ্গা ত্রাণ প্রকল্পে অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম ও অপব্যবহারের বিষয়টি চিহ্নিত করা হয়েছে অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষায়।

প্রকল্পগুলো পর্যবেক্ষণ, মূল্যায়ন ও বাস্তবায়নেও ত্রুটি ছিল। অবকাঠামো নির্মাণ বা ভাড়া করা হলেও তা কখনো ব্যবহার না করার পাশাপাশি সর্বনিম্ন দর না দেওয়া ভেন্ডর ও ঠিকাদারকে কাজ আদেশ দেওয়ার মতো ঘটনাও আছে।

দুর্বলভাবে পরিকল্পিত ও বাস্তবায়িত হওয়ায় প্রকল্পগুলো এই শরণার্থী সংস্থার উদ্দেশ্যের সঙ্গে যথাযথভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। যার ফলে অর্থের অপচয়, কাজের পুনরাবৃত্তি এবং সম্পদের অপব্যবহার ঘটেছে।

২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালের এই নিরীক্ষায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ১০০ জনেরও বেশি কর্মী নিয়োগ করা সত্ত্বেও ইউএনএইচসিআর সঠিকভাবে সুবিধাভোগী নির্বাচন করতে ব্যর্থ হয়েছে।

এমনকি, সময়মতো স্বাস্থ্য কর্মসূচি গ্রহণে ব্যর্থতার কারণে শরণার্থীগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটেছে। এর মধ্যে একজন ভেন্ডর সরবরাহকৃত ওষুধের মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ পর্যন্ত পরিবর্তন করেছে।

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম— বিনিয়োগ ও রাজনৈতিক সম্পর্কে অগ্রাধিকার

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান তার প্রথম চীন সফরে দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে আজ বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসছেন। দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে এবার দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রে বিনিয়োগ ও রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পাবে।

ঢাকা ও বেইজিংয়ের কূটনৈতিক সূত্রগুলো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর নিয়ে এমন ধারণা দিয়েছেন। ঢাকার কর্মকর্তারা আশা করছেন, এ সফরের মধ্য দিয়ে ঢাকা-বেইজিং সম্পর্কে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।

বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের চীন সফর নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আগ্রহ রয়েছে। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিসরে চীনকে নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপট এ সফর ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকেরা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এবারের সফরে চুক্তি, সমঝোতা স্মারকসহ ১৫ থেকে ১৭টি দলিল সইয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আলোচনা হবে তিস্তা প্রকল্পও নিয়ে।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— National health hotline going cold; অর্থাৎ অচল হওয়ার পথে জাতীয় স্বাস্থ্য হটলাইন।

এই খবরে বলা হয়েছে, প্রায় দুই মাস আগে বেসরকারি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার সঙ্গে সরকারি চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের জাতীয় টেলি-পরামর্শ পরিষেবা 'স্বাস্থ্য বাতায়ন' হোঁচট খাচ্ছে এবং বহু ফোন কলের উত্তর দেওয়া যাচ্ছে না।

এই পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা সিনেসিস আইটি জানিয়েছে, তারা গত ২২ মাস ধরে কোনো অর্থ না পাওয়ায় কর্মী সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছে।

যার ফলে এই সংকট আরও জটিল হয়েছে এবং দেশের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত এই বিনামূল্যের স্বাস্থ্য পরিষেবাটির ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

২৪ ঘণ্টা চালু থাকা এই পরিষেবার আওতায় মূলত ১৬২৬৩ হটলাইনের মাধ্যমে দেশের নাগরিকরা বিনামূল্যে চিকি‍ৎসকের সাথে পরামর্শ এবং স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্য ও পরামর্শ পান। এই পরিষেবা প্রত্যন্ত ও অনুন্নত অঞ্চলের মানুষের জন্য একটি অপরিহার্য স্বাস্থ্যসেবা লাইফলাইন হিসেবে কাজ করেছে।

স্বাস্থ্য বাতায়নে সাধারণত প্রতিদিন গড়ে পাঁচ হাজার থেকে ছয় হাজার কল পেলেও কর্মী সংখ্যা কমে যাওয়ায় এখন তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার কলের উত্তর দেওয়া যাচ্ছে,, ফলে হাজার হাজার কলার সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রথম পাতার খবর— WB approves $450m to support Bangladesh's banking sector; অর্থাৎ ব্যাংক খাত শক্তিশালী করতে বাংলাদেশকে ৪৫০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক।

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের ভিত শক্তিশালী করতে ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধার এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির অন্যতম পূর্বশর্ত হিসেবে এই ঋণ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

গত ২৩ জুন ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক পর্ষদ এই অর্থায়ন অনুমোদন করে।

'ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট-২' শীর্ষক এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সুরক্ষা জোরদার করা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি সক্ষমতা ও ব্যবস্থা বৃদ্ধি করা। এটি ব্যাংক রেজ্যুলেশন এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর সংস্কারের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

প্রকল্পটি আমানত সুরক্ষা তহবিলের মূলধন বাড়িয়ে একে সহায়তা করবে এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংস্কার অগ্রাধিকার এগিয়ে নেবে। এর মধ্যে রয়েছে—আমানত সুরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করা, একটি কার্যকর 'ইমার্জেন্সি লিকুইডিটি অ্যাসিস্ট্যান্স' (জরুরি তারল্য সহায়তা) কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা, ব্যাংক পুনর্গঠন কৌশল তৈরি করা এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর সংস্কারে সহায়তা প্রদান।